অক্সিজেনের অভাবে ভারতে ২৫ করোনা রোগীর মৃত্যু
মেডিভয়েস ডেস্ক: ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির একটি হাসপাতালে অক্সিজেনের ঘাটতির কারণে ২৫ করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) দিবাগত রাতে জয়পুর গোল্ডেন হাসপাতালে এই ঘটনা ঘটেছে। খবর এনডিটিভির।
হাসপাতালটির মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. ডি কে বালুজা বরাত দিয়ে আজ শনিবার (২৪ এপ্রিল) ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অক্সিজেনের সরবরাহ কম থাকায় এসব মৃত্যু হয়েছে।
ডা. বালুজা বলেন, ওই হাসপাতালের জন্য ৩ দশমিক ৫ মেট্রিক টন অক্সিজেন বরাদ্দ দেয় সরকার। বিকেল পাঁচটা নাগাদ তা পৌঁছানোর কথা থাকলেও এই অক্সিজেন আসে মধ্যরাতে। সে সময় পর্যন্ত ২৫ রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অন্তত ২১৫ জন কোভিড রোগীর অবস্থা গুরুতর এবং তাঁদের অক্সিজেনের খুব প্রয়োজন।
এই পরিস্থিতিতে দিল্লি হাইকোর্টে শরণাপন্ন হয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। আবেদনে বলা হয়েছে, ‘আমাদের হাসপাতালে আগামী কয়েক মিনিটের মধ্যে বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয় ঘটতে চলেছে। আমরা এরই মধ্যে ২৫ জনকে হারিয়েছি। অক্সিজেনের জন্য আমাদের দম বন্ধ হয়ে আসছে। আমাদের চিকিৎসকেরা আপনাদের সামনে আছেন। দয়া করে জীবন বাঁচান।’
এর আগে দিল্লির মুলচাঁদ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও জরুরি ভিত্তিতে অক্সিজেন সরবরাহের আবেদন জানায়। এক টুইটে তারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও লে. গভর্নর অনিল বাইজালের সহায়তা চায়। সেখানে ১৩০ জনের বেশি কোভিড রোগী লাইফ সাপোর্টে রয়েছে।
বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত ভারত। প্রায় প্রতিদিনই ভাঙছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর রেকর্ড।
গতকাল শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) পর্যন্ত দেশটির করোনা সংক্রান্ত প্রতিবেদনে ২৪ ঘণ্টায় ভাইরাসটি তিন লাখ ৪৬ হাজার ৭৮৬ জনের আক্রান্তের খবর জানানো হয়। এ সময়ে ভাইরাসটিতে মারা গেছেন দুই হাজার ৬২৪ জন। এ পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতালগুলো। তিন দিন ধরে বেশ কয়েকটি হাসপাতালের পক্ষ থেকে অক্সিজেন সরবরাহের পাশাপাশি শয্যা ও ওষুধের সংকটে পড়ার কথা জানানো হয়েছে। অনেকগুলো হাসপাতাল এ বিষয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে।
আদালত হাসপাতালে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। ‘ভিক্ষা, ধার বা চুরি করে হলেও’ কেন্দ্রীয় সরকারকে এই নির্দেশনা কঠোরভাবে পালন করতে বলেছেন বিচারকেরা।
-
২৪ এপ্রিল, ২০২১
-
২১ এপ্রিল, ২০২১
-
১৭ এপ্রিল, ২০২১
এফসিপিএসে নতুন নীতিমালা
‘মেধাক্রমের ভিত্তিতে ভাতা সীমাবদ্ধ হলে প্রশিক্ষণার্থীরা আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়বেন’
সাত কর্মদিবসের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাসে কর্মবিরতি প্রত্যাহার
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা নবম গ্রেডের বেসিক