ডাক্তার পদবি ব্যবহার সংক্রান্ত রিট, শুনানি বুধবার পর্যন্ত মুলতবি
মেডিভয়েস রিপোর্ট: নামের আগে ডাক্তার পদবি ব্যবহার সংক্রান্ত রিটের ওপর শুনানি আগামী বুধবার (১৩ নভেম্বর) পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে। আজ রোববার (১০ নভেম্বর) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি সাথিকা হোসেনের বেঞ্চে দুই দফা শুনানি শেষে এ দিন ঠিক করা হয়।
৬৯তম দিনে দুই ধাপে প্রায় আড়াইটা পর্যন্ত উভয়পক্ষের আইনজীবী শুনানি করেন।
শুনানিতে ডিএমএফ ডিগ্রিধারী সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার’র (স্যাকমো) পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট শিশির মনির। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এরশাদ।
বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে বলে ডাক্তার পদবি ব্যবহার না করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন বাদীপক্ষের আইনজীবী। তবে এর পরিবর্তে স্বাস্থ্যসেবায় সম্পৃক্ত পেশাজীবী হিসেবে সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারদের একটি সম্মানজনক পদবি, যেমন–ডিপ্লোমা চিকিৎসক বা এই ধরনের কোন পদবির কথা বলেন।
বিএমডিসির আইনজীবী বলেন, আইন অনুযায়ী তাদের পদবি মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট, যা তারা ধারণ করছেন। সুতরাং নতুন কোনো পদবির প্রয়োজন নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নির্দেশনা অনুসারেও তাদের পদবি মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট। সুতরাং তারা মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করলে সরকার তাদের বাধা দিবে না।
শুনানিতে অংশ নিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান আইনসহ অন্যান্য পেশাজীবীদের বিভিন্ন পদবির গুরুত্ব উল্লেখ করেন। তিনি ডাক্তার পদবির তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং আইন অনুযায়ী এমবিবিএস-বিডিএস ছাড়া অন্য কারও ডাক্তার পদবি ব্যবহার করতে না পারার যৌক্তিকতা তুলে ধরেন।
২০১৩ সালে ডিএমএফ ডিগ্রিধারীদের কয়েকজন নামের আগে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করার জন্য আদালতে রিট দায়ের করেন।
এ আবেদনকে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) আইনের পরিপন্থী উল্লেখ করে চিকিৎসকরা বলেন, সংস্থাটির আইন অনুযায়ী, এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রিধারী ছাড়া অন্য কারও ডাক্তার পদবি ব্যবহার করার অধিকার কারও নেই।
এর আগে গত ৩ নভেম্বর এই রিটের ওপর শুনানির দিন ধার্য করে হাইকোর্ট। তবে সেদিন ৬৮তম বারের মতো পেছানো হয়।
চিকিৎসকদের অভিযোগ, ‘ডাক্তার না হয়েও নামের আগে ডাক্তার ব্যবহার করে চিকিৎসা প্রদানের মাধ্যমে জনগণকে প্রতারিত করা হচ্ছে। এতে অবাধে শক্তিশালী এন্টিবায়োটিকগুলো ব্যবহৃত হচ্ছে, এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স এ দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য একটি বিশাল হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে, অবাধে স্টেরয়েড নামক ওষুধ ব্যবহার হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে, অনেক জটিল রোগের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এ রকম অসংখ্য অপচিকিৎসার শিকার হচ্ছে এই দেশের শের জনসাধারণ, যা স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার অন্যতম কারণ।’
এমইউ/
-
২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
-
২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
-
১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
-
১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
-
১৯ নভেম্বর, ২০২৪
-
১০ নভেম্বর, ২০২৪
-
১০ নভেম্বর, ২০২৪
-
০৫ নভেম্বর, ২০২৪
-
০৫ নভেম্বর, ২০২৪