মুগদা মেডিকেলের নতুন পরিচালক ডা. হাসিবুল ইসলাম
মেডিভয়েস রিপোর্ট: রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ডা. হাসিবুল ইসলাম সবুজ। বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বকনিষ্ঠ পরিচালক হিসেবে এ পদে নিয়োগ পান তিনি।
আজ শুক্রবার (৫ জুলাই) বিকেলে মেডিভয়েসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে তিনি সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
তারও আগে সহকারী পরিচালক হিসেবে তিনি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব প্রিভেনটিভ অ্যান্ড সোশ্যাল মেডিসিনের (নিপসম) দায়িত্ব পালন করেছেন।
ডা. হাসিবুল ইসলাম সবুজ ১৯৯৮ সালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস এবং কমিউনিটি মেডিসিনে নিপসম থেকে ২০০২ এমপিএইচে উচ্চতর প্রশিক্ষণ নেন।
দায়িত্বপ্রাপ্তি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার চেষ্টাই সব না। সফলতার মুখ দেখতে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা দরকার। সহকর্মী—কর্মকর্তা-কর্মচারী সবার সহযোগিতা দরকার। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া আমার একার প্রচেষ্টায় কখনোই সফল হতে পারবো না।’
ডা. হাসিব বলেন, ‘আমার সব সময় চেষ্টা থাকে স্বচ্ছতা বজায় রেখে কাজগুলো এগিয়ে নেওয়া। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলের পূর্ণ সহযোগিতা দরকার, যাদের নিয়ে আমি কাজ করবো।’
তিনি আরও বলেন, মুগদা এলাকার জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কর্তৃপক্ষের স্বপ্ন বাস্তবায়নে এই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিরাট দায়িত্ব রয়েছে। সুতরাং এ ব্যাপারে সদা তৎপর থাকবো।’
মুগদা একটি ডেঙ্গুপ্রবণ এলাকা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কোভিডের সময়ও এই এলাকা হটস্পট ছিল। সুতরাং এসব বিবেচনায় নিজের কিছু চিন্তা ও সবার পরামর্শের ভিত্তিতে যথাসাধ্য চেষ্টা করবো এই অঞ্চলটাকে স্বাস্থ্যবান্ধব জনপদ হিসেবে সাজানোর, মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার।’
‘বিভিন্ন জায়গায় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে টুকরা টুকরা অভিজ্ঞতা সঞ্চিত হয়েছে, এই অভিজ্ঞতাগুলো ইনশাল্লাহ কাজে লাগানোর চেষ্টা করবো’—যোগ করেন তিনি।
দীর্ঘ দিন ধরে এ রকম ক্ষেত্র পেতে স্বপ্ন দেখতেন জানিয়ে মুগদা হাসপাতালের নতুন পরিচালক বলেন, এ রকম দায়িত্ব না পেলে নিজের অভিজ্ঞতাগুলো কাজে লাগানো যায় না।
ডা. হাসিব বলেন, করপোরেট স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের আদলে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে অটোমেটেড হাসপাতাল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই, যাতে মানুষ সন্তুষ্ট হয়ে স্বীকৃতি দেয় যে, মুগদা হাসপাতাল একটি ভালো স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান।
এমইউ/