চিকিৎসক দম্পতির মেয়ে সামিহা ঢাবির তৃতীয় প্রফে তৃতীয়
মেডিভয়েস রিপোর্ট: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) অধিভুক্ত মেডিকেল কলেজগুলোর এমবিবিএস তৃতীয় প্রফেশনাল পরীক্ষার ফলাফলে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন বরিশালের শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজের (শেবাচিম) শিক্ষার্থী সামিহা মাশিয়াত আমিন।
এর আগে বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত মেডিকেলের ২০১৮-১৯ সেশনের এমবিবিএস তৃতীয় প্রফেশনাল পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। এতে বিভিন্ন মেডিকেলের ব্যাপক সংখ্যক শিক্ষার্থী অনার্স মার্ক পেয়েছেন। এরমধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে ৪৯ জন, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ থেকে ৪১ জন, শেবাচিম থেকে ১৯ জন, ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ থেকে ২০ জন ও পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ থেকে ১১জন শিক্ষার্থী অনার্স মার্ক পেয়েছেন।
জানা গেছে, সামিহা শেবাচিমের ৫০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তৃতীয় প্রফেশনাল পরীক্ষার সিলেবাসে ফার্মাকোলজি, মাইক্রোবায়োলজি ও প্যাথলজি— তিনটি বিষয়ের মধ্যে সবটিতে তিনি অনার্স মার্ক পেয়েছেন। এর আগে তিনি দ্বিতীয় পেশাগত পরীক্ষায় ফরেনসিক মেডিসিনে অনার্স মার্ক পেয়েছিলেন।
জানতে চাইলে সামিহা মেডিভয়েসকে বলেন, ‘ফলাফল পেয়ে অনেক খুশি লাগছিল। চতুর্থ বর্ষের শুরু থেকে নিয়মিত পড়াশোনার করার চেষ্টা করেছি। প্রফও মোটামুটি ভালো হয়েছে। কিন্তু এতো ভালো ফলাফল অর্জন করবো, কখনও ভাবিনি। আল্লাহ আমার উপর রহমত করেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভালো করার জন্য আব্বু-আম্মু আমাকে অনেক উৎসাহ দিয়েছেন। সেই সঙ্গে চতুর্থ বর্ষের সকল শিক্ষক আমাদেরকে সহযোগিতা করেছেন। তাদের গাইডলাইন ছাড়া এতো ভালো ফলাফল অর্জন করা কখনই সম্ভব হতো না। সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।’
সামিহার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী জেলায়। তাঁর শৈশব ও কৈশোর বাবা-মার সঙ্গে ঢাকায় কাটে। দুই ভাই-বোনের মধ্যে তিনি বড়। সামিহার বাবা অধ্যাপক ডা. ফিরোজ আমিন ও মা ডা. সৈয়দা রাজিনা সুলতানা। তাঁর বাবা রাজধানীর বারডেম হাসপাতালের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান। তিনি রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২০১৬ সালে এসএসসি এবং ২০১৮ সালে এইচএসসি পাস করেন।
-
০৮ মার্চ, ২০২৬
ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন
ওটিতে চিকিৎসাধীন শিশুর গালে থাপ্পড়, অফিস সহায়ক বরখাস্ত
-
০৬ মার্চ, ২০২৬
-
০৫ মার্চ, ২০২৬
-
২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫