নীলফামারীতে ডেন্টিস্ট পরিচয়ে প্রতারণা, ডেন্টাল হোম বন্ধ
মেডিভয়েস রিপোর্ট: ডেন্টিস্ট না হয়েও বছরের পর বছর নীলফামারীর ডোমার পৌর শহরে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন স্বল্প মেয়াদি ডিপ্লোমা পাস করা ওমর ফারুক। ‘ফেন্সি ডেন্টাল হোম’ নামে একাধিক চেম্বার খুলে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। অবশেষে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ওমর ফারুককে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা তার প্রতিষ্ঠানকে সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৩০ আগস্ট) ডোমার নিউ মার্কেটের ফেন্সি ডেন্টাল হোমে অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল আলম বিপিএ। এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ডোমার পৌর শহরের নিউ মার্কেটে ‘ফেন্সি ডেন্টাল হোম’ এর ওমর ফারুকের বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জেন্ট বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বাঁধন ইসলাম নামে এক যুবক। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডা. তপন কুমার রায়কে প্রধান করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
জানা গেছে, তদন্তে সাইনবোর্ডে ১৭ বছরে অভিজ্ঞতা লিখলেও এর কোনো সনদ তার কাছে ছিল না। এছাড়াও তার দাবিকৃত ডিগ্রির ফটোকপি দেখালেও মূল সনদ চাইলে তিনি তা দেখাতে পারেননি। নিয়ম না মেনেই অস্ত্রোপচার ও রোগীকে চিকিৎসা করতেন তিনি। তার ট্রেড লাইসেন্সের মেয়াদও উত্তীর্ণ ছিল। পরে অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওমর ফারুক ও তার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন নীলফামারী জেলা প্রশাসক।
ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল আলম বলেন, ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে তার পরিচালিত ফেন্সি ডেন্টাল হোম বন্ধ করার সুপারিশ করেছে। আমরা আজ তদন্ত করে বিভিন্ন অসংগতি পেয়েছি। তাই ওমর ফারুককে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা ও ফেন্সি ডেল্টাল হোমটি সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
-
২০ এপ্রিল, ২০২৫
-
০৩ জানুয়ারী, ২০২৫
-
২০ জানুয়ারী, ২০২৪
-
১০ ডিসেম্বর, ২০২৩
-
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
-
৩১ অগাস্ট, ২০২৩
-
২৭ অগাস্ট, ২০২৩