কিটের অনুমোদন পেতে নতুন গাইড লাইনের আলোকে গণস্বাস্থ্যের প্রস্তুতি
মেডিভয়েস রিপোর্ট: ওধুষ প্রশাসন অধিদপ্তরের গৃহিত নতুন গাইডলাইনের আলোকে নিজেদের উদ্ভাবিত অ্যান্টিবডি কিটের নিবন্ধনের জন্য কাগজপত্র পুনর্বিন্যাস করে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত কিটের প্রধান বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল। আজ শনিবার (২৭ জুন) সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
ড. বিজন কুমার শীল বলেন, ওষুধ প্রশাসন নতুন একটা গাইডলাইন দেখিয়েছে। তারা বলেছে, সেটার আওতায় আসতে হবে। নতুন গাইডলাইনে বলা হয়েছে, ৩০টা পজিটিভ স্যাম্পল হতে হবে, ৮০টা নেগেটিভ স্যাম্পল হতে হবে এবং সেনসেটিভিটি স্পেসিফিক্যালি ৯০-এর বেশি হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘সেক্ষেত্রে আমরা যে কাজ করেছি, সেটা আমাদের জন্য যথেষ্ট ছিল। এই গাইডলাইন আমাদেরকে আগে জানানো হয়নি, বিএসএমএমইউ টিমও এ ব্যাপারে অবগত নয়। এখন এর আলোকে পুনঃপ্রস্তুতির কাজ চলছে।’
গত ৩০ এপ্রিল গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে বিএসএমএমইউতে কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষার অনুমতি দেয় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। তারা কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য বিএসএমএমইউকে চিঠি দেয়। গত ২ মে বিএসএমএমইউর কর্তৃপক্ষ কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষা করতে ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করে। পরে বিএসএমএমইউতে কিট জমা দেয় গণস্বাস্থ্য।
প্রায় এক মাস গণস্বাস্থ্যের অ্যান্টিবডি কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষা শেষে গত ১৬ জুন ওষুধ প্রশাসনের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয় বিএসএমএমইউ। এতে বলা হয়, গণস্বাস্থ্যের কিট করোনা শনাক্তে কার্যকর নয়। তবে অ্যান্টিবডি পরীক্ষায় শতকরা ৭০ ভাগ কার্যকর। এর ৯ দিন পর ২৫ জুন ওষুধ প্রশাসন জানায়, গণস্বাস্থ্যের অ্যান্টিবডি কিটের নিবন্ধন দেয়া সম্ভব নয়।
-
০৮ জুলাই, ২০২৫
-
২৪ জুন, ২০২৫
-
২৩ জুন, ২০২৫
-
১৯ জুন, ২০২৫
-
১৮ জুন, ২০২৫
-
১৪ জুন, ২০২৪
-
০৭ জুন, ২০২৪
-
০৩ জুন, ২০২৪