আরও ৬০টি ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ
মেডিভয়েস রিপোর্ট: কর্মজীবী মায়েদের স্বস্তি ও শিশুদের নিরাপদ বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করতে দেশজুড়ে আরও ৬০টি নতুন ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপনের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী জানান, বর্তমানে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অধীনে ৪৪টিসহ ঢাকা ও ঢাকার বাইরে মোট ৬৪টি ডে-কেয়ার সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে। নতুন করে আরও ৬০টি সেন্টার স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে।
তিনি আরও জানান, পরিচালিত কেন্দ্রগুলোতে ইতোমধ্যে চার হাজার ৫০টি শিশুকে রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। ১৫ দিন বয়সী নবজাতক থেকে শুরু করে ৬ বছর বয়সী শিশুদের অফিস চলাকালীন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে এই কেন্দ্রগুলোতে রাখা হয়।
ব্রেস্টফিডিং কর্নার
সমাজকল্যাণমন্ত্রী জানান, বর্তমানে ৫৩টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে কর্মরত মায়েদের জন্য ব্রেস্টফিডিং সেন্টার চালু রয়েছে। আরও ১১টি স্থাপনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে এবং অচিরেই আরও ১২টি সেন্টার স্থাপন করা হবে। অর্থাৎ, খুব শিগগিরই ৬৪টি কেন্দ্রেই ব্রেস্টফিডিং ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা হবে।
স্বামী-স্ত্রীর কর্মস্থল কাছাকাছি রাখার চেষ্টা
শিশুদের সুষ্ঠু বিকাশের পাশাপাশি পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় রাখতে এবং কর্মজীবী দম্পতিদের মানসিক প্রশান্তির দিকেও নজর দিচ্ছে সরকার। সংসদে বিরোধী দলের সদস্য মারদিয়া মমতাজের এক নোটিশের জবাবে মন্ত্রী জানান, স্বামী-স্ত্রী উভয়ের কর্মস্থল কাছাকাছি, একই জায়গা, শহর কিংবা একই উপজেলায় রাখারও চেষ্টা করা হচ্ছে।
জেএইচ/