১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫ ০১:০৬ পিএম

শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবিতে শেবাচিমে কমপ্লিট শাটডাউন

শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবিতে শেবাচিমে কমপ্লিট শাটডাউন
ছবি: সংগৃহীত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবিতে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজে (শেবাচিম) কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টা থেকে অধ্যক্ষের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে এই কর্মসূচি শুরু করেন তারা। পরে অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ফয়জুল বাশার বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরে অধ্যক্ষের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

শিক্ষার্থীরা জানান, কলেজটিতে মোট ৩৩৪ জন শিক্ষক পদায়ন করার কথা থাকলেও ১৭৩টি পদই শূন্য রয়েছে। এতে ঠিকঠাকভাবে ক্লাস নেওয়া সম্ভব হয়ে উঠছে না। কিন্তু দীর্ঘদিন দাবি জানিয়ে আসলেও তা পূরণ করা হচ্ছে না। বিশেষ করে মেডিসিন, মাইক্রোবায়োলজি, ফিজিওলজি, প্যাথলজি বিভাগ, ডেন্টাল ইউনিটে এই সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে।

আন্দোলনরত এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘যতজন শিক্ষক থাকার কথা ছিল, তারা না থাকার কারণে ক্লাস কন্টিনিউ করা সম্ভব হচ্ছে না। শিক্ষার্থীরা যেহেতু ক্লাস করতে পারছে না, তাই আমরা একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রাখবো। আমরা বদলিকৃত শিক্ষকদের পদায়ন এবং শূন্যপদে নিয়োগ চাই।’

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘শেবাচিমের বয়স আজকে ৫৬ বছর হতে চলল। কিন্তু এতদিনেও শিক্ষক সংকটের কোনো সমাধান হয়নি। আশ্বাস দিলেও সমাধান করা হচ্ছে না। আমাদের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়েছে। আমরা চাই শিক্ষক নিয়োগের প্রজ্ঞাপন দিতে হবে। অন্যথায় অনির্দিষ্টকালের জন্য আমাদের কর্মসূচি চলতে থাকবে।’

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ফয়জুল বাশার সাংবাদিকদের বলেন, ‘ছাত্রদের দাবির সাথে আমরা একমত। আমাদের এখানে শিক্ষক সংকট তীব্রতর। আমরা এটি মহাপরিচালককে জানিয়েছি, তিনি আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। পাশাপাশি আমরা জানিয়েছি, যাদের বদলি হয়েছে, তাদেরও প্রয়োজন আছে এখানে।’

এর আগে গত ১২ ফেব্রুয়ারি শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবিতে অধ্যক্ষ বরাবর একটি স্মারকলিপি দেন শিক্ষার্থীরা। ওইদিন তারা তিনটি দাবি জানান। এগুলো হলো—

১. স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগ, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে অতি দ্রুত শিক্ষক সংকট নিরসন করা।

২. মাইক্রোবায়োলজি, প্যাথলজি ও কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের বদলিকৃত শিক্ষকদের বদলি স্থগিত এবং পর্যাপ্ত নতুন শিক্ষক নিয়োগে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

৩. সুষ্ঠুভাবে একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ।

এনএআর/

  ঘটনা প্রবাহ : বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ
সাত কর্মদিবসের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাসে কর্মবিরতি প্রত্যাহার

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা নবম গ্রেডের বেসিক

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত