বন্ধের ঝুঁকিতে ২১২ নগর মাতৃসদন ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র, অনিশ্চয়তায় ৩৪৭২ কর্মীর ভবিষ্যৎ
মেডিভয়েস রিপোর্ট: সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা এলাকায় নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় সবচেয়ে বড় সংকটে পড়বেন নগরের দরিদ্র মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে স্বল্পমূল্য ও বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, মাতৃস্বাস্থ্য, শিশু টিকাদান, পরিবার পরিকল্পনাসহ নানা জরুরি সেবার ওপর নির্ভরশীল লাখো মানুষ চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন। একই সঙ্গে এসব কেন্দ্রে কর্মরত ৩ হাজার ৪৭২ জন দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীর চাকরি অনিশ্চয়তায় পড়ায় তাদের পরিবারও অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে নগর স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম কোনোভাবেই বন্ধ না করে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) কনফারেন্স হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন এই কথা বলেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নগরবাসীর জীবন-জীবিকা এবং সুস্থভাবে বেঁচে থাকার অবলম্বন হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা। রাষ্ট্রের জনগণের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব কিন্তু দেশ স্বাধীনের ৫৫ বছর পার হয়েছে বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫ (ক) অনুযায়ী জনগণের চিকিৎসা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব, এখনও পর্যন্ত মূল স্রোতধারার অধীনে নগর স্বাস্থ্য সেবা কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে নগরবাসীরা স্বাস্থ্য সেবা অধিকার থেকে বঞ্চিত বিশেষ করে দরিদ্র জনগোষ্ঠী। ১৯৯০ সাল থেকে নগর স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দাবিতে কাপসহ বিভিন্ন এক্টিভিস্ট, সিবিও প্রতিনিধি সরকার প্রধান ও নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে এ্যাডভোকেসি করে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, নগর স্বাস্থ্য সেবার জটিলতা এবং ব্যাপকতার কারণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষে নগর প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা কঠিন। পরবর্তীতে বিষয়টি স্থানীয় সরকারের মন্ত্রণালয় উপলব্ধি করে এবং এডিবি'র সহায়তায় পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) এপ্রোচে এনজিওদের সাথে অংশীদারিত্ব চুক্তিতে পর্যায়ক্রমে প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা এবং ইউএনএফপিএ'র সহযোগিতায় এই প্রকল্পের সাথে মাতৃত্ব স্বাস্থ্য সেবা সংযুক্ত করা হয়।
এই সমন্বিত সেবা প্রকল্প এলাকাগুলোতে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছাঁতে সক্ষম হয়, যাতে নগর দরিদ্র জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি উপকৃত হচ্ছে জানান বক্তারা।
বর্তমানে দেশে ১২টি সিটি কর্পোরেশন এবং ৩৩১টি পৌরসভা থাকলেও প্রকল্পের মাধ্যমে মাত্র ১২টি সিটি কর্পোরেশন এবং ২১টি পৌরসভায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় উল্লিখিত সিটি কর্পোরেশন ও পৌরভায় ৪৫টি পার্টনারশিপ এলাকায় ৪৫টি নগর মাতৃসদন (সিএইচআরসিসি) ও ১৬৭টি নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র (পিএইচসিসি) স্থাপনের মাধ্যমে ১৫টি অংশীদারিত্ব এনজিওর সহযোগিতায় ৩ হাজার ৪৭২ জন দক্ষ জনবল দ্বারা ১৭ মিলিয়নের বেশি নাগরিককে নিয়মিত দক্ষতার সাথে মানসম্মত সেবা দিয়ে যাচ্ছে। ২১২টির মধ্যে ৯৭টি ভাড়াকৃত সেবা কেন্দ্র তার মধ্যে ১৯টি নগর মাতৃসদন এবং ৭৮ নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র। নগর মাতৃসদন ও নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মাধ্যমে ১৬টির বেশি স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করা হয় এবং সেবা মূল্য নগর দরিদ্রদের নাগালের মধ্যে প্রদান করা হত, যা বর্তমানে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় নগর অতি দরিদ্র জনগণের জন্য রেড কার্ডের মাধ্যমে ৩০% সেবা গ্রহীতাকে বিনামূল্যে সেবা প্রদান করা হয়, যা বর্তমানে বন্ধ রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে এসব স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ১৬টি সেবার মধ্যে এক বছরে গুরুত্বপূর্ণ সেবা গ্রহীতাদের সংখ্যা তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, প্রায় ৫ লাখ প্রসব পূর্ববর্তী ও এক লক্ষ ২৫ হাজার প্রসব পরবর্তী সেবা গ্রহণ, নরমাল ডেলিভারি ও সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে ৩০ হাজার শিশুর জন্মগ্রহণ, প্রায় ৪ লাখ আধুনিক পরিবার পরিকল্পনা সেবা গ্রহণ, শিশুদের বিভিন্ন রোগের প্রতিষেধক হিসাবে প্রায় ১২ লক্ষ টিকা গ্রহণ, প্রায় দুই লাখ কিশোর-কিশোরীকে অ্যাডোলেসেন্ট রিপ্রোডাক্টিভ হেলথ কেয়ার প্রদান, প্রায় ১২ লাখ শিশুকে শিশু স্বাস্থ্য সেবা প্রদান, প্রায় এক লাখ মা ও শিশুকে পুষ্টি সেবা নিশ্চিতকরণ, লাল কার্ডের মাধ্যমে এক কোটি দরিদ্র জণগোষ্ঠীর বিনামূল্যে সেবা প্রদান এবং জাতীয় গুরুত্ব বিবেচনায় প্রায় ৭০ লক্ষ কোভিড ১৯ টিকা সম্পাদন।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলেন, এর প্রোগ্রামে যাওয়ার কথা থাকলেও ২০২৪ সালের জুন মাস পর্যন্ত এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সহায়তায় এই সেবা কার্যক্রম প্রকল্প এপ্রোচে চলমান ছিল। এরপর এই সেবা অব্যাহত রাখার দাবিতে কাপ, কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইড, বস্তিবাসীর ফেডারেশনসমূহ, স্বাস্থ্য এক্টিভিস্ট, বিশেষজ্ঞসহ ব্যাপকভাবে এডিবিসহ সরকারের সংশ্লিষ্ঠ নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে এ্যাডভোকেসি করা হয়। এমনকি কাপ'র পক্ষ থেকে সরকারের কাছে স্থায়িত্বশীল মডেল সুপারিশ করে একটি পলিসি ব্রিফও প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার সেবা কার্যক্রমটি অব্যাহত রাখার ব্যাপারে অঙ্গীকার ব্যক্ত করে এবং ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে প্রকল্পের অব্যবহৃত অর্থব্যয়ের মাধ্যমে কার্যক্রম অব্যাহত থাকে এবং স্থানীয় সরকারের অধীনে নগর স্বাস্থ্য সেবা অব্যাহত ও স্থায়িত্বকরণের জন্য একটি নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি গত বছরের ২৪ মে অনুষ্ঠিত মিটিংয়ে নগর স্বাস্থ্য সেবা অব্যাহত ও স্থায়িত্বকরণের জন্য ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে কন্ট্রিবিউটরি স্থায়িত্বশীল মডেল বাস্তবায়নের মাধ্যমে (স্থানীয় সরকার বিভাগ ২৫%, সিটি কর্পোরেশন ২৫%, এনজিও ৫০% আয়) নগর স্বাস্থ্য সেবা অব্যাহত রাখা হয় এবং চলতি বছরের জুনের পর থেকে এডিবি ও সরকারের সহায়তায় উদ্ভাবনী এবং স্থায়িত্বশীল মডেল অনুযায়ী নগর স্বাস্থ্য সেবা চালু হবে বলে স্থানীয় সরকারের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত ও উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গত ২২ এপ্রিল সরকারের ক্যাবিনেট ডিভিশনের মিটিয়ে নগর প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে স্থানান্তরিত হবে বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। স্থানীয় সরকারের অধীনে সিটি কর্পোরেশন ও মিউনিসিপালিটির সাথে অংশীদার এনজিওদের প্রকল্পের মেয়াদ ছিল গত ৩০ জুন। সরকারের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে সিটি কর্পোরেশন এবং মিউনিসিপালিটির অর্থাৎ স্থানীয় সরকারের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান বন্ধ করা হয়েছে।
গত ১ জুলাইয়ের পর পার্টনার এনজিওরা মানবিক কারণে এই সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে এবং এত ব্যাপক সংখ্যক মানুষ সেবা পাচ্ছে। কিন্তু পিএ পার্টনার এনজিওরা চলতি মাসের পর এই স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না। কারণ স্থানীয় সরকার বা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সেবা পরিচালনাকারী এনজিওদেরকে কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠিপত্র, নির্দেশনা অথবা চুক্তিপত্র সম্পাদন করা হয়নি। সুতরাং তাদের পক্ষে এই সেবা কার্যক্রমে বাড়ি ভাড়া, কর্মীবেতন, ওষুধপত্র ক্রয়সহ বৃহৎ ব্যয় বহন করা সম্ভব নয়।
নগর স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমকে স্থায়ীত্ব ও মূল ধারায় আনার উদ্যোগের জন্য সরকার ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে সাধুবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, কিন্তু তার আগে পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা, দক্ষ জনবল এবং আর্থিক বিষয় নিশ্চিতকরণ ছাড়াই হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত নগর স্বাস্থ্য দুর্যোগসহ রাষ্ট্রের স্বাস্থ্যের জাতীয় দুর্যোগ তৈরি হবে। কারণ প্রায় ৪০ শতাংশ জনগণ নগরে বসবাস করছে, যা পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং তারা স্বাস্থ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে। বিশেষ করে নগর শিশু ও দরিদ্ররা অধিক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
তারা জানান, হাজার হাজার শিশু রোগ প্রতিরোধক টিকা ও সেবা পাবে না, যার ফলে হামের চেয়েও অধিক দুর্যোগ দেখা দিতে পারে, গর্ভবতী মা ও কিশোরীর রোগ প্রতিরোধক টিকা ও সেবা অনিশ্চতায় পড়বে। এ ছাড়া সক্ষম দম্পতিরা জন্ম নিয়ন্ত্রন সেবা পাবে না ফলে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাবে, দরিদ্র গর্ভবতী নারীরা ডেলিভারি সেবা না পাওয়ায় হোম ডেলিভারিসহ মা ও শিশু মৃত্যুহার বাড়বে, নগর দরিদ্ররা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং স্যাটালাইট ক্লিনিকের মাধ্যমে দোরগোড়ায় সেবা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হবে, অতি দরিদ্র রেড কার্ড অর্ন্তভুক্ত পরিবারগুলো বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হবে। পাশাপাশি দরিদ্র নারীরা জরায়ু মুখের ক্যান্স্যার স্ক্রিনিং পরীক্ষা করা থেকে বঞ্চিত হবে, যার কারণে মৃত্যু ঝুঁকি বাড়বে এবং ৩ হাজার ৪৭২ জন দক্ষ কর্মী চাকরি হারাবে, যাদের মধ্যে বেশির ভাগই নারী। পরিবারের উপার্জন এসব নারী বেকারত্বে পড়বে এবং পরিবারে আর্থিক দুর্যোগ সৃষ্টি হবে।
বক্তারা বলেন, স্বাস্থ্য সেবার সাথে অর্থনৈতিক, সামাজিক, স্বাস্থ্যগত, জীবন-জীবিকা জড়িত। যদি এই স্বাস্থ্য সেবা বন্ধ হয় তাহলে নগর দরিদ্র জণগোষ্ঠি রোগ-বালাইসহ অসুস্থতায় ভুগবে তাতে তাদের আর্থিক ব্যয় বাড়বে, কর্মক্ষমতা কমবে, শিশুদের লেখাপড়া বন্ধ হবে, সামাজিক ও দৈনন্দিন জীবন বাধাগ্রস্থ হওয়ার ফলে লক্ষ লক্ষ মানুষের স্বাস্থ্য বিপর্যয় এর পাশাপাশি সামাজিক দুর্যোগের সৃষ্টি হবে।
এ অবস্থায় সংবাদ সম্মেলনে সাত দফা প্রস্তাবনা ও দাবি তুলে ধরেন তারা। এগুলো হলো—
১. নগর স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম কোন ভাবেই বন্ধ করা যাবে না, অব্যাহত রাখার জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ ও জরুরি ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে। সেক্ষেত্রে বর্তমান কর্মরত এনজিওদের সাথে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বা মন্ত্রণালয় থেকে নির্ধারিত সময়ের জন্য অংশীদারিত্ব চুক্তি সম্পাদন করে এই সেবা অব্যাহত রাখা।
২. পূর্বের ন্যায় নগর অতি দরিদ্র পরিবারের জন্য ফ্রি লাল কার্ড বরাদ্দ ও বিনামূল্যে সেবা প্রদান এবং নগর দরিদ্র বস্তিবাসীদের জন্য স্বল্প মূল্যে সেবা প্রদান ও ওষধ সরবরাহ নিশ্চিত করা।
৩. স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ, পর্যালোচনা ও সুনির্দ্দিষ্ট পরিকল্পনা করে নগর স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা ও স্থায়ীত্বশীল এবং অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিত করে পর্যায়ক্রমে স্থানান্তর করা।
৪. সমন্বিত, গুণগত মান বজায় রেখে স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের জন্য প্রকল্পে কর্মরত অভিজ্ঞ, দক্ষ ও প্রকল্পের অর্থে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত দক্ষ জনবল ধরে রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ।
৫. মহানগর ও পৌরসভা এলাকার ১০০ ভাগ জণগোষ্টীর দোরগোড়ায় কেন্দ্রভিত্তিক স্বল্পব্যয়ী সেবা প্রদান অব্যাহত রাখা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা অর্জনে সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নগরবাসীর স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিত করা।
৬. মহানগরের ওয়ার্ড পর্যায়ে ও পৌরসভায় এখনো পর্যন্ত যেখানে নগর স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম নেই, সেগুলোতে মা ও শিশু সেবাসহ প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা সেক্ষেত্রে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নতুন মডেল অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু করা ও সকল নগরবাসীর স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিত করা।
৭. সকল নগরবাসীকে ‘হেলথ স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড’ বিশেষ করে নগর দরিদ্রদের জন্য নিশ্চিত করা।
কোয়ালিশন ফর দ্য আরবান পূওর’র (কাপ) সহযোগিতায় এর আয়োজন করে বিওএসসি নগর দরিদ্র বস্তিবাসীদের কেন্দ্রীয় ফেডারেশন ও সেফ হেল্প গ্রুপ নেটওয়াক পথবাসী ও ঝুঁপড়িবাসীদের ফেডারেশন।
এমইউ/