দেশে জরায়ুমুখ ক্যান্সারে বছরে ৪৯৭১ জনের মৃত্যু, স্তন ক্যান্সারে ৬৭৮৩
মেডিভয়েস রিপোর্ট: বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে নারীদের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যান্সার। এই দুই ক্যান্সারে দেশে প্রতি বছর ১১ হাজার ৭৫৪ জনের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে জরায়ুমুখ ক্যান্সারে চার হাজার ৯৭১ জন এবং ছয় হাজার ৭৮৩ জন স্তন ক্যান্সারে মৃত্যুবরণ করেন। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত স্ক্রিনিং এবং টিকাদান কর্মসূচি জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন গাইনি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার।
আজ সোমবার (২০ জানুয়ারি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ‘জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ সপ্তাহ-২০২৫’ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) ও অবস অ্যান্ড গাইনি বিভাগের অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার বলেন, স্তন ক্যান্সার ও জরায়ুমুখ ক্যান্সার পরীক্ষা ও ভ্যাকসিন নেওয়ার মাধ্যমে প্রতিরোধ করা সম্ভব। স্তন ক্যান্সার পরীক্ষার জন্য সিবিই ও জরায়ুমুখ ক্যান্সার পরীক্ষার জন্য ভায়া টেস্ট করা অত্যন্ত জরুরি। সঙ্গে সঙ্গে জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে নারীদের ভ্যাকসিন নেওয়া উচিত। এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বে নারীদের যত ধরনের ক্যান্সার হয় তার মধ্যে জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যান্সার অন্যতম। জরায়ুমুখ ক্যান্সার বিশ্বজুড়ে নারীদের ক্যান্সারের মধ্যে চতুর্থতম এবং ক্যান্সারজনিত মৃত্যুর চতুর্থ শীর্ষ কারণ। এ ছাড়া স্তন ক্যান্সার বিশ্বব্যাপী এবং বাংলাদেশে উভয় ক্ষেত্রেই শীর্ষস্থানীয় ক্যান্সার। বাংলাদেশে নারীদের ক্যান্সারে মৃত্যুর প্রধানতম দুটি কারণ হলো জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যান্সার। এ দুটি ক্যান্সার গুরুত্বপূর্ণ অসংক্রামক রোগ হিসেবে বিবেচিত। দেশে সরকারি ও বেসরকারি উভয় ক্ষেত্রেই এসব রোগের চিকিৎসা-সুবিধা সীমিত ও ব্যয়বহুল। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যান্সার শনাক্ত করা গেলে মৃত্যুর সংখ্যা কমিয়ে আনা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে গাইনি বিশেষজ্ঞরা বলেন, দেশে বর্তমানে ত্রিশোর্ধ্ব বয়সী নারী রয়েছেন প্রায় তিন কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার। এ হিসাবে বাংলাদেশে অন্তত ছয় লাখ ৫৫ হাজার থেকে নয় লাখ ৮২ হাজারের মতো নারী ক্যান্সারপূর্ব অথবা ক্যান্সার অবস্থায় আছেন। জরায়ুমুখ ক্যান্সার কমানোর জন্য ক্যান্সার পূর্বাবস্থা বা ক্যান্সার আক্রান্ত নারীদের খুঁজে বের করে তাদের চিকিৎসা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এ সময় অন্যদের মধ্যে এস্টাবলিশমেন্ট অব ন্যাশনাল সেন্টার ফর সার্ভিক্যাল অ্যান্ড ব্রেস্ট ক্যান্সার স্ক্রিনিং অ্যান্ড ট্রেনিং অ্যাট বিএসএমএমইউ প্রকল্পের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আশরাফুন্নেসা, গাইনোকোলজিক্যাল অনকোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. শিরিন আক্তার বেগম, বিভাগের অধ্যাপক ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস, অধ্যাপক ডা. ফওজিয়া হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।
এসআই/এনএআর/
-
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
তিন দিনব্যাপী দ্বাদশ জাতীয় বিজ্ঞান সম্মেলন অনুষ্ঠিত
বিএসপিএমআর’র লাইফ টাইম এচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত অধ্যাপক কামরুল
-
০২ জুন, ২০২৫
গণঅভ্যুত্থানে হামলা-ভাঙচুর-হত্যাচেষ্টা
চাকরি হারাচ্ছেন বিএমইউর চিকিৎসকসহ ৩৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী
-
১৬ মার্চ, ২০২৫
-
১১ মার্চ, ২০২৫