জাজিরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক মাসে ৯৭ স্বাভাবিক প্রসব
মেডিভয়েস রিপোর্ট: গর্ভবতী মায়েদের স্বাভাবিক প্রসব করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। অক্টোবর মাসের ১ তারিখ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ৯৭টি স্বাভাবিক প্রসব সম্পন্ন হয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসে স্বাভাবিক প্রসব হয়েছে ৮০টি।
আজ বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অফিসিয়াল ফেইসবুক পেইজে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে ‘এ অঞ্চলের গর্ভবতী মায়েরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাভাবিক প্রসবে আগ্রহী। জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এসে নরমাল ডেলিভারি করানোর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছেই। এছাড়াও ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার, ওআরটি কর্নার, অটিজম কর্নার, এএনসি ও পিএনসি এবং কেএমসি কর্নার চালুর মাধ্যমে হাসপাতালটিকে শিশুবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে।’
নার্স সুপারিন্টেনডেন্ট রেখা আক্তার বলেন, ‘সিজারের নামে বাণিজ্য, দালাল চক্র এবং অদক্ষ ধাত্রীর হাত থেকে প্রসূতি মায়েদের রক্ষায় এবং নিরাপদে নরমাল ডেলিভারি করাতেই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. মাহমুদুল হোসাইনের নেতৃত্বে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কয়েকজন চিকিৎসক, নার্স ও মিডওয়াইফরা টিম ওয়ার্ক শুরু করি। নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে সন্তান প্রসব করতে প্রসূতিদের উদ্বুদ্ধকরণ প্রচারণায় বিভিন্ন কৌশলও কাজে লাগিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পক্ষ থেকে প্রসূতি নারীদের বিনামূল্যে ‘প্রসূতি কার্ড’ দেয়া হয়। এরপর ডেলিভারি না হওয়া পর্যন্ত চলতে থাকে কাউন্সেলিং আর ফ্রি চেকআপ। প্রসূতি কার্ড ও নরমাল ডেলিভারি করাতে মাঠ পর্যায়ের শিক্ষক, চেয়ারম্যান-মেম্বার, ইমাম ও অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন এনজিওর স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে বার্তা পৌঁছানো হয় প্রসূতি মায়েদের কাছে। এছাড়াও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরাও নিজেরা বিভিন্ন স্থানে গিয়ে কাউন্সিলিং করি।’
জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. মাহমুদুল হোসাইন বলেন, ‘যে কোন কাজের সফলতার জন্য টিমওয়ার্কের বিকল্প নাই। আমার হাসপাতালের সবাই মিলে নিরাপদ প্রসবের জন্য কাজ করি। হাসপাতালের তৃতীয় তলায় আলাদা ডেলিভারি ব্লক করা হয়েছে। মাঠপর্যায় থেকে শুরু করে হাসপাতালের মিডওয়াইফ, নার্স, গাইনি কনসালটেন্ট এবং অন্যান্য সকল চিকিৎসককে প্রতি মাসে মিটিং করে নরমাল ডেলিভারি বৃদ্ধি করার জন্য তাগিদ দেয়া হয়। রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করার জন্য সবাইকে নির্দেশনা দেয়া হয়। ফলে রোগীরা হাসপাতালের সেবায় সন্তুষ্টি নিয়ে বাড়ি ফিরে যায়।আমরা আশা করছি দিন দিন নরমাল ডেলিভারি আরও বৃদ্ধি পাবে এবং এর ফলে বাড়িতে ডেলিভারি করতে গিয়ে মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর হার অনেকাংশে হ্রাস পাবে।’
-
০৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
-
০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
প্রস্তাবিত কোম্পানির ওষুধ লিখতে অস্বীকৃতি
নারী চিকিৎসকের ওপর হামলা, আটক ২
-
০২ নভেম্বর, ২০২৩
-
২৪ অগাস্ট, ২০২৩