বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্সের মেয়াদ দুই বছর
মেডিভয়েস রিপোর্ট: বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনোস্টিক সেন্টারে নজরদারি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী লাইসেন্স ও নবায়নের মেয়াদ এক বছর থেকে বাড়িয়ে দুই বছর করার পাশাপাশি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে পরিবেশগত ছাড়পত্র ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নারকোটিক লাইসেন্স। আর নিয়মিত পরিদর্শনে অনিয়ম ধরা পড়লেই স্থগিত বা বাতিল হতে পারে প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স।
রোববার (৯ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখা থেকে জারি করা এ সংক্রান্ত নির্দেশনায় এসব কথা বলা হয়েছে।
অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. মো. নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের বেসরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখার নির্দেশনার অনুযায়ী লাইসেন্স প্রদান এবং নবায়নের মেয়াদ ১ (এক) বছরের স্থলে ২ (দুই) বছর করা হয়েছে।
এ লক্ষ্যে নির্দেশনাসমূহ প্রতিপালনের দির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেগুলো হলো—দুই বছরের লাইসেন্স ফি ও ভ্যাট একসঙ্গে সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে HSM ওয়েবসাইটে আবেদন করতে হবে। নতুন লাইসেন্সের ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তরের অবস্থানগত ছাড়পত্র বা পরিবেশ ছাড়পত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
এ ছাড়া যেসব প্রতিষ্ঠান নারকোটিক দ্রব্য ব্যবহার করে, তাদের লাইসেন্স পাওয়ার পর প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নারকোটিক লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে। পরিবেশ অধিদপ্তর ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নিজ নিজ দপ্তরের হালনাগাদ লাইসেন্স তদারকি করবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় বলা হয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য), সিভিল সার্জন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তারা বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান নিয়মিত পরিদর্শন করবেন। পরিদর্শনে কোনো অনিয়ম বা ব্যত্যয় পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স স্থগিত বা বাতিল করা হতে পারে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, নতুন এ ব্যবস্থা ২০২৬-২০২৭ অর্থবছর থেকে কার্যকর হবে।
এই ব্যবস্থায় নিয়ম না মানা বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলো বড় ধরনের চাপের মুখে পড়তে যাচ্ছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
এমইউ/