বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যলয়ের নাম পরিবর্তনের দাবি
মেডিভয়েস রিপোর্ট: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) নাম পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক-চিকিৎসকসহ সর্বস্থরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) ক্যাম্পাসের বটতলায় ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদে আয়োজিত এক সমাবেশ থেকে এই দাবি জানানো হয়।
এদিন বেলা ১১টায় ‘বিএসএমএমইউ বৈষম্যবিরোধী শিক্ষক-চিকিৎসক, কর্মকর্তা-নার্স ও কর্মচারী ঐক্য পরিষদে’র ব্যানারে এই কর্মসূচি আয়োজিত হয়।
এ সময় ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলার প্রতিবাদ জানানো হয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশে আগ্রাসন ও আধিপত্যবাদ বন্ধের দাবি জানিয়ে দেশটির সকল পণ্য বর্জনের আহ্বান জানানো হয় মানববন্ধন থেকে।
সমাবেশে বিএসএমএমইউর নাম পরিবর্তন করে পুনরায় ‘পিজি’ (পোস্ট গ্রাজুয়েট) রাখার দাবি জানান বৈষম্যবিরোধী শিক্ষক-চিকিৎসক, কর্মকর্তা-নার্স ও কর্মচারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার-১ ডা. মো. দেলোয়ার হোসেন টিটো। তিনি একই সঙ্গে জুলাই আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদদের নামে বিভিন্ন হল ও ভবনের নামকরণ করার দাবি জানান তিনি।
ডা. মো. দেলোয়ার হোসেন টিটো বলেন, ‘এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ফ্যাসিস্ট শেখ মুজিবুরের নামে থাকতে পারে না। অবিলম্বে এটি পরিবর্তন করতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই, আমাদের যতগুলো হল আছে সেগুলোর নাম পরিবর্তন করে জুলাই আন্দোলনে নিহত শহীদদের নামে দিতে হবে। দাবি না মানা পর্যন্ত আমাদের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।’
এ সময় ভারতের আগ্রাসনের প্রতিবাদে তিনি বলেন, ‘ভারত বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা বন্ধ করেছে। এমনকি রোগীদের চিকিৎসা ভিসাও বন্ধ করেছে দেশটি। জুলাই-আগস্টে গণহত্যা চালিয়ে স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সভাপতি শেখ হাসিনা পালিয়ে সে দেশে আশ্রয় নিয়েছেন। এসব কীসের লক্ষণ?’
তিনি আরও বলেন, ‘ভারতের আচরণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি স্বরূপ। অবিলম্বে এ ধরণের আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে।’
সমাবেশে পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডা. রুহুল কুদ্দুস বিপ্লব বলেন, ‘বিগত সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির ফলস্বরূপ ভারত বাংলাদেশের দূতাবাসের উপর হামলার দুঃসাহস দেখাতে পারে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও ইসকনকে নিষিদ্ধ করা হোক।’
সমাবেশে অন্যান্য বক্তারা বলেন, ভারত আমাদের প্রতিবেশী দেশ এবং তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক রাখা জরুরি। কিন্তু কোনোভাবেই সেটি রাজা-প্রজার সম্পর্ক হতে পারে না। বাংলাদেশের হাইকমিশনে হামলার জন্য ভারতকে ক্ষমা চাইতে হবে।
তারা বলেন, বাংলাদেশ গত ১৬ বছরের দিল্লির গোলামি ছেড়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে, যা দিল্লির জন্য অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছে। ভারতের উচিত বর্তমান পরিস্থিতি উপলব্ধি করা এবং বাংলাদেশে আধিপত্য বিস্তারের প্রচেষ্টা বন্ধ করা।
সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন বিএসএমএমইউর ডা. জাফর ইকবাল, উপ-রেজিস্ট্রার ডা. এস এম কবীর আহমেদ রিয়াজ, উপ-রেজিস্ট্রার সাবিনা ইয়াসমিন, মো. ইয়াহিয়া খান প্রমুখ।
এনএআর/
-
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
তিন দিনব্যাপী দ্বাদশ জাতীয় বিজ্ঞান সম্মেলন অনুষ্ঠিত
বিএসপিএমআর’র লাইফ টাইম এচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত অধ্যাপক কামরুল
-
০২ জুন, ২০২৫
গণঅভ্যুত্থানে হামলা-ভাঙচুর-হত্যাচেষ্টা
চাকরি হারাচ্ছেন বিএমইউর চিকিৎসকসহ ৩৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী
-
১৬ মার্চ, ২০২৫
-
১১ মার্চ, ২০২৫