১০ জানুয়ারী, ২০২৫ ০৯:১০ পিএম

‘রোগী সংখ্যা নির্দিষ্ট হলে চিকিৎসক পর্যাপ্ত সময় পাবেন’

‘রোগী সংখ্যা নির্দিষ্ট হলে চিকিৎসক পর্যাপ্ত সময় পাবেন’
অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সফিউদ্দিন। ছবি: আবু সাইদ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) কার্ডিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সফিউদ্দিন। তাঁর জীবনের বর্ণিল সময় কাটিয়েছেন হৃদরোগের রোগী দেখে, রয়েছে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। সেই সঙ্গে পোস্ট গ্রাজুয়েট শিক্ষার্থীদেরও পড়িয়েছেন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সফিউদ্দিন। তাঁর হাত ধরে অসংখ্য চিকিৎসক হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন। জীবনের বাঁকে বাঁকে সফলতা অর্জন করেছেন তিনি।

১৯৯৮ সালে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল (এনআইসিভিডি) থেকে এমডি ডিগ্রি এবং ২০০৪ সালে আমেরিকান কলেজ অব কার্ডিওলজি থেকে এফএসিসি ডিগ্রিসহ নানা ডিগ্রি অর্জন করেন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সফিউদ্দিন। তিনি দায়িত্ব পালন করছেন দেশের কার্ডিওলজি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সংগঠন বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটির আহ্বায়ক হিসেবে।

সম্প্রতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সফিউদ্দিন বিএসএমএমইউর কার্ডিওলজি বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। গত ৯ জানুয়ারি বিএসএমএমইউতে দেশের হৃদরোগের চিকিৎসা ব্যবস্থাসহ নানা বিষয়ে মেডিভয়েসের সঙ্গে আলাপ হয় প্রতিথযশা এ চিকিৎসকের। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন: সাখাওয়াত হোসাইন

মেডিভয়েস: দায়িত্ব নেওয়ার পর কার্ডিওলজি বিভাগ নিয়ে কী কী পরিকল্পনা করেছেন।

অধ্যাপক ডা. সফিউদ্দিন: বিএসএমএমইউ একটি মাল্টিডিসিপ্লিনারি হাসপাতাল। মেডিসিন, গাইনি, সার্জারি, চক্ষুসব বিভাগই এখানে আছে। তার মধ্যে ডিমান্ডিং বিভাগগুলোর মধ্যে অন্যতম কার্ডিওলজি বিভাগ। যে বিভাগের রোগীদের ইর্মাজেন্সি যেমন থাকে, কিছু ক্রনিক রোগী থাকে, চাপও বেশি থাকে। আমি এখানে অধ্যাপক হিসেবে কাজ করেছি, তাই এখানের অনেক সমস্যা সম্পর্কে জানি। আগের চেয়ারম্যান যারা ছিলেন, তারা চেষ্টা করেছেন। সামনে আমি চেষ্টা করবো, তাদের সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং নতুন কিছু পরিকল্পনাগ্রহণ করতে। তার মধ্যে প্রথমে আমি যে চিন্তাটা করেছি, সেটা হলো এই বিভাগে দুটি ডিভিশন আছে, একটা ক্লিনিক্যাল ডিভিশন আরেকটা ইন্টারভেশনাল ডিভিশন। এই ডিভিশন দুটি কী কারণে করা হয়েছে, জানি না। এতে করে কাজে কিছু বিশৃঙ্খলা ও বৈষম্য দেখা দিয়েছে। ভিসি স্যারের সাথে আলাপ করেছি, আমরা দ্রুতই এই ডিভিশন বিলুপ্ত করে একটা বিভাগে আগের মতো নিয়ে আসবো।

মেডিভয়েস: কার্ডিওলজি বিভাগের কোনো ঘাটতি বা অপূর্ণতা দেখতে পেয়েছেন কিনা?

অধ্যাপক ডা. সফিউদ্দিন: আমাদের এখানে স্থান সংকুলান হয় না। বেড সংখ্যা খুবই কম। যেখানে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে প্রচুর বেড রয়েছে, বিশাল হাসপাতাল। এটি দেশের বড় মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। পোস্ট গ্রাজুয়েশনের জন্য দেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অথচ সেই অনুযায়ী এখানে বেডের সংকুলান নাই। রোগীও নাই। রোগী না থাকলে চিকিৎসার ব্যাঘাত ঘটে, তা না, বরং শিক্ষাব্যবস্থারও ব্যাঘাত ঘটে। পর্যাপ্ত রোগী না থাকলে শিক্ষার্থীরা শিখবে কোথায় থেকে? কাজেই এখানে বেড বাড়াতে হবে এবং জায়গা বাড়াতে হবে। উন্নত চিকিৎসার জন্য যে যন্ত্রপাতি দরকার, সেগুলোও আনতে হবে। যাতে করে বিএসএমএমইউর কার্ডিওলজি বিভাগ একটি সমৃদ্ধ বিভাগ হয়। এতে রোগীরা ঠিক মতো সার্ভিস পাবে এবং শিক্ষার্থীরাও উপকৃত হবে।

মেডিভয়েস: বিভাগের উন্নয়নে কোনো বিষয়ের উপর গুরুত্ব দিতে চান?

অধ্যাপক ডা. সফিউদ্দিন: শিক্ষা, গবেষণা এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার দিকে গুরুত্ব দিতে। এটা বিশ্ববিদ্যালয়, এখানে আমি সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিবো শিক্ষাব্যবস্থার উপর। শিক্ষাব্যবস্থা যে কারিকুলামে এগিয়ে চলছে সেটি যুগোপযোগী কিন্তু আরও প্রয়োজনী সংস্কার করার জন্য ইতিমধ্যে আমরা আলাপ করেছি। আমাদের এখানে রেসিডেন্সি প্রোগ্রামে মূল যে উদ্দেশ্য ছিল, শিক্ষার্থীরা এখানে সার্বক্ষণিক থাকবে এবং তাদের আবাসনের ব্যবস্থা থাকবে। ২৪ ঘণ্টা তারা কোনো না কোনো দায়িত্বের সাথে জড়িত থাকবে। যেটা এখনও সম্ভব হয়নি, কারণ আমাদেরও ব্যর্থতা আছে। আমরা সবাইকে সেভাবে আবাসন ব্যবস্থা করে দিতে পারি নাই। আবাসনের ব্যবস্থা করতে পারলে শিক্ষার্থীদের সার্ভিসের মান আরও বাড়তো। শিক্ষাটা আরও ভালো মানের হতো।

মেডিভয়েস: ইর্মাজেন্সি সার্ভিস আরও বড় পরিসরে করার পরিকল্পনা আছে কিনা?

অধ্যাপক ডা. সফিউদ্দিন: ইর্মাজেন্সি বিভাগ আমাদের এখানে অনেক আগে থেকেই আছে। এটা খুব স্বল্প পরিসরে। প্রশাসনের সহযোগিতায় আরও কিছু জায়গা বের করে ইর্মাজেন্সি সার্ভিস বড় করার জন্য কাজ করছি। আগামী সপ্তাহে মনে হয় উদ্বোধন করতে পারবো। সেখানেও কিছু আধুনিকতা আসবে।

মেডিভয়েস: উচ্চতর মেডিকেল শিক্ষার মানোন্নয়নে কোনো চিন্তা ভাবনা করছেন কিনা?

অধ্যাপক ডা. সফিউদ্দিন: শিক্ষার্থীদের গবেষণা করার সময় খুব কম। তারা গবেষণা কার্যক্রমে যুক্ত হতে পারে থিসিসে। ছোট আকারে হলেও তাঁরা গবেষণা করে। যার যার কর্মক্ষেত্রে গিয়ে বড় পরিসরে গবেষণা করতে পারে। আর এখানের ফ্যাকাল্টিদের বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান আছে, সেগুলোকে আরও গতিশীল করতে হবে। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল কাজই হলো শিক্ষা আর গবেষণা। গবেষণায় আরও বেশি মনোনিবেশ করতে হবে আমাদেরকে। আমরা যারা বাহিরে প্রাক্টিস করি, যদি নন-প্রাক্টিস করা যেত তাহলে আরও ভালো হতো। এতে শিক্ষাক্রম ও গবেষণায় গতিশীলতা আসতো। বিভিন্ন সময়ে এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়ার পরও এখনও সেটা বাস্তবায়ন করা যায়নি। সামনে হয়তো চেষ্টা চলবে। আমি শুনেছি, ইতিমধ্যে চেষ্টা চলছে। আর যারা গবেষণায় আগ্রহী তারা গবেষণায় মনোযোগ দিবেন আর যারা ক্লিনিক্যালে যেতে আগ্রহী তারা ক্লিনিক্যালে কাজ করবে, এভাবে আলোচনা চলছে।

মেডিভয়েস: দেশের উচ্চতর মেডিকেল শিক্ষা কতটা বিশ্বমানের হচ্ছে?

অধ্যাপক ডা. সফিউদ্দিন: আমি বলবো না, বর্তমান পদ্ধতি দেশের উচ্চতর মেডিকেল শিক্ষা বিশ্বমানের হচ্ছে। তবে অনেক ভালোভাবেই দেশের উচ্চতর মেডিকেল শিক্ষা হচ্ছে। বিশ্বমানের করতে গেলে আরও অনেক ধরনের পরিবর্তন আনা লাগবে। যেমন শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব হলো শিক্ষাগ্রহণ। এরমধ্যে কয়েকটা পাট আছে, লেকচার, প্রয়োগিক শিক্ষা আর আমরা যখন রাউন্ড দেই, সেটার শিক্ষা। ক্লাসে কতটুকু শিখলো আর উপস্থিত হলো সেটা তাদের ব্যাপার। আমাদের এখানে বেডের সংখ্যা কম, আর রোগীও হলো বইয়ের মতো, রোগীও লাইব্রেরি। এখানে তো অন্য পড়াশোনার মতো না, এখানে শিক্ষার্থীরা রোগীকে দেখে এবং এক্সামিন করে। তারা রোগীর হার্টের শব্দ শোনে, এটাও তাদের শিক্ষার অংশ। সে হিসেবে এখানে অনেক রোগী থাকে আর আবাসনের ব্যবস্থা করে শিক্ষার্থীদের সার্বক্ষণিক উপস্থিতি নিশ্চিত করা যায় আর শিক্ষকদেরকে নন-প্রাক্টিশনার করা যায়। আর বাকি যেগুলো ইন প্রাকটাকচার আর যন্ত্রপাতি লাগবে, সেগুলো দিলে তখন বিশ্বমানে যাওয়া সম্ভব।

আর থিউরিটিক্যাল যদি বলি, আমাদের এখান থেকে শিক্ষাগ্রহণ করে যারা উন্নত বিশ্বে কাজ করছেন, ইউরোপ-আমেরিকাতে কাজ করছেন, তাঁরা বেশ সুনামের সাথে কাজ করছেন। আমাদের এখানে প্রয়োগিক চর্চা করতে পারছেন না। এখানে অনেক কিছু ঘাটতি রয়েছে। এখানে সে ধরনের সুযোগ-সুবিধা, যন্ত্রপাতির অভাব রয়েছে। চিকিৎসকদের আর্থিক যে স্বচ্ছতা দরকার সেটা নাই। একজন চিকিৎসক যে পরিমাণ আর্থিক সুযোগ-সুবিধা পাওয়া দরকার তাঁরা সেভাবে তা পাচ্ছেন না পরিশ্রম অনুযায়ী।

মেডিভয়েস: রোগীরা কেন বিদেশমুখী হচ্ছেন?

অধ্যাপক ডা. সফিউদ্দিন: এটি একটি আলোচিত এবং পুরনো প্রশ্ন। বিভিন্ন সময়ে আমি এই প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছি এবং অনেকেই হয়েছেন। রোগীরা কেন বিদেশ যায়? এর অনেক কারণ রয়েছে। আমরা কখনই মনে করি না, এখানে চিকিৎসা ব্যবস্থার ঘাটতি রয়েছে। চিকিৎসা সুবিধা অপ্রতুল। এখানে কিছু বিষয় অবশ্যই আছে। এক সময় কিছু ছিল কার্ডিওলজি, ক্যান্সারের জটিল রোগের চিকিৎসা ভালো ছিল না। আমার যে বিষয় হৃদরোগ, এই বিষয়ে অনেক উন্নয়ন হয়েছে। এই রোগীদেরকে বিদেশ যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। তারপরও যদি যায়? তার কয়েকটা কারণ বলবো, আমাদের ব্যর্থতাই আগে বলি। আমরা যারা চিকিৎসক রোগীদের প্রতি সেভাবে যত্নশীল হতে পারি না। সময় দিতে পারি না, রোগীদেরকে ভালোভাবে কাউন্সিলিং করতে পারি না। সেটা ভালোভাবে বুঝিয়ে বলতে পারি না। তাদের সেখানে কিছু ঘাটতি রয়েছে। আর আমাদের এখানে নার্সিংয়েও কিছু ঘাটতি রয়েছে। উন্নত বিশ্বে চিকিৎসকদের পাশাপাশি নার্সরা যে সেবা দেন, তাতে রোগীরা খুবই সন্তুষ্ট থাকেন। এসব বিষয়ে উন্নয়ন করতে পারলে রোগীদের আস্থা অর্জন করা সম্ভব।

মেডিভয়েস: দেশের চিকিৎসা ব্য়বস্থায় কোনো ঘাটতি আছে?

অধ্যাপক ডা. সফিউদ্দিন: আমাদের এখানে আস্থা সংকট রয়েছে। আর কিছু কিছু রোগী আছে, যারা ঠান্ডা হলেও বিদেশ যেতে চায়। বিদেশ না গেলে তাদের চলে না, তারা ভাবে আমি কেন দেশে চিকিৎসা করবো। তারা দেশে আসার পর আমাদের দেশের মেডিসিন পর্যন্ত খেতে চায় না। তারা বলে একই জেনেরিকের বিদেশি কী ওষুধ আছে, সেটা লিখে দেন। আমি বিদেশ থেকে আনবো। তাদের আস্থাটা আমাদের উপর যেমন কম, তেমনি দেশের ফার্মা কোম্পানির উপরও আস্থা কম। অথচ আমাদের দেশের মেডিসিন ইউরোপ আমেরিকা উন্নত বিশ্বে যাচ্ছে, মান খুবই ভালো।

মেডিভয়েস: বিদেশগামিতা কমাতে কোন কোন বিষয়ের উপর গুরুত্ব দিতে হবে?

অধ্যাপক ডা. সফিউদ্দিন: এক্ষেত্রে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হবে। যারা মেডিকেলের শিক্ষার্থীরা রয়েছেন, আন্ডার গ্রাজুয়েট বা পোস্ট গ্রাজুয়েট, তাদের কোর্স কারিকুলামে রোগীকে কিভাবে কাউন্সিলিং করতে হবে এবং রোগীর সঙ্গে আচরণ করতে হবে। কোন রোগীর সঙ্গে কীভাবে কথা বলতে হবে। কোন রোগীকে কী বলতে হবে। এসব বিষয়ে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া দরকার। নার্সিং কেয়ারের আরও উন্নয়ন করা দরকার। স্বাস্থ্যখাতে সরকারের বাজেট ভালোভাবে ভাগ করে দেওয়া দরকার, কোনটা বেশি দরকার। সেইঙ্গে মেডিকেল ইন্সুরেন্স ব্যবস্থা চালু করতে হবে, এটা একটি বড় কাজ হবে।

মেডিভয়েস: দেশে বিশ্বমানের হৃদরোগের চিকিৎসায় করণীয়?

অধ্যাপক ডা. সফিউদ্দিন: রোগীর চাপ কমাতে। একজন চিকিৎসক যদি আউটডোরে বসেন, সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ১০০ রোগী আসেন, সবাইকে দেখেন, তাহলে রোগীদেরকে সেভাবে সবাইকে সময় দিতে পারবে না। কাজেই ভাগ করে স্লট করে একজন চিকিৎসক ২০ জন রোগী দেখবেন, এটা সরকারি হাসপাতালে বা বেসরকারি হাসপাতালে, এটা হোক হৃদরোগের চিকিৎসা কিংবা অন্য কোনো রোগের চিকিৎসায়। রোগীর দেখার লিমিট থাকবে। চিকিৎসকদের রোগী সংখ্যার লিমিট থাকলে চিকিৎসক রোগী দেখার পর্যাপ্ত সময় পাবেন। এতে চিকিৎসক রোগীকে ভালোভাবে কাউন্সিলিং এবং বুঝিয়ে বলতে পারবেন। আর রোগীদেরকেও আস্থা রাখতে হবে। করোনার সময় ধনী-গবির সবাই দেশে চিকিৎসা নিয়েছেন, তখন তো কারও বিদেশ যাওয়ার উপায় ছিল না। উন্নত বিশ্বে যেমন রোগী মারা গেছে, তার চেয়ে আমি বলবো, আমাদের দেশে রোগী কম মারা গেছে। তখন তাঁরা যদি বাধ্য হয়ে আস্থাশীল হতে পারে। তারা বুঝুক, আমাদের দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা খারাপ না। রোগীদেরকে মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে, বিশেষ করে ওই শ্রেণীকে যারা কথায় কথায় বিদেশমুখী হন।

মেডিভয়েস: দেশের চিকিৎসা আস্থা তৈরি করতে কী করা প্রয়োজন?

অধ্যাপক ডা. সফিউদ্দিন: আমাদেরকে সচেতনতা বাড়াতে হবে। আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা উন্নত এবং উন্নতমানের বিশ্বে সমকক্ষ, এগুলো রোগীদেরকে বোঝাতে হবে। সাধারণ একটা এনজিও গ্রাম করতেও রোগীরা দেখি, বিদেশ চলে যায়। এটার জন্য বিদেশ যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নাই। আমরা রোগীদেরকে বোঝাতে পারলে রোগীদের আস্থা অর্জন করা সম্ভব হবে। অনেক রোগী জানেও না, দেশে উন্নত চিকিৎসা হয়। কারণ প্রচার-প্রচারণার অনেক ঘাটতি রয়েছে।

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  ঘটনা প্রবাহ : বিএসএমএমইউ
সাত কর্মদিবসের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাসে কর্মবিরতি প্রত্যাহার

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা নবম গ্রেডের বেসিক

মাসুদ কামালের প্রতি ড্যাবের হুঁশিয়ারি

ক্ষমা না চাইলে আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে প্রস্তুতি নিন

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক