রামেক হাসপাতালে ভাঙচুর: জেগে উঠুক বিবেকবান মানুষের মূল্যবোধ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) তিনতলার ছাদ থেকে পড়ে যাওয়া গুরুতর আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসাকে কেন্দ্র করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসক লাঞ্ছনা ও ভাঙচুরের ঘটনা বাংলাদেশে ধারাবাহিকভাবে চলে আসা ঘটনারই পুনরাবৃত্তি।
খোদ রাজশাহী মেডিকেল কলেজে এরূপ ঘটনা অতীতে ঘটেছে বহুবার। প্রতিবাদও হয়েছে, কিন্তু প্রতিকার পাওয়া যায়নি। তখন অপরাধীদের বিচারের চেয়ে হাসপাতালে রোগী চিকিৎসায় নিরাপত্তার বিষয়টি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছেও তুলে ধরা হয়েছে বারবার, কোনো ফল হয়নি।
অপর দিকে অন্যান্য মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চিকিৎসক ও তাদের জাতীয় সংগঠন থেকে রাজশাহীর ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কর্মস্থলের নিরাপত্তাহীনতায় প্রতিবাদের ঝড় ওঠেনি। কেমন যেন গা-সওয়া হয়ে গেছে। বিচারহীনতা, ভীতির সংস্কৃতি ও সংবেদনশীলহীনতা চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের অপ্রতিবাদী করে তুলেছে। বিবেকবান মানুষেরা রাষ্ট্র ও সরকারকে তর্জনী উঁচিয়ে বলছে না- হাসপাতাল একটি স্পর্শকাতর জায়গা, এখানে এ ধরনের হামলা, ভাঙচুর কেবল অনুচিত নয় , জঘন্য অপরাধও বটে। এর বিরুদ্ধে তেমন জনমত গড়ে ওঠেনি। রাজনীতিও চুপ।
আমাদের আকাশ্চুম্বী উন্নয়নের বিপরীতে মানবিক মূল্যবোধ একেবারেই তলানীতে। হাসপাতালের অভ্যন্তরে আতঙ্ক ছড়ানো এবং দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ ও নাগরিকরা নীরব থাকা- ঘটনার চেয়ে আরও নিষ্ঠুরতম আচরণের বহিঃপ্রকাশ।
আমরা আসলে যাচ্ছি কোথায়? বাংলাদেশ ও তার রাজনীতি- চিকিৎসক ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানকে কোথায় নিয়ে যেতে চায়? কর্তৃপক্ষের জবাবহীনতার বিরুদ্ধে চিৎকারে সকল চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী জেগে উঠুক। নিরন্তর এ প্রতিবাদ ...
-
১৬ মে, ২০২৬
হার্ট অ্যাটাকের রোগীর মৃত্যুর জের
শরীয়তপুরে রোগীর স্বজনদের সংঘবদ্ধ হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে চিকিৎসক
-
২১ এপ্রিল, ২০২৬
দোষীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি দাবি
ক্যান্সার হাসপাতালের উপ পরিচালককে কুপিয়ে জখম: ড্যাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ
-
১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬