০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৩:৫৩ পিএম

নির্ধারিত সময়ের আগেই মাতৃমৃত্যু হ্রাসে সাফল্য, বাংলাদেশকে ডব্লিউএইচওর অভিনন্দন

নির্ধারিত সময়ের আগেই মাতৃমৃত্যু হ্রাসে সাফল্য, বাংলাদেশকে ডব্লিউএইচওর অভিনন্দন
ছবি: সংগৃহীত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অনুযায়ী নির্ধারিত ২০৩০ সালের সময়সীমার আগেই মাতৃমৃত্যুর হার কমানোর লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করায় বাংলাদেশ সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) পূর্ব তিমুরের রাজধানী দিলিতে চলমান ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কমিটির ৭৯তম অধিবেশনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের হাতে এসংক্রান্ত অভিনন্দনপত্র তুলে দেন সংস্থাটির মহাপরিচালক ড. টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসাস।

অভিনন্দনপত্রে বলা হয়, মাতৃমৃত্যু কমানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অর্জন জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এ সাফল্যের পেছনে সরকারের দৃঢ় নেতৃত্ব, কার্যকর স্বাস্থ্যনীতি, সুসংগঠিত প্রজনন ও মাতৃস্বাস্থ্য কর্মসূচি এবং মানুষের দোরগোড়ায় প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ভূমিকা রেখেছে।

এ ছাড়া দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীর মাধ্যমে নিরাপদ প্রসবসেবা ও মিডওয়াইফারি সেবা নিশ্চিত করা, জনগণের অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে কার্যকর সহযোগিতাও এ সাফল্যের অন্যতম কারণ বলে উল্লেখ করেছে ডব্লিউএইচও।

মাতৃ ও নবজাতক টিটেনাস নির্মূলের অবস্থানও ধরে রেখেছে বাংলাদেশ

গত ১০ বছর ধরে মাতৃ ও নবজাতক টিটেনাস নির্মূলের অবস্থান ধরে রাখায়ও বাংলাদেশ সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে ডব্লিউএইচও।

অভিনন্দনপত্রে বলা হয়, শক্তিশালী জাতীয় অঙ্গীকার, উচ্চমানের টিকাদান কর্মসূচি এবং দেশজুড়ে নিরাপদ প্রসবের চর্চা অব্যাহত রাখার ফলে বাংলাদেশ এ অর্জন ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।

ডব্লিউএইচও আরও উল্লেখ করেছে, বাংলাদেশের এ অর্জন গত এক দশকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মাতৃ ও নবজাতক টিটেনাস নির্মূলের অর্জন ধরে রাখার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।

বাংলাদেশ সরকারের এ সাফল্যকে স্বীকৃতি দেওয়াকে সম্মানের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেছে ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কার্যালয়। একই সঙ্গে উল্লেখযোগ্য এসব জনস্বাস্থ্য অর্জনের জন্য বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়েছে সংস্থাটি।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ৩.১ অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক মাতৃমৃত্যুর হার প্রতি ১ লাখ জীবিত জন্মে ৭০ জনের নিচে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। লক্ষ্য অর্জনে সাফল্যের কথা বলা হলেও এই হার এখন কত হয়েছে, সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তা জানানো হয়নি।

বাংলাদেশ সরকারের এসডিজি ট্র্যাকার ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে এই হার ছিল প্রতি লাখে ১৩৬। আর ২০২৫ সালে এই হার ১০০ তে নামিয়ে আনার লক্ষ্য ছিল, তবে তা পূরণ হয়েছে কি না, সেই তথ্য ট্র্যাকারে নেই।

এমআর/

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
মেডিভয়েস নিউজ রুম অনুষ্ঠানে পেশাজীবী নেতাদের মত

চিকিৎসকের নিরাপত্তায় নিহিত কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক