০৯ অগাস্ট, ২০২৬ ০৭:২২ পিএম
এনডিএফের সেমিনারে বক্তারা

জুলাইয়ের স্মৃতি মুছে ফেলা সম্ভব নয়, হৃদয় ও পেশায় বেঁচে থাকবে

জুলাইয়ের স্মৃতি মুছে ফেলা সম্ভব নয়, হৃদয় ও পেশায় বেঁচে থাকবে
ছবি: মেডিভয়েস

মেডিভয়েস রিপোর্ট: চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতি, আত্মত্যাগ ও গণআন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (এনডিএফ) আয়োজন করেছে ‘এনডিএফ থার্টি-সিক্সথ জুলাই সেলিব্রেশন ২০২৬’ শীর্ষক অনুষ্ঠান। এতে ‘দ্যা জুলাই আপরাইজিং: আ নিউ বিগিনিং’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জুলাই অভ্যুত্থানে আহতদের চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ভূমিকা, স্বেচ্ছাসেবকদের অবদান এবং জুলাইয়ের চেতনাকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার বিষয়ে আলোচনা করেন বক্তারা।

আজ রোববার (৯ আগস্ট) বিকেল ৫টায় রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত শহীদ আবু সাঈদ আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান শুধু একটি রাজনৈতিক পরিবর্তনের ঘটনা নয়, বরং এটি মানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার ও বৈষম্যবিরোধী আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। শিক্ষার্থী, চিকিৎসক, পেশাজীবী, শ্রমজীবী মানুষসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের আত্মত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে গড়ে ওঠা জুলাইয়ের ইতিহাস কোনোভাবেই মুছে ফেলা সম্ভব নয়।

জুলাই রয়ে যাবে হৃদয়ে, কাজে ও পেশায়

ডা. মোহাম্মদ আব্দুল মালেক বলেন, ‘জুলাই রয়ে যাবে আমাদের হৃদয়ে, আমাদের কাজে, আমাদের পেশায় এবং আমাদের স্মৃতিতে। হাজারো পেশাজীবী, দিনমজুর ও রিকশাচালক জুলাইয়ে রক্ত দিয়েছেন। এই জুলাইকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।’

তিনি বলেন, জুলাইয়ের সঙ্গে সাধারণ মানুষের যে আত্মত্যাগ ও রক্তের ইতিহাস জড়িয়ে আছে, তা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

আহত জুলাই যোদ্ধাদের আজীবন বিনামূল্যে চিকিৎসার ঘোষণা

ডা. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল রাফি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে আহতদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাই যোদ্ধাদের জন্য আজীবন বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ব্যবস্থা অব্যাহত রাখা হবে।

তিনি বলেন, যারা দেশের জন্য আত্মত্যাগ করেছেন এবং আহত হয়েছেন, তাদের পাশে দাঁড়ানো চিকিৎসক সমাজের নৈতিক দায়িত্ব।

এ সময়, জুলাই অভ্যুত্থানে আহতদের চিকিৎসাসেবায় চিকিৎসক ও স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বিত ভূমিকার কথা তুলে ধরেন ডা. মোহাম্মদ আলী আফতাব। তিনি বলেন, তাঁর আগে যারা বক্তব্য দিয়েছেন তাদের অনেকেই সরাসরি অস্ত্রোপচার ও রোগীর চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর নিজের ভূমিকা ছিল ভিন্ন। তিনি মূলত সরাসরি রোগীর চিকিৎসায় যুক্ত না থেকে চিকিৎসকদের কাজের সমন্বয়, তথ্য আদানপ্রদান এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার কাজে যুক্ত ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, তাঁদের কার্যক্রমের মূল কেন্দ্র ছিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। পাশাপাশি ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালসহ কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালেও আহতদের চিকিৎসাসেবায় সহযোগিতা করা হয়।

ডা. আলী আফতাব বলেন, জুলাইয়ের সময় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে একের পর এক গুলিবিদ্ধ ও গুরুতর আহত রোগী আসতে থাকেন। অনেককে রাস্তায় পড়ে থাকা অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে আনা হয়। গুরুতর আহতদের ক্ষেত্রে দ্রুত শ্বাসনালি সচল করা, রক্ত দেওয়া, একাধিক আইভি লাইন খোলা, ড্রেসিং, ইনটিউবেশনসহ বিভিন্ন জরুরি চিকিৎসা দিতে হয়েছে।

একজন গুলিবিদ্ধ রোগীর চিকিৎসায় একসঙ্গে চার থেকে পাঁচজন পর্যন্ত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীকে কাজ করতে হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাভাবিক সময়ে একজন রোগীর পাশে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু জুলাইয়ের সময় অধিকাংশ আহতের সঙ্গে কোনো স্বজন বা পরিচর্যাকারী ছিলেন না। ফলে চিকিৎসকদের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকদেরও রোগী ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে হয়েছে।

বিভিন্ন ইউনিটে স্বেচ্ছাসেবকদের কাজ

ডা. আফতাব বলেন, আহতদের চিকিৎসায় বিভিন্ন ইউনিটে পৃথক স্বেচ্ছাসেবক দল কাজ করেছে। জেনারেল সার্জারি, নিউরোসার্জারি, জরুরি বিভাগ ও অপারেশন থিয়েটারসহ বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসকদের সহযোগিতা করা হয়েছে। নিউরোসার্জারি বিভাগে এক চিকিৎসক পাঁচ দিনে শতাধিক অস্ত্রোপচার করেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই চিকিৎসকের সঙ্গে ২৪ ঘণ্টা সহায়তা দেওয়ার জন্য একাধিক চিকিৎসক কাজ করেছেন। প্রয়োজনীয় সহায়তা, সরঞ্জাম ও অন্যান্য ব্যবস্থাপনার কাজেও স্বেচ্ছাসেবকরা যুক্ত ছিলেন।

চিকিৎসক ও নার্সদের পাশে দাঁড়ান স্বেচ্ছাসেবকরা

জুলাইয়ের ভয়াবহ সময়ে ঢামেকের চিকিৎসক ও নার্সদের অনেকেই দিনের পর দিন হাসপাতালে অবস্থান করছিলেন। তাদের বাসায় যাওয়ার সুযোগ ছিল না। খাবার, বিশ্রাম ও যোগাযোগের ক্ষেত্রেও নানা সংকট তৈরি হয়েছিল।

ডা. আফতাব বলেন, চিকিৎসক ও নার্সদের খাবারের ব্যবস্থা করা, প্রয়োজনীয় অর্থ সহায়তা দেওয়া, ফোনে যোগাযোগের ব্যবস্থা করে দেওয়া এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার কাজও তারা করেছেন।

রক্ত সংগ্রহে ব্যাপক সাড়া

জুলাইয়ের আহতদের চিকিৎসায় রক্তের সংকট মোকাবিলায় স্বেচ্ছাসেবকদের উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি। ঢামেক হাসপাতালের সামনে অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করে রক্ত সংগ্রহ করা হয়।

তিনি বলেন, চিকিৎসক, নার্স, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ স্বেচ্ছায় রক্ত দিতে এগিয়ে আসেন। এমনকি রাস্তায় হ্যান্ডমাইক ব্যবহার করে রক্তদাতাদের আহ্বান জানানো হয়েছিল।

প্রয়োজনীয় ওষুধ সংগ্রহে উদ্যোগ

জুলাইয়ের সময় ঢামেক হাসপাতালে ব্যথানাশকসহ বিভিন্ন জরুরি ওষুধের চাহিদা বেড়ে যায় বলে জানান ডা. আফতাব। তিনি বলেন, বিশেষ করে গুলিবিদ্ধ রোগীদের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় কিছু ব্যথানাশক ওষুধের সংকট তৈরি হয়েছিল। পরে ঢাকার বিভিন্ন ওষুধের বাজারে খোঁজ করে স্বেচ্ছাসেবকরা প্রয়োজনীয় ওষুধ সংগ্রহ করেন। ফলে আহতদের চিকিৎসায় বড় ধরনের ওষুধ সংকট হতে রক্ষা পেয়েছিল।

অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে আহতদের উদ্ধার

জুলাইয়ের আন্দোলনের সময় অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করে ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন ডা. আফতাব।

তিনি বলেন, বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষের স্থান থেকে আহতদের তুলে এনে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তবে এ সময় অ্যাম্বুলেন্সও হামলার শিকার হয়েছে। কোনো কোনো এলাকায় পুলিশ ও ছাত্রলীগের বাধাঁর কারণে অ্যাম্বুলেন্স চলাচল কঠিন হয়ে পড়ে।

এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে গুরুতর রোগী স্থানান্তরের ক্ষেত্রেও নানা জটিলতার মুখোমুখি হওয়ার কথা জানান তিনি। বিশেষায়িত চিকিৎসার জন্য রোগীদের অন্য হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও বিভিন্ন স্থানে বাধার কারণে সব ক্ষেত্রে তা সম্ভব হয়নি।

পরিচয়হীন আহতদের দায়িত্ব নেন স্বেচ্ছাসেবকরা

জুলাইয়ের সময় পরিচয়হীন ও অচেতন বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত রোগীর দায়িত্ব নেওয়ার কথাও তুলে ধরেন ডা. আফতাব। তিনি বলেন, অনেক রোগীর কাছে কোনো পরিচয়পত্র বা যোগাযোগের তথ্য ছিল না। কারও ফোন হারিয়ে গিয়েছিল, কারও স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এমন প্রায় ২৭ জন রোগীর চিকিৎসা, খাবার, ওষুধ এবং পরবর্তী সময়ে তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে দীর্ঘ সময় ধরে সহযোগিতা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আহতদের পাশে দাঁড়ানো শুধু হাসপাতাল পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিল না। চিকিৎসার পর তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা এবং পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজও স্বেচ্ছাসেবকরা করেছেন।

এ ছাড়াও জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে নিউরোসার্জন ডা. কানিজ ফাতেমা ইসরাত জাহান রিফাত বলেন, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাইয়ের প্রতিটি স্মৃতি এখনো তাঁর কাছে অত্যন্ত জীবন্ত। সেদিন নিউরোসার্জারি ইউনিটে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অসংখ্য গুলিবিদ্ধ ও গুরুতর আহত রোগীকে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন তিনি।

তিনি বলেন, ১৮ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে হাসপাতালে একের পর এক গুলিবিদ্ধ রোগী আসতে থাকেন। তাদের অধিকাংশই ছিলেন শিক্ষার্থী। কারও মাথায়, কারও শরীরের বিভিন্ন অংশে গুলি লেগেছিল। অল্প সময়ের মধ্যেই আহত রোগীর সংখ্যা এত বেড়ে যায় যে অনেককে শয্যা দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে তাদের চিকিৎসাসেবা দিয়েছেন।

ডা. রিফাত বলেন, নিউরোসার্জারি বিভাগে আসা অনেক রোগীর মাথায় গুলি বিদ্ধ হয়েছিল। সিটি স্ক্যানে রোগীদের মাথার ভেতরে থাকা গুলির অবস্থান দেখা গেছে। কিছু ক্ষেত্রে গুলি মস্তিষ্কের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল অংশের কাছাকাছি গিয়ে আঘাত করেছিল। এসব রোগীর অনেককেই অস্ত্রোপচার ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে গুরুতর আহতদের অনেককে শেষ পর্যন্ত বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

১৮ জুলাই থেকে ১৯ জুলাই সকাল পর্যন্ত পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিপুলসংখ্যক আহত রোগীর চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচার করা অত্যন্ত কঠিন ছিল। সীমিত জনবল ও বিপুল রোগীর চাপের মধ্যেও নিউরোসার্জারি বিভাগের চিকিৎসক, রেসিডেন্ট, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীরা দায়িত্ব থেকে পিছিয়ে যাননি।

জুলাই অভ্যুত্থানের সময় একজন শিক্ষক স্নাইপারের গুলিতে গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনাও তুলে ধরে ডা. রিফাত বলেন, জুমার নামাজ শেষে এক আত্মীয়ের জানাযায় যাওয়ার সময় ওই শিক্ষক গুলিবিদ্ধ হন। গুলিটি তাঁর মেরুদণ্ডে আঘাত করে। এর ফলে তিনি স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্বের শিকার হন।

নিউরোসার্জারি বিভাগের চিকিৎসক, রেসিডেন্ট, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ডা. রিফাত বলেন, এত বিপুলসংখ্যক আহত রোগীর চাপ সামলে চিকিৎসাসেবা দেওয়া এককভাবে সম্ভব ছিল না। সবাই সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব পালন করায় আহতদের চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

জুলাইয়ের চেতনা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে ধরে রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের ঘটনাগুলো শুধু একটি সময়ের স্মৃতি নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ইতিহাস। যারা আজ বেঁচে আছেন, একসময় তারা থাকবেন না। কিন্তু জুলাইয়ের সেই দিনগুলোর ঘটনা, আত্মত্যাগ ও মানুষের রক্তের ইতিহাস থেকে যাবে।

তিনি বলেন, জুলাইয়ের অভিজ্ঞতা মানুষের মধ্যে সাহস, দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার চেতনা জাগিয়ে রাখবে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা সেই সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে যে ভূমিকা পালন করেছেন, সেটিও ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে থাকবে।

অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের চারজন নারী সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সেক্রেটারি জেনারেল, দেশের বিশিষ্ট চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, বিভিন্ন পেশাজীবী এবং সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের চারজন নারী সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং নুরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও আমির, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ। আরও উপস্থিত ছিলেন এনডিএফ-এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট, বিভাগীয় ভাইস প্রেসিডেন্টগণ ও সেক্রেটারিবৃন্দ এবং মহানগরের তিন মেডিকেল থানার নেতৃবৃন্দ। বাংলাদেশের প্রথিতযশা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণসহ প্রায় দেড় হাজারেরও বেশি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যসেবাকর্মীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী এবং সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাত ব্যাথা প্যারালাইসিস ও স্পাইন রিহ্যাব বিশেষজ্ঞ এনডিএফ নেতা ডা. নাহিদ সাজ্জাদ।

আলোচনা শেষে জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা সমুন্নত রাখা, আহত ও জুলাই যোদ্ধাদের পাশে থাকা এবং দেশ ও মানুষের কল্যাণে চিকিৎসক সমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

এনএইচ/এমআই

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত