প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতির চর্চা চিকিৎসক সমাজে ছড়িয়ে দিতে হবে: বিএমইউ ভিসি
মেডিভয়েস রিপোর্ট: ইভিডেন্স বেইজড মেডিসিন বা প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্রে অপ্রয়োজনীয় ওষুধ লেখা ও অপ্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবহার প্রতিরোধে বিরাট ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম। এই পদ্ধতির চর্চা দেশের চিকিৎসক সমাজের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।
আজ সোমবার (৩০ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে ইন্সটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) উদ্যোগে ইভিডেন্স বেইসড মেডিসিনের উপর তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ৮৫ চিকিৎসকের হাতে সনদ তুলে দেন ভাইস চ্যান্সেলর।
আইকিউএসির অতিরিক্ত পরিচালক ডা. দীন-ই-মুজাহিদ মোহাম্মদ ফারুক ওসমানী ও ডা. তারেক রেজা আলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইকিউএসি পরিচালক অধ্যাপক ডা. নুরুন নাহার খানম।
এ সময় অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম বলেন, রোগীদের প্রয়োজনেই ইভিডেন্স বেইজড মেডিসিনের চর্চাকে উৎসাহিত করতে হবে। এতে রোগী যেমন বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসাসেবা পাবেন এবং আরোগ্য লাভের মাধ্যমে উপকৃত হবেন, তেমনি চিকিৎসা ব্যয়ও কমে আসবে। একজন রোগী একাধিক চিকিৎসক দেখালেও প্রায় একই ধরণের পরামর্শ পাবেন। তাই ইভিডেন্স বেইসড মেডিসন এর চর্চা দেশের সমগ্র চিকিৎসক সমাজের মাঝে অবশ্যই ছড়িয়ে দিতে হবে।
আয়োজকরা জানান, আইকিউএসির উদ্যোগে ইভিডেন্স বেইসড মেডিসন প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এ পর্যন্ত ১৭টি বিভাগের মোট ৮৫ জন শিক্ষক ও চিকিৎসককে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। এ ছাড়া গত বছরের নভেম্বর থেকে স্ট্রাকচারড ক্লিনিক্যাল অ্যাসেসমেন্ট স্টেশন প্রিপারেশন, আউটকাম বেইজড কারিকুলাম, কোশ্চেন প্রিপারেশন অ্যান্ড মডারেশন, ক্রয় বিধিমালা, ই-জিপি ট্রেনিং, ইভিডেন্স বেইজড মেডিসন এবং ইনটেলেকচুয়াল প্রোপারটিসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রায় পাঁচশ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
এনএআর/
-
১৭ মে, ২০২৬