৩০ জুলাই, ২০২৬ ০২:০৩ এএম

অধ্যাপক ডা. নিয়াজ চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য নিযুক্ত

অধ্যাপক ডা. নিয়াজ চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য নিযুক্ত
অধ্যাপক ডা. নিয়াজ আহমদ চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) কলেজের ভাসকুলার সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. নিয়াজ আহমদ চৌধুরী। গত ২৬ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে পূর্ণ সচিব পদমর্যাদায় চার বছরের জন্য তাকে এই পদে নিয়োগ দেয়া হয়।

সদ্য গ্রেড-১ প্রাপ্ত এ চিকিৎসক কর্মকর্তার গ্রামের বাড়ি দক্ষিণ সুরমা উপজেলার দাউদপুরে। 

ডা. নিয়াজ আহমদ চৌধুরী সাবেক সচিব, অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যা ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার ইমাম উদ্দিন আহমদ চৌধুরীর একমাত্র ছেলে। 

বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক আইজিপি ই এ চৌধুরী এবং সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য আলহাজ শফি এ চৌধুরী অধ্যাপক ডা. নিয়াজ আহমদ চৌধুরীর চাচা।

আওয়ামী লীগ সরকারের বিগত ১৬ বছর ডা. নিয়াজ আহমদ চৌধুরীকে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে পদ অবনতি করে চাকরিচ্যুত করে রাখা হয়। ২০২৪ এর ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিলে নিরপেক্ষ বিশ্লেষণের মাধ্যমে তিনি চাকরি ফিরে পান। 

অধিকারবঞ্চিত ডা. নিয়াজ আহমদ চৌধুরী দেশের একজন প্রখ্যাত ভাসকুলার সার্জন।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য নিযুক্ত করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তার সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ডা. নিয়াজ আহমদ চৌধুরী। অভিন্ন বিবৃতিতে অর্পিত এই দায়িত্ব পালনে দেশবাসীর সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।

অধ্যাপক ডা. নিয়াজ আহমদ চৌধুরী ১৯৮৫ সালে এমবিবিএস পাসের পর উচ্চ শিক্ষার জন্য জাপান পড়ি দেন। জাপানের হামামাতসু স্কুল অব মেডিসিন থেকে ভাসকুলার সার্জারী বিষয়ে তিনি পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেন। এ ছাড়াও আমেরিকা, লন্ডন, সিঙ্গাপুর সহ বিশ্বের কয়েকটি দেশে এন্ডোভাসকুলার এন্ড লেজার সার্জারী বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রী অর্জন করেন।

ডা. নিয়াজ আহমদ চৌধুরী ১৯৯৩ সালে দেশে ফিরে এসে ঢাকা মেডিকেল কলেজে অ্যাসিসটেন্ট রেজিস্টার (সার্জারি) হিসেবে চাকুরীতে যোগদান করেন। ১৯৯৫ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের রেজিস্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৯ সালে সহকারি অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান। ২০০৩ সালে সহযোগী অধ্যাপক এবং সর্বশেষ ২০০৬ সালে অধ্যাপক (এন্ডোভাসকুলার এন্ড লেজার সার্জারি) হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। এ পদে দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর তিনি চাকুরিচ্যুত হন।

এমইউ/

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত