সৈয়দ নজরুল মেডিকেলে চিকিৎসকদের ওপর রোগীর স্বজনদের হামলা
মেডিভয়েস রিপোর্ট: চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনা কিছুতেই থামছে না। চিকিৎসাধীন রোগীর মৃত্যু কিংবা হাসপাতালের সামান্য অব্যবস্থাপনাসহ ঠুনকো কারণে নিয়মিত বিরতিতেই শারীরিক ও মানসিকভাবে লাঞ্ছিত হতে হচ্ছে তাদের, যার প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিবেদিতপ্রাণ এসব স্বাস্থ্যকর্মীর দূরতম সম্পৃক্ততারও প্রমাণ মেলে না।
এরই ধারাবাহিকতায় শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও মেডিকেল অফিসারের উপর হামলা করেছে রোগীর স্বজনরা। শুক্রবার (১০ নভেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হেপাটোসেলুলার কারসিনোমায় (লিভার ক্যান্সার) আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি ছিলেন একজন রোগী।
অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে অপেক্ষাকৃত উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করা হলে স্বজনরা তাঁকে নিয়ে যেতে অসম্মতি প্রকাশ করেন। তারা যে কোনো পরিণতির দায় নিয়ে রোগীকে সৈয়দ নজরুলেই রেখে দেওয়ার বিষয়ে বন্ড সই করেন।
গত রাত আনুমানিক চারটার দিকে রোগী মারা গেলে রোগীর স্বজনরা কর্মরত মেডিকেল অফিসার ও ইন্টার্ন ডাক্তারের উপর অতর্কিতে হামলা চালায়। এতে কর্তব্যরত ইন্টার্ন চিকিৎসক ও মেডিকেল অফিসার গুরুতর আহত হন।
এ সময় ইন্টার্ন চিকিৎসকের কক্ষ ভাঙচুর এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন।
ঘটনার প্রতিবাদে আজ শনিবার (১১ ডিসেম্বর) সকল ইন্টার্ন চিকিৎসক ডিউটি বর্জনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা তাদের ক্লাস বর্জন করেছে। ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে হাসপাতালে অবস্থান করছে।
এর আগে শুক্রবার (১০ ডিসেম্বর) বেলা আড়াইটার দিকে গাড়ি পার্কিংকে কেন্দ্র করে মারধরের শিকার হন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. খালেকুজ্জামান (৫৬)। রাজধানীর বড় মগবাজার ওয়ারলেস গেটের বাসার ৫তলায় নিজ বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত অবস্থায় ডা. খালেকুজ্জামানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
-
১৬ মে, ২০২৬
হার্ট অ্যাটাকের রোগীর মৃত্যুর জের
শরীয়তপুরে রোগীর স্বজনদের সংঘবদ্ধ হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে চিকিৎসক
-
২১ এপ্রিল, ২০২৬
দোষীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি দাবি
ক্যান্সার হাসপাতালের উপ পরিচালককে কুপিয়ে জখম: ড্যাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ
-
১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬