১২ মার্চ, ২০২৪ ০৪:৫২ পিএম

গ্লকোমা স্ক্রিনিং ছাড়া চক্ষু চিকিৎসা না দেওয়ার আহ্বান

গ্লকোমা স্ক্রিনিং ছাড়া চক্ষু চিকিৎসা না দেওয়ার আহ্বান
বিএসএমএমইউ ভিসি বলেন, দেশে ভয়াবহ আকারে বাড়ছে চোখের নীরব ঘাতক গ্লুকোমা রোগ, যা বর্তমানে বাংলাদেশ তথা পৃথিবীতে অনিবারণ যোগ্য অন্ধত্বের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মেডিভয়েস রিপোর্ট: চক্ষু রোগীদের গ্লুকোমা স্ক্রিনিং ছাড়া চিকিৎসা না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ। আজ মঙ্গলবার (১২ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের চক্ষু বিজ্ঞান বিভাগ আয়োজিত বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহ-২০২৪ পালন উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বিএসএমএমইউ ভিসি বলেন, দেশে ভয়াবহ আকারে বাড়ছে চোখের নীরব ঘাতক গ্লুকোমা রোগ, যা বর্তমানে বাংলাদেশ তথা পৃথিবীতে অনিবারণ যোগ্য অন্ধত্বের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে— এটি চোখের এমন একটি রোগ, যাতে চোখের চাপ বেড়ে গিয়ে চোখের পেছনের স্নায়ু অকার্যকর হয়ে ধীরে ধীরে চোখের দৃষ্টি চলে যায়।

অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, চক্ষু চিকিৎসকদের চোখের চিকিৎসার সময় অনেক সচেতনতার সঙ্গে সেবা দিতে হবে। শুধু চশমা দিয়ে সেবা দিলে হবে না। চোখের রোগীর ফান্ডাস পরীক্ষা না করে সেবা দেওয়া যাবে না। অর্থাৎ গ্লুকোমা স্ক্রিনিং করেই সেবা দিতে হবে। যে কোনো রোগী এলে সব ধরনের চিকিৎসা দিতে হবে। চোখের সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সেবা দিতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের দাবির মুখে কৃষকরা চশমা পড়ে ফসল তোলার ফলে চোখের আলসার অনেক কমে গেছে। চক্ষু রোগ প্রতিরোধে গবেষণা করতে হবে। আমাদের কাছে ময়মনসিংহ বিভাগের গ্লুকোমা রোগী বেশি আসছে। কেন এ অঞ্চলে গ্লুকোমা বেশি হয়, তা নিয়ে গবেষণা করতে হবে।

বিএসএমএমইউ ভিসি বলেন, যে কোনো বয়সে গ্লুকোমা রোগ হতে পারে। জন্মের সময় বেশ বড় চোখ এবং চোখের চাপ নিয়ে জন্মালে, একে কনজেনিটাল গ্লুকোমা বলে। তরুণ বয়সেও হতে পারে, এক বলে জুভেনাইল গ্লুকোমা। বেশিরভাগ গ্লুকোমা রোগ ৪০ বছরের পরে হয়। এদের প্রাথমিক গ্লুকোমা বলে। এছাড়া পারিবারিকভাবে যাদের এ রোগ আছে, যারা মাইনাস পাওয়ার চশমা পড়েন, যাদের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ আছে; তাদের মধ্যে এ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চক্ষু বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আব্দুল ওয়াদুদ, কমিউনিটি অফথালমোলোজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. শওকত কবীর, বাংলাদেশ গ্লুকোমা সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. শফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক ডা. শাহ্ নূর হাসানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  ঘটনা প্রবাহ : বিএসএমএমইউ
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী

‘হামের টিকা নিয়ে গাফিলতির ঘটনায় তদন্তের প্রয়োজন নেই’

প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী

‘হামের টিকা নিয়ে গাফিলতির ঘটনায় তদন্তের প্রয়োজন নেই’

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক