গাইনোকোলজি-অবস্ট্রেটিক্যাল পদ সৃষ্টিতে প্রস্তাব করা হয়েছে: স্বাস্থ্য ডিজি
মেডিভয়েস রিপোর্ট: দেশের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নের যেসব সূচক রয়েছে তার মূল অবদান গাইনোকোলজিক্যাল অ্যান্ড অবস্ট্রেটিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশের (ওজিএসবি) বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম।
মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ওজিএসবির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সুবর্ণ জয়ন্তীর অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় স্বাস্থ্য সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে ওজিএসবি’র সহযোগিতা নেন। এ সংগঠনের সহযোগিতা ছাড়া মাতৃ মৃত্যুরোধ ও জন্ম নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। বিশেষ করে লেবার রুম প্রটোকল ও নিরাপদ প্রাতিষ্ঠানিক ডেলিভারি বৃদ্ধিতে আপনাদের সহযোগিতা লাগবেই।’
তিনি বলেন, স্বাস্থ্যখাতে ওজিএসবি’র সহযোগিতা ছাড়া কোনোভাবেই কোনো কাজ এগিয়ে নেওয়া যাবে না। এ দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতির জন্য সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছে।
ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, ‘গাইনোকোলজিস্টদের জন্য সব হাসপাতালে গাইনিকোলজি এবং অবস্ট্রেটিক্যাল পদ সৃষ্টির প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবটি এখন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে আছে। মন্ত্রণালয় কাজ করছে। আশা করছি ব্যাপক সংখ্যক নতুন পদ তৈরি হবে।’
‘মেডিকেল কলেজেও শিক্ষার্থী অনুপাতে গাইনোকোলজির পদ সৃষ্টির কাজ চলছে। এ ছাড়া সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি চিকিৎসকের পদোন্নতি আটকে আছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রতিবন্ধকতা দূর করে দিলে ডিসেম্বরের মধ্যে এ বিপুল সংখ্যা চিকিৎসককে পদোন্নতি দিতে পারবো’, যোগ করেন স্বাস্থ্যের ডিজি।
তিনি আরও বলেন, ‘সারা দেশে অবস্ট্রেটিক্যাল আইসিউ করার চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে বিশ্ব ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। এটি বাস্তবায়ন হলে মাতৃমৃত্যু কমানো বা রোধ করা সম্ভব হবে।’
এ সময় স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. এ কে এম আমিরুল মোরশেদ খসরু বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতে গাইনোকোলজিস্টরা মাতৃমৃত্যু কমানোর কারিগর।
স্বাস্থ্য শিক্ষার ডিজি বলেন, ‘মাতৃমৃত্যু কমানোর কারিগর গাইনোকোলজিস্টরা। তারা বিভিন্ন পদ্ধতিগুলো মায়েদের মাঝে ছড়িয়ে দেন। গাইনোকোলজিস্টদের চেম্বারে মিষ্টির নহর বয়ে যায়। যখন একটি সুন্দর ও সুস্থ শিশু জন্ম নেয়, তখন আত্মীয়-স্বজনরা খুশি হয়ে মিষ্টি নিয়ে আসেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দেশে গাইনোকোলজিস্টরা অনেক বেশি নিবেদিতপ্রাণ। এতো বেশি পরিশ্রম সম্ভবত অন্য কোনো সাবজেক্টের মানুষ করেন না। গাইনোকোলজিস্টরা দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করেন। তাদেরকে মানুষ রাত-বিরাতে জরুরি প্রয়োজনে ডাকেন। সিজার করতে ও প্রসবের সময় উপস্থিত থাকতে হয় তাদেরকে।’
অনুষ্ঠানের আয়োজকদের জন্য শুভ কামনা জানিয়ে ডা. এ কে এম আমিরুল মোরশেদ বলেন, ‘ওজিএসবি’র উত্তরোত্তর সম্মান বৃদ্ধি হোক। এ রকম আরও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে জনগণের সেবা করার আহ্বান জানান তিনি।
-
১৩ ঘন্টা আগে
-
১০ জুন, ২০২৬
-
০৯ জুন, ২০২৬
-
০৯ জুন, ২০২৬
-
০৮ জুন, ২০২৬
সাত কর্মদিবসের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাসে কর্মবিরতি প্রত্যাহার
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা নবম গ্রেডের বেসিক
-
০৬ জুন, ২০২৬
-
০৫ জুন, ২০২৬
-
০৪ জুন, ২০২৬