এআই ব্যবহারে ডাটা পরীক্ষিত না হলে রোগীর ভয়াবহ ক্ষতি: ডব্লিউএইচও
মেডিভয়েস রিপোর্ট: স্বাস্থ্যক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (এআই) ব্যবহারে জনস্বাস্থ্যে ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
সম্প্রতি ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, যে ডেটা বা তথ্যাবলির ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেয় এআই, তার মধ্যে ভুলভ্রান্তি কিংবা পক্ষপাতিত্ব থাকতে পারে। তাই সেই সব ‘ডেটা ইনপুট’ নিয়ে সাবধান না হলে চিকিৎসা ক্ষেত্রে এআই ব্যবহারের ফল হবে মারাত্মক।
এআই নিয়ে সতর্ক করে সংস্থাটি বলছে, এআই ব্যবহারে ঝুঁকি আছে কি না, তা আগেই বুঝে নিতে হবে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের। যদি দেখা যায়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাতে কাজে লাগানো চ্যাট-জিপিটি, বার্ড, বার্ট-এর মতো নানা ধরনের ‘লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল (এলএলএম) টুল’-এর মাধ্যম আসলে চিকিৎসা ক্ষেত্রে মানবকল্যাণের পরিপন্থি, তবে তা কখনোই সমর্থনযোগ্য নয়। এই আধুনিক প্রযুক্তিকে হতে হবে সামাজিক কল্যাণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, দায়িত্বশীল, মানবিক, সুস্থ উন্নয়নের উপযোগী ও জনস্বাস্থ্যের অভিসারী।
এক বিবৃতিতে ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, কীভাবে চিকিৎসায় এআই ব্যবহার করা হচ্ছে তা বিচার-বিবেচনা করা অত্যন্ত জরুরি। তাদের বক্তব্য, যেকোনো নতুন প্রযুক্তি যেভাবে সাবধানে ব্যবহার করতে হয় তার ভালো-মন্দ বিচার করে, এআই-এর ক্ষেত্রেও তেমন সতর্কতা জরুরি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আরও জানিয়েছে, যেসব ডেটার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয় এআই, সেই সব ডেটা যেন নিরপেক্ষ, পরীক্ষিত ও স্বচ্ছ হয়, তার মধ্যে বিশ্বাসযোগ্যতায় যেন কোনো কমতি না থাকে। অন্যথায় হবে হিতে বিপরীত, যাতে রোগীর ভয়াবহ ক্ষতি হয়ে যাবে।
এএইচ
-
১৩ মে, ২০২৬
-
১২ মে, ২০২৬
-
২৫ এপ্রিল, ২০২৬
বিস্তার দেশের ৯১ শতাংশ জেলায়
হামের উচ্চঝুঁকিতে বাংলাদেশ: ডব্লিউএইচও
-
১০ এপ্রিল, ২০২৬
এফসিপিএসে নতুন নীতিমালা
‘মেধাক্রমের ভিত্তিতে ভাতা সীমাবদ্ধ হলে প্রশিক্ষণার্থীরা আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়বেন’