১৬ নভেম্বর, ২০২৪ ০৪:৫২ পিএম

চাকরি অনিশ্চয়তায় শিশু বিকাশ কেন্দ্রের কর্মকর্তারা, বেতন নেই ৪ মাস

চাকরি অনিশ্চয়তায় শিশু বিকাশ কেন্দ্রের কর্মকর্তারা, বেতন নেই ৪ মাস
শিশু বিকাশ কেন্দ্র। ছবি: সংগৃহীত

নবাব আব্দুর রহিম: চার মাস বেতন পাচ্ছেন না বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর সম্মিলিত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের লক্ষ্যে গড়ে ওঠা ৩৫ শিশু বিকাশ কেন্দ্রের স্বাস্থ্য-কর্মকর্তারা। তাদের চাকরি আছে কি নেই, সে বিষয়েও কোনো সুস্পষ্ট বক্তব্য জানানো হচ্ছে না। এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এসব স্বাস্থ্যকর্মীর এক বছরের বেতনের জন্য থোক বরাদ্দের আবেদন করা হলেও তা আটকে আছে অর্থ মন্ত্রণালয়ে।

এতে এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মীরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। নৈতিক দায়িত্ব ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে তারা সেবা অব্যাহত রাখলেও কতদিন বেকার খাটতে পারবেন তা নিশ্চিত নন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টার নির্দেশনায় শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. লায়লা জামান খানের প্রচেষ্টায় প্রকল্পটি সেক্টর কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হয়। পরের বছর আগস্ট মাসে পাঁচটি কেন্দ্রের মাধ্যমে সর্বপ্রথম এই প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ২০১০ ও ২০১৪ সালে পাঁচ করে ১০টি কেন্দ্র বৃদ্ধি করা হয়। সর্বশেষ ২০২১ সালের মার্চে আরও ২০টি কেন্দ্র এই প্রকল্পে যুক্ত হয়। এই ৩৫টি শিশু বিকাশ কেন্দ্রের মধ্যে সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৪টি এবং জেলা সদর হাসপাতালে ১১টির কার্যক্রম চলমান আছে।

জানা গেছে, প্রতিটি কেন্দ্রে একজন শিশু স্বাস্থ্য চিকিৎসক (চাইল্ড হেলথ ফিজিশিয়ান), একজন শিশু মনোবিজ্ঞানী (চাইল্ড সাইকোলজিস্ট) ও একজন ডেভেলপমেন্টাল থেরাপিস্ট রয়েছেন। এ ছাড়া একজন করে পরিচ্ছন্ন কর্মী থাকেন। এর বাইরে প্রথম ১৫টি কেন্দ্রে একজন অফিস ম্যানেজারও আছেন। সব মিলে ৩৫টি কেন্দ্রে চাকরি করেন ১৭৫ জন। এ ছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এই প্রকল্পে মাল্টিডিসিপ্লিনারি সেন্টারে রয়েছেন আরও ১১ জন, এর মধ্যে তিনজন সিনিয়র ইনস্ট্রাক্টর। সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট ১৮৬ জনের মধ্যে শূন্যপদ রয়েছে ৩৭টি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীদের সূত্রে আরও জানা গেছে, ২০০৯ সালের আগস্ট মাস থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ৩৫টি কেন্দ্রে প্রায় দুই লক্ষ ৩৭ হাজার ৯৩৪ শিশু সেবা গ্রহণ করেছে। শিশু বিকাশ কেন্দ্রে চিকিৎসা পেশাজীবীদের একটি সমন্বিত দল স্নায়ুবিকাশজনিত সমস্যায় আক্রান্ত শিশুর একই সাথে একই সেটিংসে সকল বিশেষায়িত সেবা প্রদান করছে। নিজ জেলায় মাত্র ১০টাকায় শিশুরা এই সেবা নিতে পারছে। সমাজের নিম্ন আর্থসামাজিক শ্রেণি থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠেছে এই শিশু বিকাশ কেন্দ্র। দেশে প্রতিবন্ধিতার হার কমিয়ে সুস্থ নাগরিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে এই কেন্দ্রগুলোর।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অতীতেও এই সেবার সাথে জড়িত পেশাজীবীরা নানাভাবে বঞ্চনার শিকার হয়েছেন। একাধিকবার এটিকে রাজস্বখাতে অন্তর্ভুক্তির আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তা আর কখনোই আলোর মুখ দেখেনি।

এদিকে পাঁচ বছর মেয়াদি এই প্রকল্পের মেয়াদ ২০২২ সালে শেষ হওয়ার পর করোনা মহামারীর কারণে আরও দুই বছর বাড়ানো হয়। এরপরে চলতি বছরের জুনে এর মেয়াদ শেষ হয়। সাধারণত স্বয়ংক্রিয়ভাবে এ প্রকল্প চালু হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু ২৯ জুন এর মেয়াদ শেষ হলেও এরপর আর এই অপারেশন প্ল্যান চালু করা হয়নি। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে এই প্রকল্প গুরুত্ব পায়নি তখন। ফলে টানা চার মাস বেতন না পাওয়ায় অর্থকষ্টে দিন পার করছেন তারা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, শিশু বিকাশ কেন্দ্রের স্বাস্থ্যকর্মকর্তাদের অসহায়ত্ব বিবেচনায় থোক বরাদ্দের জন্য আবেদন করেছে অধিদপ্তর। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে আবেদনটি আটকে আছে অর্থ মন্ত্রণালয়ে। কোন কারণে দেরি হচ্ছে, তা বলতে পারছেন না অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। তবে, আগামী বছরের এপ্রিলের দিকে এই অপারেশন প্ল্যান চালুর উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।

‘বিভিন্নজনের কাছে হাত পাততে হচ্ছে’

জানতে চাইলে নীলফামারী মেডিকেল কলেজের শিশু বিকাশ কেন্দ্রের শিশু মনোবিজ্ঞানী মশিউর রহমান মেডিভয়েসকে বলেন, চাকরিটা আছে কি-না, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এমন নিশ্চয়তা দিতে পারছেন না। তারা কোনো প্রতিশ্রুতিও দিতে চান না। আমরা আগের জমানো টাকাগুলো খরচ করে ফেলেছি। এখন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে এসে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নজনের কাছে হাত পাততে হচ্ছে, ধার নিতে হচ্ছে। আমরা ধার পরিশোধ করতে পারছি না। অসহায় আর কি! না পারছি মাঠে কাজ করতে, না পারছি রিকশা চালাতে, না পারছি অন্য কোথাও যেতে।

মশিউর রহমান বলেন, ‘আমরা মূলত নিউরোডেভেলপমেন্টাল পেশেন্ট (স্নায়ু-বিকাশগত সমস্যা রয়েছে এমন শিশু) যেমনশিশু জন্মের পর তাদের খিঁচুনি, মাথায় আঘাত পাওয়া বা সেরিব্রাল পালসি, ডাউন সিন্ড্রোম, অটিজম, অস্থির বা চঞ্চল শিশু, কথা বলার সমস্যা, উচ্চারণে সমস্যা, কথা বলতে গিয়ে আটকে যাওয়া ইত্যাদি রোগের পরিচর্যা করি। এ ছাড়া ঘাড় ধরে রাখতে পারে না, শোয়া থেকে উঠে বসতে পারে না, হাঁটতে পারে না, মুখ দিয়ে লালা পড়া, শিশুর বিকাশ সঠিকভাবে হচ্ছে কিনা তা যাচাই করা, বুদ্ধি কম, পড়াশোনায় অনাগ্রহ, পড়াশোনা মনে রাখতে পারে না, বিদ্যালয়ে যেতে চায় না, রাগ বা জিদ বেশি, কারো সাথে মিশতে পারে না, সবাইকে আঘাত করা এবং টিভি, মোবাইল ও ইন্টারনেটে আসক্ত এসব রোগী আমরা দেখি।’

‘আমরা যদি শিশু বিকাশ কেন্দ্র এসব রোগী দেখা বন্ধ করে দেই, তাহলে এ সব রোগী চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হবে। একমাত্র শিশু বিকাশ কেন্দ্রই এসব রোগী দেখে। আর কোথাও এ ধরনের প্রকল্প নেই। তারপরেও অসহায় রোগীদের দিকে দেখে ধার-দেনা করেও আমরা সার্ভিসটা দিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু আর কতদিন? এভাবে তো চলতে পারে না। আমাদের কষ্ট হচ্ছে’যোগ করেন এই শিশু মনোবিজ্ঞানী।

শিশু বিকাশ কেন্দ্রকে রাজস্ব খাতে নেওয়ারও দাবি জানান মশিউর রহমান।

৩৫টি শিশু বিকাশ কেন্দ্রের মাল্টিপ্রফেশনালদের গুণগত মান ও পেশাদারি আচরণবিধি নিশ্চিতে কাজ করে এই অপারেশন প্লানের মাল্টিডিসিপ্লিনারি সেন্টার।

মাল্টিডিসিপ্লিনারি সেন্টারের সিনিয়র ইন্সট্রাক্টর (শিশু মনোবিজ্ঞান) ড. ফায়েজা আহমেদ মেডিভয়েসকে বলেন, টানা চার মাস বেতন-ভাতা না হলেও পেশাগত আচরণবিধি, নৈতিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে আমাদের প্রফেশনালরা সেবা প্রদান বন্ধ করতে পারছেন না। এই শিশুদের সেবা দিতে গিয়ে তাদেরকে এক ধরনের মানসিক চাপের মুখে পড়তে হয়। এর উপর এখন তাদের আর্থ-সামাজিক চাপও মোকাবেলা করতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, শিশু বিকাশ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ থেকে কোনো চিঠি আসেনি। ফলে আমরা ধরে নিচ্ছি সেবা অব্যাহত রয়েছে।

দু’জনের চাকরি ছাড়ায় মনোবল হারাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা

এদিকে জুনে এই প্রকল্পের বেতন-ভাতা বন্ধ হওয়ার পর সম্প্রতি একজন চিকিৎসক ও একজন শিশু মনোবিজ্ঞানী চাকরি ছেড়েছেন। এ খবরে আরও মনোবল হারাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর চাকরি থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন মানিকগঞ্জ (পূর্বের কর্নেল মালেক) মেডিকেল কলেজ শিশু বিকাশ কেন্দ্রের শিশু স্বাস্থ্য চিকিৎসক ডা. আফরোজা সুলতানা। আর অতি সম্প্রতি নাটোর সদর হাসপাতাল কেন্দ্রের শিশু মনোবিজ্ঞানী মো. আলমগীর হোসেন চাকরি ছেড়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. আফরোজা সুলতানা মেডিভয়েসকে বলেন, ‘ব্যক্তিগত কিছু কারণের পাশাপাশি আর্থিক বিষয়টি দেখে চাকরি ছেড়ে দিয়েছি। আমি মানিয়ে নিতে পারছিলাম না। জুনের পর আর বেতন পাইনি। আমার পরিবার ঢাকায় থাকে। এখান থেকে আসা-যাওয়া করছি, আর্থিক সাপোর্টের তো দরকার আছে।’

অনিশ্চয়তার মধ্যে কত দিন এই কাজে যুক্ত থাকা সম্ভব, এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘কতদিন চলতে পারবো এভাবে? আগের বেতনগুলো পাব কি-না, তাও জানি না। আশানুরূপ তো কিছু শুনছি না।’

তবে শিশু মনোবিজ্ঞানী মো. আলমগীর হোসেন বলছেন, শিক্ষকতার প্রতি আগ্রহ থেকে ওই চাকরি ছেড়ে ঢাকার একটি কলেজে যোগ দিয়েছেন তিনি। এর সাথে আর্থিক বিষয়টি জড়িত নয়।

কর্মীরা অর্থকষ্টে কাজ করছেন

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হসপিটাল সার্ভিসেস ম্যানেজমেন্টের লাইন ডিরেক্টর ডা. জয়নাল আবেদীন টিটো মেডিভয়েসকে বলেন, শিশু বিকাশ কেন্দ্র স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অপারেশন প্ল্যানের অধীনে চলে। গত ২৯ জুন এর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। এর আগে ২০২২ সালে এর মেয়াদ শেষ হলে করোনার কারণে দুই বছর সময় বাড়ানো হয়। তবে জুনে মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এটি চালুর ব্যাপারে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

অর্থবছর শেষ হলে এই প্রোগ্রামের অর্থও চলে যায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পহেলা জুলাই থেকে এই প্রোগ্রাম আর চলমান নেই। ফলে আমাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কাজ করছেন ঠিকই, কিন্তু অর্থকষ্টে আছেন। বেতন না পেয়ে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন, অথচ তাদের সেবাটি জনগণের জন্য অত্যাবশ্যক। আমরা সরকারের কাছে অর্থ বরাদ্দের জন্য আবেদন করেছি। থোক বরাদ্দ চেয়েছি, যেন সারাবছরের অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়। তাহলে আমরা রাজস্ব খাতের মতোই মাস শেষে এই প্রকল্পগুলোতেও নিয়মিত বেতন দিতে পারবো। অপারেশন চালু হওয়ার পর হয়তো বেতন পাবে। তবে এর আগ পর্যন্ত যেন থোক বরাদ্দ থেকে বেতন দিতে পারি।’

ডা. জয়নাল আবেদীন টিটো আরও বলেন, অপারেশন প্ল্যানের ক্ষেত্রে সরকার অর্থ দিলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দেওয়া সম্ভব হবে। তবে প্রকল্পটি রাজস্ব খাতে নিলে ভালোই হতো। তা যদি নাও হয়, অন্তত শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির মতো যদি করা যেত, তাহলে অন্তত মাস শেষে তারা বেতন পেতেন। রাজস্ব করতে পারলে আরও ভালো।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটি জনগুরুত্বপূর্ণ একটি প্রোগ্রাম। আমাদের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি শিশু এখন প্রতিবন্ধী হয়ে জন্ম নিচ্ছে। এদের সমস্যাগুলো শুধু ‘ড্রাগ’ দিয়ে ভালো করা যায় না। কিছু বিহেভিয়ার (আচরণগত) থেরাপি আছে, কিছু কগনেটিভ (জ্ঞানগত) থেরাপি আছে; এভাবে রোগ নির্ণয় করে করে থেরাপি দিয়ে দিয়ে তাদের সুস্থ করতে হয়। সে যেন জীবনে চলতে পারে। তার উপযোগী করে তাকে গড়ে তোলা হয়। সাইকোলজিস্ট-থেরাপিস্টরা এটি করেন। ডাক্তারদের পক্ষে সম্ভব না, ওই বিষয়ে ট্রেনিংও থাকে না। এই সার্ভিসগুলো কেবল শিশু বিকাশ কেন্দ্রে সম্ভব।’

এটা জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি, এটা ব্যাপক পরিসরে চালু করা উচিত। এখন ৩৫টি আছে, কমপক্ষে আরও ৬৫টি কেন্দ্রে চালু করা উচিত। যারা এসব পিছিয়েপড়া শিশুদের নিয়ে কাজ করেছেন, ওদের জীবন চালানোর জন্য বেতনটি যেন মাসের শেষে দিয়ে দেওয়া যায়। এটি আমি প্রয়োজন মনে করছি।’

জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর মেডিভয়েসকে বলেন, ‘শুধু শিশু বিকাশ কেন্দ্র নয়, সব অপারেশনাল প্ল্যানই বন্ধ আছে। এসব নিয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে আমরা মন্ত্রণালয়ে বলেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘থোক বরাদ্দের জন্য আমরা বলেছি। একই সাথে রাজস্ব খাতে আসার বিষয়টাও। কিন্তু সরকারের তো অর্থনৈতিক একটা সীমাব্ধতা আছে।’

এনএআর/এমইউ/

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত