স্লিপ অ্যাপনিয়ার চিকিৎসায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম ওষুধ অনুমোদন
মেডিভয়েস রিপোর্ট: স্লিপ অ্যাপনিয়ার (ঘুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া) চিকিৎসার জন্য এই প্রথম ওষুধের অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ)।
শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রে স্লিপ অ্যাপনিয়ার চিকিৎসায় প্রথম ওষুধের অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদ মাধ্যম এনবিসি।
ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কর্মকর্তা স্যালি সিমুর স্থূল রোগীদের মাঝারি থেকে গুরুতর স্লিপ অ্যাপনিয়ার চিকিৎসার জন্য জেপবাউন্ডের অনুমোদনের ঘোষণা দিয়ে এক বিবৃতিতে বলেন, ‘অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া রোগীদের জন্য এটি একটি বড় পদক্ষেপ।’
যারা স্থূল বা অতিরিক্ত ওজন এবং এ সম্পর্কিত স্বাস্থ্যগত অবস্থা যেমন টাইপ ২ ডায়াবেটিস, উচ্চ কোলেস্টেরল বা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন এমন লোকেদের জন্য ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি এলি লিলির কাছ থেকে জেপবাউন্ড ক্রয় অনুমোদিত হয়েছে।
এফডিএ’র এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘গবেষণা দেখায় যে জেপবাউন্ড অন্ত্র থেকে নিঃসৃত হরমোনের রিসেপ্টরকে সক্রিয় করে ক্ষুধা ও খাদ্য গ্রহণ কমিয়ে শরীরের ওজন কমাতে কাজ করে।’
অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া (ওএসএ) একটি বিপজ্জনক অবস্থা যেখানে একজন ব্যক্তি ঘুমানোর সময় শ্বাস বন্ধ হয়ে যায়।
অবরুদ্ধ শ্বাসনালীর কারণে ভুক্তভোগীরা রাতে বারবার জেগে ওঠে, এটি তাদের ঘুমের গভীর, সতেজ পর্যায়ে পৌঁছাতে বাধা দেয়। এই অবস্থা উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক এবং বিষণ্নতার মত উচ্চ ঝুঁকির সাথে যুক্ত।
আমেরিকান একাডেমি অফ স্লিপ মেডিসিনের পরিসংখ্যান অনুসারে স্লিপ অ্যাপনিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৩০ মিলিয়ন প্রাপ্তবয়স্ককে প্রভাবিত করে। লাখ লাখ আমেরিকান এই জটিলতায় আক্রান্ত হওয়ায় এই অনুমোদন দেয়া হয়।
এফডিএ জেপবাউন্ডকে ‘স্থূলতাসহ প্রাপ্তবয়স্কদের মাঝারি থেকে গুরুতর ওএসএ’ চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছে।
-
০৭ জুন, ২০২৬
-
৩০ এপ্রিল, ২০২৬
-
০৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
-
০১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
-
০১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
-
৩১ জানুয়ারী, ২০২৫
-
২৯ জানুয়ারী, ২০২৫
সেনেগাল ফুটবলে চাঞ্চল্য
জাতীয় দলের প্রধান চিকিৎসক ছিলেন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ
সেনেগাল ফুটবলে চাঞ্চল্য
জাতীয় দলের প্রধান চিকিৎসক ছিলেন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ
অনুপস্থিতি ও বেসরকারি হাসপাতালে মালিকানা
চাঁপাইনবাবগঞ্জে আট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা