কোনো পক্ষের নই, আমি সবার: বিএসএমএমইউর নতুন ভিসি
মেডিভয়েস রিপোর্ট: কোনো বিশেষ পক্ষের নয়, বরং সকলকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সদ্য নিয়োগ পাওয়া ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. দীন মোহাম্মদ নূরুল হক। তিনি বলেন, ‘আমি কোনো পক্ষ বা গ্রুপের লোক হবো না। আমি সেন্টারে থাকবো, প্লাসে-মাইনাসে যাবে না।’
বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে দায়িত্বগ্রহণ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
অধ্যাপক দীন মোহাম্মদ নূরুল হক বলেন, ‘আমার অবস্থান সবসময় সেন্টারে থাকবে, প্লাসে-মাইনাসে যাবে না। আমার ভুল হতে পারে, কিন্তু কোনো অন্যায় আমি করবো না। কোনো অন্যায় আবদার আমি শুনবো না। এখানে শ্রম দেওয়া প্রত্যেকটা মানুষকে একসাথে নিয়ে কাজ করতে চাই। আমি আপনাদের বন্ধু-ভাই হয়ে কাজ করতে চাই। প্রশাসনের ক্ষমতা কাটাতে চাই না। আপনারা আমাকে দলনেতা হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন। আমি সব সময় আপনাদের পাশে চাই। আপনারা যদি নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করবেন, এতেই আমি খুশি। অন্য কোনোভাবে আমাকে খুশি করা যাবে না। যে যেই দায়িত্ব ভালোভাবে পালন করতে পারবেন তাকেই দায়িত্ব দিতে চাই। আমি চার বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের দৃশ্যমান পরিবর্তন করতে চাই।’
কারো উদ্বেগের কোনো কারণ নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাকে যেভাবে সংবর্ধনা দিয়ে গ্রহণ করা হয়েছে তা অবিশ্বাস্য। এটা আমার জীবনের শ্রেষ্ঠতম দিন। আমাকে নিয়ে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা অনুভব করবেন না। আমাকে কোনো গ্রুপে যুক্ত করার চেষ্টা করবেন না। যারা ভালো কাজ করবে তারাই আমার লোক।’
এ সময় সকল সাবেক ভিসির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে অধ্যাপক দীন মোহাম্মদ বলেন, ‘সাবেকদের প্রতি আমি শ্রদ্ধাশীল। বর্তমান ভিসি শারফুদ্দিন সাহেব আমাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নিয়েছেন। আমিও তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছি। তিনি আমার বন্ধু মানুষ। আমরা দীর্ঘদিন একসাথে কাজ করছি। একই ক্লিনিকে প্র্যাকটিস করছি।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, ‘বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন আমার খুবই কাছের বড় ভাই। শেখ হাসিনা বার্ন হাসপাতাল করার সময় আমি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে ওই জায়গা খালি করেছি। উনার সাথে কাজ করে হাসপাতাল দাঁড় করিয়েছি। তিনি এখন স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীও আমার কাছে বোন। আমরা তিনজন মিলে দেশকে একটা অসাধারণ স্বাস্থ্যখাত উপহার দিতে চাই। আমি অন্যায় করবো না, কিন্তু আমার ভুলকে পুজি করে আমাকে অনুৎসাহিত করবে না। আমি সাংবাদিক ভাইদের থেকে এ বিষয়ে সাহায্য চাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘চিকিৎসক ও শিক্ষকদের সমস্যা আমার থেকে ভালো কেউ জানে না। এই বিশ্ববিদ্যালয় সারাদেশের মেডিকেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য শিক্ষক তৈরি করে। আমি এই প্রক্রিয়া যেন স্বচ্ছ থাকে তা নিশ্চিত করবো। গবেষণা ছাড়া মেডিকেল শিক্ষা চলতে পারে না। আমাদের প্রধানমন্ত্রী গবেষণায় উৎসাহী। আমরা তার এই সদিচ্ছাকে কাজে লাগাতে চাই। গবেষণার জন্য যা যা প্রয়োজন, আমি তা প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এনে দিতে পারবো বলে আমার বিশ্বাস।’
সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) নেতা ডা. টিটো বলেন, ‘তিন বছরের দুর্নীতির তদন্ত করার আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা চাই, ভবিষ্যতে যেন কেউ এমন অন্যায় অত্যাচার ও দুর্নীতি করার সাহস না করেন।’
-
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
তিন দিনব্যাপী দ্বাদশ জাতীয় বিজ্ঞান সম্মেলন অনুষ্ঠিত
বিএসপিএমআর’র লাইফ টাইম এচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত অধ্যাপক কামরুল
-
০২ জুন, ২০২৫
গণঅভ্যুত্থানে হামলা-ভাঙচুর-হত্যাচেষ্টা
চাকরি হারাচ্ছেন বিএমইউর চিকিৎসকসহ ৩৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী
-
১৬ মার্চ, ২০২৫
-
১১ মার্চ, ২০২৫