২৮ মে, ২০২৩ ০৪:১৭ পিএম

সবাইকে স্বেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসার আহ্বান বিএসএমএমইউ ভিসির

সবাইকে স্বেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসার আহ্বান বিএসএমএমইউ ভিসির
বিশ্ব ব্লাড ক্যান্সার দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রান্সফিউশন মেডিসিন ও হেমাটোলজি বিভাগের উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি ছাড়াও র‌্যালি, সেমিনার, স্ক্রিনিং প্রোগ্রাম ও লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

মেডিভয়েস রিপোর্ট: সকল সুস্থ মানুষকে স্বেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসার এবং রক্তের ক্যান্সার প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ভাইসচ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

আজ রোববার (২৮ মে) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদক প্রাপ্তির ৫০ বছর পূর্তি ও বিশ্ব ব্লাড ক্যান্সার দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচিতে এ কথা বলেন তিনি।

বিশ্ব ব্লাড ক্যান্সার দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রান্সফিউশন মেডিসিন ও হেমাটোলজি বিভাগের উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি ছাড়াও র‌্যালি, সেমিনার, স্ক্রিনিং প্রোগ্রাম ও লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রক্তের ঋণ আমরা কোনোদিন শোধ করতে পারবো না। তবে আমরা যদি স্বেচ্ছায় রক্তদান করি বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে। সাথে সাথে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার হাতকে শক্তি রাখতে সহায়তা করা আমাদের সকলের পবিত্র দায়িত্ব। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে দেশে চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে, দেশের মানুষ ভালো থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘সকল সুস্থ মানুষকে স্বেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসতে হবে। রক্তের ক্যান্সার প্রতিরোধে সবাইকে আরও বেশি সচেতন হতে হবে। নিজে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি ক্যান্সার সম্পর্কে রোগী, রোগীর স্বজন, সকল পর্যায়ের স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী এবং সর্বস্তরের জনগণের মাঝে সচেতনতা তৈরির ব্যাপারে উদ্যোগ নিতে হবে।’

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন হেমাটোলজী বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. সালাহউদ্দীন শাহ। আরো প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন হেমাটোলজী বিভাগের রেসিডেন্ট ডা. নাজিয়া শারমিন ও ডা. নাহিদ আফরোজা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রেসিডেন্ট ডা. মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ও ডা. মিম জারিন তাসনিম।

সেমিনারে জানানো হয়,‘বাংলাদেশে প্রায় ১৫ লাখ ক্যান্সার রোগী রয়েছে। তাদের মধ্যে প্রতি বছর মৃত্যু হয় দেড় লাখ। কিন্তু দেশে জনসংখ্যা ভিত্তিক ক্যান্সার রেজিস্ট্রি নাই। জাতীয় ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণ কৌশল এবং কর্ম পরিকল্পনারও অভাব রয়েছে। সিবিসি, পেরিফেরাল ব্লাড ফিল্ম, বোনম্যারো স্টাডি, ইমিউনোফেনোটাইপিং, সাইটোজেনেটিক্স স্টাডির মাধ্যমে ব্লাড ক্যান্সার নির্ণয় ও শ্রেণীবদ্ধ করা যেতে পারে। কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি, কোমোইমিউনোথেরাপি, অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন হলো ক্যান্সারের অন্যতম চিকিৎসা।’

অনুষ্ঠানে মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মাসুদা বেগম, হেমাটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সালাহউদ্দিন শাহ, অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল আজিজ, অধ্যাপক ডা. এবিএম ইউনুস, অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুজ্জামান খান, ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আয়েশা খাতুন, সহযোগী অধ্যাপক ডা. আতিয়ার রহমান, সহযোগী অধ্যাপক ডা. শেখ সাইফুল ইসলাম শাহীন প্রমুখসহ উক্ত বিভাগদ্বয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এসএস

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  ঘটনা প্রবাহ : বিএসএমএমইউ
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত