ডাক্তার পদবি সংক্রান্ত রিটের সর্বশেষ শুনানি ২৫ ফেব্রুয়ারি
মেডিভয়েস রিপোর্ট: আগামী মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ডাক্তার পদবি সংক্রান্ত রিটের সর্বশেষ শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত। এরপরে আর কোনো সময় দেওয়া হবে না শুনানির জন্য। একই দিন রায়ের তারিখ ঘোষণা করা হবে। আজ বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি সাথিকা হোসেনের বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
শুনানিতে ডিএমএফ ডিগ্রিধারী সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারের (স্যাকমো) পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট শিশির মনির। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এরশাদ।
বিকেলে চিকিৎসক ও চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের সংগঠন ইউনাইটেড মেডিকেল অর্গানাইজেশনস্ অব বাংলাদেশের (ইউমব) চিফ কো-অর্ডিনেটর ডা. মোবারক হোসেন মেডিভয়েসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আজকের শুনানি শেষে স্যাকমোদের পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির সময় আবেদন করেন। আদালত আগামী মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করে বলেছেন, ডাক্তার পদবি সংক্রান্ত রিট এবং ধারা ২৯-কে চ্যালেঞ্জ সংক্রান্ত রিটের সর্বশেষ শুনানি আগামী মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে। শুনানির জন্য আর কোনো সময় দেওয়া হবে না। ওই দিন রায় দেওয়ার তারিখ ঘোষণা করবেন আদালত।’
ডা. মোবারক হোসেন বলেন, ‘আমরা আর কোন গড়িমসি দেখতে চাই না। এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রি ছাড়া কেউ ডাক্তার পদবী ব্যবহার করতে পারবেন না। যদি আগামী মঙ্গলবার রায়ের তারিখ ঘোষণা না করা হয়, তাহলে আমরা কঠোর কর্মসূচি নিতে বাধ্য হবো।’
প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে ডিএমএফ ডিগ্রিধারীদের কয়েকজন নামের আগে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করার জন্য আদালতে রিট দায়ের করেন। এ আবেদনকে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) আইনের পরিপন্থী উল্লেখ করে চিকিৎসকরা বলেন, সংস্থাটির আইন অনুযায়ী, এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রিধারী ছাড়া অন্য কারও ডাক্তার পদবি ব্যবহার করার অধিকার নেই।
চিকিৎসকদের অভিযোগ, ‘ডাক্তার না হয়েও নামের আগে ডাক্তার ব্যবহার করে চিকিৎসা প্রদানের মাধ্যমে জনগণকে প্রতারিত করা হচ্ছে। এতে অবাধে শক্তিশালী এন্টিবায়োটিকগুলো ব্যবহৃত হচ্ছে, এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স এ দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য একটি বিশাল হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে, অবাধে স্টেরয়েড নামক ওষুধ ব্যবহার হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে, অনেক জটিল রোগের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এ রকম অসংখ্য অপচিকিৎসার শিকার হচ্ছে এই দেশের শের জনসাধারণ, যা স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার অন্যতম কারণ।’
এনএআর/
-
২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
-
২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
-
১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
-
১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
-
১৯ নভেম্বর, ২০২৪
-
১০ নভেম্বর, ২০২৪
-
১০ নভেম্বর, ২০২৪
-
০৫ নভেম্বর, ২০২৪
-
০৫ নভেম্বর, ২০২৪