১০ অগাস্ট, ২০২২ ০১:৫৫ পিএম

২০৩০ সালের মধ্যে ম্যালেরিয়া নির্মূল আশাবাদী স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২০৩০ সালের মধ্যে ম্যালেরিয়া নির্মূল আশাবাদী স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আশা করছি ওই সময়ের আগেই আমরা সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো। ছবি: সংগৃহীত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: ২০৩০ সালে মধ্যে ম্যালেরিয়া নির্মূল করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। আজ বুধবার (১০ আগস্ট) হোটেল রেডিসনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘২০৩০ সালে মধ্যে ম্যালেরিয়া নির্মূলে যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে, আশা করছি ওই সময়ের আগেই আমরা সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো।’

জাহিদ মালেক বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে অনেক দূর এগিয়েছে।  আগে গ্রামে মানুষের অনেক অভাব ছিল। চিকিৎসার তেমন ভালো ব্যবস্থা ছিল না। বর্তমানে চিকিৎসা ব্যবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে। এখন প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানুষ চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে। যেসব অঞ্চলে ম্যালেরিয়ায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছে সেসব অঞ্চল চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, গত তিন বছরে ১৫ হাজার চিকিৎসক এবং ২০ হাজার নার্স নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়ছে। পাশাপাশি যারা সেবা দিচ্ছেন তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। যাতে করে তার সঠিক চিকিৎসা দিতে পারে রোগীদের।

তিনি বলেন, ২০১৪ সালে ৫৭ হাজার ম্যালেরিয়া রোগী ছিল। বর্তমানে পাঁচ থেকে ছয় হাজারে নেমে এসেছে। কিন্তু গত দুই বছর ধরে এ রোগে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। এ রোগে মৃত্যু বাড়ার কারণ হলো তারা দেরিতে চিকিৎসা নিয়েছে। করোনা পরিস্থিতির কারণে জ্বর হলে অনেকে হাসপাতালে যেতেন না। তাই মৃত্যুর হার বেড়ে গিয়েছে।

দেশে বর্তমানে ডেঙ্গু রোগী বাড়ছে তাই সবাইকে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  ঘটনা প্রবাহ : জাহিদ মালেক
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস

রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদানে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস

রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদানে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক