যক্ষ্মা নির্মূলে চিকিৎসকদের গবেষণায় আগ্রহী হতে হবে: আইসিডিডিআর’বি
মেডিভয়েস রিপোর্ট: দেশে যক্ষ্মা নির্মূলে চিকিৎসকদেরকে গবেষণায় আগ্রহী করে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর’বি) নির্বাহী পরিচালক ডা. তাহমিদ আহমেদ।
বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস উপলক্ষে আজ বুধবার (২২ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর হোটেল শেরাটনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।
ডা. তাহমিদ আহমেদ বলেন, ‘যক্ষ্মা নির্মূলে বাংলাদেশের আরও অনেক কিছু করতে হবে। এই রোগ নিয়ে গবেষণায় চিকিৎসকদের আগ্রহী করে তুলতে হবে। আমরা সবাই মিলে করোনাভাইরাস জয় করেছি। যক্ষ্মাও নির্মূল করতে হবে।’
রোগ শনাক্তের গুরুত্ব জানিয়ে ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ইউএসএআইডি) ড. সামিনা চৌধুরী বলেন, তিনি নিজেও ১৮ বছর বয়সে যক্ষ্মা আক্রান্ত হয়েছিলেন।
‘আমি সঠিক সময়ে শনাক্ত করতে পেরেছিলাম বলে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছি। এজন্য রোগটি শনাক্তে জোর দিতে হবে। যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে এসেছে, কিন্তু একে নির্মূল করতে হবে,’ যোগ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘দেশে যক্ষ্মা শনাক্তের হার প্রায় ৮০ শতাংশ, বাকিরা শনাক্তের বাইরে। এমনকি সচেতনতা ও যথাসময়ে চিকিৎসা গ্রহণের অভাবে প্রতিদিন দেশে প্রায় ১০০ জন যক্ষ্মা রোগীর মৃত্যু হচ্ছে।’
যক্ষ্মার ওষুধ এখন বাংলাদেশেই তৈরি হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘রোগী শনাক্তকরণ পরীক্ষা-নিরীক্ষা, রোগের চিকিৎসা এবং ওষুধসহ সবকিছু বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে। তবে সরকারের একার পক্ষে এই সংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।’
সবাই এগিয়ে এলে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যেই যক্ষ্মা নির্মূল সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি।
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ড. মু. আনোয়ার হাওলাদার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর ও পরিচালক অধ্যাপক ডা. শামিউল ইসলামসহ আরও অনেকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
-
০৬ মার্চ, ২০২৫
-
০৪ জুন, ২০২৪
-
০৬ জানুয়ারী, ২০২৪
-
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
-
২৭ অগাস্ট, ২০২৩
-
০৬ অগাস্ট, ২০২৩