বিএমইউর ক্লিনিক্যাল অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আকরাম হোসেন
মেডিভয়েস রিপোর্ট: বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ক্লিনিক্যাল অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদান করেছেন স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আকরাম হোসেন। চাকরিচ্যুতির প্রায় ১৫ বছর পর আজ বুধবার (২ জুলাই) এ পদে যোগদান করেন তিনি।
এর আগে আদালতের রায়ে গত ২২ জুন বিএমইউতে পুনরায় যোগদান করেন অধ্যাপক আকরাম হোসেন। গত ১৩ এপ্রিল বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ ও বিচারপতি ফয়েজ আহমেদের বেঞ্চ এ রায় প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ২২ ডিসেম্বর নিয়মবহির্ভূতভাবে বিপুল সংখ্যক শিক্ষক-চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরিচ্যুত করা হয়। এর মধ্যে অধ্যাপক সৈয়দ আকরাম হোসেন ও তার স্ত্রী গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. সাঈদা সুলতানাও ছিলেন।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আকরাম মেডিভয়েসকে বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাকে এবং আমার স্ত্রী সাঈদা সুলতানাকে এক সঙ্গে চাকরিচ্যুত করা হয়। স্ত্রী গাইনি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন। আমি অনকোলজি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলাম। হঠাৎ চাকরিচ্যুতির কারণে তাৎক্ষণিক বেশ বেগ পোহাতে হয়েছিল।’
কিন্তু ‘কাজের লোক’ হওয়াতে মানুষের সেবা থেকে দূরে রাখা সম্ভব হয়নি বলেও জানান তিনি।
অধ্যাপক আকরাম হোসেন বলেন, ‘আমরা দুজনেই স্বাস্থ্য ক্যাডারে ছিলাম। পিজির আগে আমি ছিলাম ক্যান্সার ইনস্টিটিউটে। স্ত্রী ছিলেন একটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জুনিয়র কনসালটেন্ট হিসেবে। এর পর পিজিতে আসি। সেখান থেকে আমাদের অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়। অভ্যুত্থানের পর আমাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়।’
গত বছরের ১৮ নভেম্বর এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশন গঠন করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এতে সদস্য হিসেবে রাখা হয় অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আকরাম হোসেনকে। চলতি বছরের ৫ মে সংস্কার কমিশন প্রতিবেদন জমা দেয়।
এনএআর/
-
২২ জুন, ২০২৫
-
২৯ নভেম্বর, ২০২৪
স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আকরাম হোসেন
‘সরকারের উচিত দেশেই ক্যান্সারের পরিপূর্ণ চিকিৎসার ব্যবস্থা করা’