১৮ অক্টোবর, ২০২২ ০৯:২৭ পিএম

নানা আয়োজনে বিএসএমএমইউতে শেখ রাসেলের জন্মদিন পালিত

নানা আয়োজনে বিএসএমএমইউতে শেখ রাসেলের জন্মদিন পালিত
দিবসটি উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর স্থাপিত ম্যুরালে শ্রদ্ধা নিবেদন টিএসসিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও শহীদ ডা. মিল্টন হলে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মেডিভয়েস রিপোর্ট: নানা আয়োজনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৯তম জন্মদিন পালন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) বিকেল ৩ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে দিবসটি উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর স্থাপিত ম্যুরালে শ্রদ্ধা নিবেদন টিএসসিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও শহীদ ডা. মিল্টন হলে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ‘পঁচাত্তরের কালো রাত্রে ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে ঘাতকরা হামলার পর শিশু রাসেল ৩২ নম্বর বাড়ির দু’তলা থেকে নিচে নেমে আসেন। এসময় শিশু রাসেল যখন ভয় পেয়ে বার বার মায়ের কাছে যেতে চাইলেন, অমানুষ, বিশ্বাস ঘাতকরা শিশু রাসলেকে হাতে ধরে মায়ের কাছে নিয়ে গেল। ঘাতকরা মায়ের নিথর দেহের সামনেই শিশু রাসেলকে নির্মমভাবে হত্যা করে। একটি জন্তুও এ ধরণের শিশুকে হত্যা করতে পারত না! শেখ রাসেলকে হত্যা মানবতার বিরুদ্ধে বিরাট অপরাধ।’

তিনি বলেন,  ‘একজন  শিশু শেখ রাসেলের জীবন শুরুই হল না। কিন্তু কিভাবে শিশু রাসেলের জীবন নিভে গেল! এটি নির্মমতার প্রতীক। এ বয়সের শিশুরা এটা ওটা চায়। কিন্তু ঠিক এর বিপরীত ছিলেন শেখ রাসেল। সে গ্রামে যেতে ভালবাসতেন। গ্রামে যাবার সময় অনেক জিনিসপত্র নিয়ে যেতেন। গ্রামে গিয়ে গরীব ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের জিনিসপত্র দিতেন। গ্রামের গরীব মানুষদেরও জিনিসপত্র দিতেন। অন্যের সেবাই  করাই ছিল তাঁর জীবনের লক্ষ্য।’

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বিএসএমএমইউর ভিসি অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে নির্মল ব্যক্তিত্ব, নিষ্পাপ ব্যক্তিত্ব ও নির্ভীক নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারতেন। দেশ স্বাধীন হবার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রায় সকল রাষ্ট্রীয় সফরে বিদেশে শেখ রাসেলকে নিয়ে যেতেন। বঙ্গবন্ধু বিশ্বের বড় বড় নেতা ফিডেল ক্যাস্ট্রো, গর্বাচভের পাশেও শেখ রাসেলকে নিয়ে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর উদ্দেশ্য ছিল দেশের ভবিষ্যতের কথা ভেবে শেখ রাসেলকে যোগ্য হিসেবে তৈরি করা।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা বিদেশ থাকায় পঁচাত্তরের কালো রাত্রিতে বেঁচে গিয়েছিলেন। মোস্তাক জিয়ারা বঙ্গবন্ধুর সকল উত্তরাধিকার ধ্বংস করার চেষ্টা করেছিল। শেখ রাসেলকে হত্যা করেছিল মোস্তাক জিয়া যাতে উত্তরাধিকার হিসেবে তারা দেশ শাসন করতে না পারে।’

বিএসএমএমইউর ভিসি বলেন, ‘যারা বঙ্গবন্ধু শেখ রাসেলকে  হত্যা করেছিল তারা পাকিস্তানের পেতাত্মা। এ খুনী পেতাত্মাদের বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এখন সময় এসেছে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বংশধরদের সাথেও আমাদের কথা না বলা। তারা যাতে ক্ষমতায় না আসে সেজন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  ঘটনা প্রবাহ : বিএসএমএমইউ
হামে চিকিৎসা ব্যর্থতা ও শিশু মৃত্যুর দায়

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ

হামে চিকিৎসা ব্যর্থতা ও শিশু মৃত্যুর দায়

ড. ইউনূস-নুরজাহান বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

হামে চিকিৎসা ব্যর্থতা ও শিশু মৃত্যুর দায়

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ

হামে চিকিৎসা ব্যর্থতা ও শিশু মৃত্যুর দায়

ড. ইউনূস-নুরজাহান বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক