‘আইনি জটিলতা সহজীকরণ করে দ্রুত ধর্ষককে ফাঁসি দিতে হবে’
মেডিভয়েস রিপোর্ট: ধর্ষকদের দ্রুততম সময়ে ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের (শেবাচিম) শিক্ষার্থীরা। ধর্ষণের বিচারপ্রক্রিয়ায় আইনি জটিলতা সহজীকরণ করে দ্রুততম সময়ে ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান তারা।
আজ সোমবার (১০ মার্চ) বেলা ১২টার দিকে মেডিকেলের অধ্যক্ষের কার্যালয়ের সামনে এই কর্মসূচি পালিত হয়। শিক্ষার্থীদের দাবির সাথে একাত্মতা পোষণ করে অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ফয়জুল বাশার মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় ‘জুলাইয়ের হাতিয়ার গর্জে উঠো আরেকবার’, ‘তুমি কে আমি কে আছিয়া আছিয়া’, ‘আমার বোনের কান্না আর না আর না’, ‘কণ্ঠে আবার লাগা জোর, ধর্ষকদের কবর খোঁড়’, ‘ধর্ষকের ঠিকানা এই বাংলায় হবে না’, ‘রশি লাগলে রশি নে, ধর্ষকদের ফাঁসি দে’ প্রভৃতি স্লোগান দিতে শোনা যায় শিক্ষার্থীদের।
মানববন্ধনে এসবিএমসি ৫২ ব্যাচের শিক্ষার্থী এম রহমান রানা বলেন, ‘আট বছরের শিশু ধর্ষণের শিকার হচ্ছে—এর অর্থ এই দাঁড়ায় রাষ্ট্র সম্পূর্ণভাবে বিচারহীন অবস্থায় আছে। আমরা খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে ধর্ষণসহ সকল প্রকার অপরাধের বিচার দাবি করছি। বিচার না হলে আমরা আবার মাঠে নেমে আসবো।’
হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যে স্পিরিট, তা এখনও মরে যায়নি। আমরা এখনও রাস্তায় আছি। আমরা এখনও প্রস্তুত আছি অপরাধীদের রুখে দিতে।’
৫৪ ব্যাচের শিক্ষার্থী ইশতিয়াক আহমেদ মুনাজ বলেন, ‘মাগুরায় আমরা দেখেছি একটি শিশু অত্যন্ত নৃশংস ঘটনার শিকার হয়েছে। আমরা নারী সমাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকারকে বার্তা দেওয়ার লক্ষ্যে আজকের মানববন্ধনের আয়োজন করেছি। আমরা চাই, বাংলাদেশে সুস্পষ্ট কেসের ক্ষেত্রে যেসব ধর্ষক থাকবে, তাদেরকে অনতিবিলম্বে এমন শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে, যেন পরবর্তীতে কেউ ধর্ষণের মতো হীন কাজ করার আগে শতবার ভাবে।’
তিনি বলেন, ‘বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে আমাদের নারী সমাজ এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এই নিরাপত্তাহীনতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আইনি জটিলতাকে আরও সহজীকরণ করে দ্রুত সময়ে ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি নিশ্চিত করতে হবে।’
এনএআর/
-
২২ ডিসেম্বর, ২০২৫
-
১৪ অগাস্ট, ২০২৫