১২ নভেম্বর, ২০২৪ ০৩:১৩ পিএম

ইবনে সিনায় ভাসকুলার সার্জারি বিভাগের বৈজ্ঞানিক কর্মশালা

ইবনে সিনায় ভাসকুলার সার্জারি বিভাগের বৈজ্ঞানিক কর্মশালা
ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ ‘ভাসকুলার এপ্রোচ টু প্রিভেন্ট এমপুটেশন’ শীর্ষক সিএমইতে অতিথিবৃন্দ। ছবি: সংগৃহীত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে মৃত্যুর অন্যতম কারণ কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ অর্থাৎ হৃদরোগ, আর রক্তনালীর ব্লকজনিত কারণে এ সকল ঘটনা ঘটে। রক্তনালী ব্লক হলে হাঁটাহাঁটির সময় পায়ে ব্যথা হয়। এক পর্যায়ে পচন (গ্যাংরিন) ধরে। চিকিৎসার এক পর্যায়ে পা কেটে ফেলতে হয়। রোগী পঙ্গুত্ববরণ করেন। এভাবে প্রতিবছর হাজারো রোগীকে পা কেটে ফেলতে হয়।

আজ মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সকাল ৯টায় রাজধানীর কল্যাণপুরে ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ ‘ভাসকুলার এপ্রোচ টু প্রিভেন্ট এমপুটেশন’ শীর্ষক কন্টিনুয়াস মেডিকেল এডুকেশনে (সিএমই) এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ভাসকুলার সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. জিএম মকবুল হোসেন। সাথে ছিলেন একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. একেএম জিয়াউল হক। 

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. সাজেদ আব্দুল খালেক। উপস্থিত ছিলেন ডিরেক্টর এডমিন অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম, অর্থোপেডিকস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. পারভেজ আহসান। ডা. নাজমুল হকের সঞ্চলনায় কর্মশালায় ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষকবৃন্দ, কনসালটেন্ট, মেডিকেল অফিসার এবং বিভিন্ন বর্ষের মেডিকেল শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

রক্তনালীর ব্লকের কারণ

অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ডা. জিএম মকবুল হোসেন বলেন, ধূমপান, ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, রক্তে অতিরিক্ত চর্বি, বাড়তি ওজন ও পরিশ্রমের অভাবসহ বিভিন্ন কারণে রক্তনালী ব্লক হতে পারে। রক্তনালীর আল্ট্রাসনোগ্রাম, এ্যানজিওগ্রাম পরীক্ষা করে ব্লক নিরূপণ করা যায়। কাটাছেঁড়া না করে রিং পরিয়ে (স্টেন্টিং) রক্তনালী চালু করা যায়। এ ছাড়াও রয়েছে রক্তনালী বাইপাস অপারেশন। ধূমপান বর্জন, ওজন নিয়ন্ত্রণ, প্রতিদিন ৪০ মিনিট  হাঁটাহাঁটিতে সুস্থতার নিয়ম মেনে চললে রক্তনালী ব্লক তথা অঙ্গ পচন প্রতিরোধ করা যায়। কখনো কখনো রক্তজমাট বেধে রক্তনালী ব্লক হতে পারে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মাত্র ৪-৬ ঘণ্টার মধ্যে রক্তনালী চালু না করলে পা নষ্ট হতে পারে।

এমইউ/

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত