বিশ্ববিদ্যালয় র্যাঙ্কিং অগ্রগতিতে গবেষণায় গুরুত্বারোপ বিএমইউ ভিসির
মেডিভয়েস রিপোর্ট: গবেষণা হল সত্যের সাক্ষ্য। গবেষণার মাধ্যমেই হাজার হাজার, লাখ লাখ মানুষের রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। এভাবেই—শিক্ষক-চিকিৎসকদের উদ্দেশে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম।
আজ বুধবার (১৬ এপ্রিল) বিএমইউর র্যাঙ্কিং বিষয়ক প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাঙ্কিং কমিটি ২০২৫ এর সভাপতিত্বের বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাঙ্কিং উন্নীতকরণের লক্ষ্যে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক মো. শাহিনুল আলম। তিনি বলেন, ‘ইউনিভার্সিটির র্যাঙ্কিংয়ের সাথে অনেকগুলো বিষয় সম্পৃক্ত। জার্নাল ক্লাব ও ডিজিটাল লাইব্রেরির আধুনিকায়ন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমঝোতা বৃদ্ধি, উন্নতমানের গবেষণা নিশ্চিত করা জরুরি। প্রকৃতপক্ষে, গবেষণা হল সত্যের সাক্ষ্য।’
তিনি আরও বলেন, ‘গবেষণার মাধ্যমেই হাজার হাজার, লাখ লাখ মানুষের রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। তাই উন্নতমানের গবেষণায় শিক্ষক, রেসিডেন্ট সকলকেই উৎসাহের সাথে এগিয়ে আসতে হবে। যা ইউনিভার্সিটির র্যাঙ্কিং উন্নীতকরণে বিরাট ভূমিকা রাখবে।’
সভায় আন্ডারস্ট্যান্ডিং র্যাঙ্কিং সিস্টেমস, প্রোপোজ স্ট্র্যাটেজিক ডিরেকশনস, স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএমইউর প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম, মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদ, সার্জারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. রুহুল আমীন, বেসিক সাইন্স ও প্যারাক্লিনিক্যাল সাইন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী, প্রিভেনটিভ অ্যান্ড স্যোসাল মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. আতিকুল হক, শিশু অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. আতিয়ার রহমান, সহযোগী অধ্যাপক ডা. ফজলে রাব্বী চৌধুরী, সহকারী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সোয়েব মোমেন মজুমদার, সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. ফারুক ইসতিয়াক প্রমুখ ছাড়াও বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানবৃন্দ।
সভায় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, ‘র্যাঙ্কিংয়ের সাথে উন্নতমানের গবেষণা অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। আবার উন্নতমানের গবেষণা নিশ্চিত করতে গবেষণার ফান্ড বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। আন্তজার্তিক মানসম্পন্ন গবেষণার জন্য যে পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হয় তা নিশ্চিত করাও জরুরি।’
উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাঙ্কিং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় স্তরেই একটি প্রতিষ্ঠানের ধারণা এবং সুনামকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করে। র্যাঙ্কিং একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চ-স্তরের শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকমন্ডলীর মনোযোগ আকর্ষণ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিশ্চিকরণ এবং গবেষণার জন্য জন্য তহবিল সংগ্রহের ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে। র্যাঙ্কিং প্রাতিষ্ঠানিক কর্মক্ষমতা মূল্যায়ন এবং নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য একটি মানদন্ড হিসাবেও কাজ করে। বিশ্বব্যাপী শিক্ষায় ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতার পরিপ্রেক্ষিতে, প্রতিযোগিতামূলক এবং প্রাসঙ্গিক থাকার জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয়কে র্যাঙ্কিং মানদন্ডের সাথে অগ্রসর হতে হবে বলে বক্তারা মতামত প্রকাশ করেন।
এমআই/
-
১৩ ঘন্টা আগে
-
০২ জুন, ২০২৬