‘ভ্যাকসিনের দোকান খুলে বসে আছি, ক্রেতা নেই’
মেডিভয়েস রিপোর্ট: দেশের হাসপাতালগুলো মনিটরিংয়ের অভাবে রয়েছে বলে মনে করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।
আজ শনিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে মানিকগঞ্জে কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎকদের সার্জিক্যাল প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান।
জাহিদ মালেক বলেন, হাসপাতালগুলো মনিটরিংয়ের অভাবে দেশের মানুষ সঠিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সারাদেশে ১০ থেকে ২ হাজার বেডের যত হাসপাতাল রয়েছে এগুলো মনিটরিং করার জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে অনেক রোগী অর্থ ব্যয় করে বাইরের দেশে যান চিকিৎসা করাতে। একজন ভালো মানের ডাক্তার হতে গেলে প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। আমাদের দেশে সেবার জন্য অবকাঠামোর কোনো অভাব নেই। আমাদের প্রশিক্ষিত ডাক্তার, নার্স ও টেকনিশিয়ানের অভাব রয়েছে। এজন্য প্রশিক্ষণের ওপর আমরা জোর দিয়েছি। যাতে আমাদের ডাক্তার, নার্স ও টেকনিশিয়ান বিশ্বমানের হয়। আমাদের আর বাইরের দেশে গিয়ে চিকিৎসা নিতে না হয়।’
জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমরা বিনামূল্যে ভ্যাকসিনের দোকান খুলে বসে আছি, কিন্তু ক্রেতা নেই। বুস্টার ডোজ নিতে মানুষের আগ্রহ কম। এটা খুবই দুঃখজনক। মানুষের আগ্রহ তৈরি করতে নানা ধরনের প্রচারণা চালানো হচ্ছে। দেশে প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ ১৩ কোটি টিকা দিতে পারলেও বুস্টার ডোজ নিয়েছে মাত্র ৩ কোটি।’
তিনি বলেন, ‘করোনাকালে চিকিৎসাখাতে অনেক অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়েছিল। তখন দেশে অক্সিজেন কম থাকায় ভারত থেকে অক্সিজেন এনে মানুষের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দেশে দেড় থেকে দুইশো টন অক্সিজেন উৎপাদন হচ্ছে। অক্সিজেনের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যেই প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘করোনায় মৃত্যু হার শূন্যের কোটায় নেমে এসেছিল। কিন্তু বর্তমানে করোনা সংক্রমণের হার বাড়ার পাশাপাশি মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে। করোনায় যারা মারা গেছেন তাদের অধিকাংশ মানুষ ভ্যাকসিন গ্রহণ করেনি। যারা এখনো ভ্যাকসিন গ্রহণ করেননি তাদের দ্রুত ভ্যাকসিন নিতে হবে। কারণ ভ্যাকসিন নিলে আপনি যেমন সুরক্ষিত হবেন, পাশাপাশি আপনার পরিবার ও দেশ সুরক্ষিত হবে।’
-
১৬ মে, ২০২৬
-
২২ এপ্রিল, ২০২৬
-
০৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
ইশতেহারে ৩৭ দফা স্বাস্থ্য পরিকল্পনা ঘোষণা
স্বাস্থ্য বরাদ্দ তিনগুণ করবে জামায়াত, স্বাস্থ্যবীমা-হেলথ কার্ড চালুর অঙ্গীকার
-
১১ অগাস্ট, ২০২৫
-
০৫ জুলাই, ২০২৫
স্বাস্থ্যের সকল প্রকল্প মূল কার্যক্রমে নিয়ে আসার পরিকল্পনা
সেক্টর কর্মসূচি ছাড়াই স্বাস্থ্যের এক বছর, ২৫ হাজার কর্মীর চাকরি অনিশ্চয়তায়