মহান বিজয় দিবস আজ
মেডিভয়েস রিপোর্ট: শোষণ আর অত্যাচারের জাঁতাকলে নিষ্পেষিত বাঙালি স্বাধীন দেশে মুক্তির স্বাদ গ্রহণ করার ইচ্ছে ছিলো বহুদিনের। এই স্বপ্ন সত্যি করতে এক সাগর রক্ত ঢেলেছে। ৩০ লাখের বেশি প্রাণ আর লাখো লাখো মায়ের সম্ভ্রমের বিনিময়ে নিজেকে মুক্ত করেছে দীর্ঘকালের বঞ্চনা থেকে।
আজ থেকে ৫১ বছর আগে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের শেষে বাংলার শোষিত মানুষ পেয়েছিল মুক্তির স্বাদ, বিজয়ের আনন্দ। অবসান ঘটেছিল ২৪ বছরের পাকিস্তানি জান্তাদের শোষন ও শাসনের। আজ সেই মহান বিজয় দিবস। বাংলার মানুষের জীবনে এমন আবেগঘন দিন আর দ্বিতীয়টি নেই।
একাত্তরের এই দিনটিতে বাংলার আকাশে-বাতাসে ধ্বনিত হয় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালিকে ধাপে ধাপে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য তৈরি করেছিলেন। তার নেতৃত্বেই মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বাংলার আপামর জনসাধারণ। ছিনিয়ে এনেছিল বিজয়ের লাল-সবুজ পতাকা। ১৯৭১ সালের বিজয়ের দিনটির মতো আজও বাংলার আকাশে-বাতাসে ধ্বনিত হবে ‘জয় বাংলা’। সর্বত্র উড়বে বিজয়ের নিশান।
দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।
নয় মাস সশস্ত্র সংগ্রামের পর ১৯৭১’র এই দিনে ৯২ হাজার পাকিস্তানি সেনা ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) আত্মসমর্পণ করে। জন্ম নেয় স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। সেই বিজয়ের আনন্দে আজ বাংলার মানুষ ভাসবে। ঢাকায় প্রত্যুষে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হবে। লাখো মানুষের মিলনমেলা হবে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে।
সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর নেতৃত্বে উপস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিকরা, মুক্তিযুদ্ধে মিত্রবাহিনীর সদস্য হিসাবে অংশগ্রহণকারী আমন্ত্রিত ভারতীয় সেনাবাহিনীর সদস্যরা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের জনগণ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
এ ছাড়া সকাল সাড়ে ১০টায় তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে সম্মিলিত বাহিনীর বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান শুরু হয়। রাষ্ট্রপতি এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীও এ কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন।
আজ সরকারি ছুটির দিন। সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে এবং ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপগুলোকে জাতীয় পতাকা ও অন্যান্য পতাকায় সজ্জিত করা হয়েছে।
-
১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
-
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
-
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
-
১৮ ডিসেম্বর, ২০২৪
-
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪
বিজয় দিবস উদযাপন
বিএসএমএমইউতে রক্তদান ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
-
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪
-
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৩
-
১৬ ডিসেম্বর, ২০২২
-
১৬ ডিসেম্বর, ২০২২
-
১৩ ডিসেম্বর, ২০২২