২৭ মে, ২০২২ ০৩:৫৩ পিএম

সিলেটে প্রথম দুই জন্মবধির শিশুর সফল কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট সার্জারি সম্পন্ন

সিলেটে প্রথম দুই জন্মবধির শিশুর সফল কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট সার্জারি সম্পন্ন
কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট সার্জিকেল টিমের প্রধান নাক-কান-গলা ও হেড সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মনিলাল আইচ লিটুর সার্বিক তত্বাবধান অপারেশন দুটি সম্পন্ন হয়। ছবি: সংগৃহীত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: ঢাকার বাইরে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ (সিওমেক) হাসপাতালে প্রথমবারের মতো দুই জন্মবধির শিশুর কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট সার্জারি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

বুধবার (২৫ মে) ঢাকার ও ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক-কান-গলা ও হেড সার্জারি বিভাগের একদল দক্ষ সার্জন-চিকিৎসক দুটি টিমে ভাগ হয়ে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আদ্রিকা রায় কথা (৪) ও তাসফিয়া জান্নাত (২) নামের দুই জন্মবধির (প্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধী) শিশুর কানে কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট স্থাপন করেন। 

ওইদিন সকাল সাড়ে ৯টায় আদ্রিকা রায় কথার (৪) প্রথম অপারেশন এবং তাসফিয়া জান্নাতের (২) দুপুর আড়াইটার দিকে দ্বিতীয় অপারেশন শুরু হয়। প্রথম অপারেশন টিমের দায়িত্বে ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) নাক-কান-গলা ও হেড সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. কানু লাল সাহা ও দ্বিতীয় অপারেশন টিমের দায়িত্বে ছিলেন একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হারুনুর রশীদ তালুকদার ইয়ামিন।

কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট সার্জিকেল টিমের প্রধান নাক-কান-গলা ও হেড সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মনিলাল আইচ লিটুর সার্বিক তত্বাবধান অপারেশন দুটি সম্পন্ন হয়। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শুক্রবার (২৭ মে) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নাক-কান-গলা ও হেড সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. কানু লাল সাহা মেডিভয়েসকে বলেন, ‘আমার নেতৃত্বে প্রথম টিমের অপারেশন সম্পন্ন হয়। টিমের অন্য সদস্যরা হলেন- সিওমেক এর নাক-কান-গলা ও হেড সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. কৃষ্ণকান্ত ভৌমিক, ডা. আতিক চৌধুরী, ডা. তারিকুল ইসলাম ও ডা. অরূপ রাউৎ।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শুক্রবার (২৭ মে) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নাক-কান-গলা ও হেড সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হারুনুর রশীদ তালুকদার ইয়ামিন মেডিভয়েসকে বলেন, ‘আমার নেতৃত্বে দ্বিতীয় টিমের অপারেশন সম্পন্ন হয়। টিমের অন্য সদস্যরা হলেন- সিওমেক-এর সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. শাহ কামাল, ডা. মেশকাত রায়হান, ডা. মাছুম বিল্লাহ ও ডা. বিনয় সেন।’

অপারেশনের পর আপাতত কোনো জটিলতা দেখা যায়নি। বর্তমানে শিশু দুই জন সুস্থ রয়েছেন বলে জানান এই দুই চিকিৎসক। 

অপারেশন টিমে আরও সদস্য হিসেবে ছিলেন- সহযোগী অধ্যাপক ডা. ইমাদ হোসেন চৌধুরী, কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট কার্যক্রম কর্মসূচি পরিচালক ও সহকারি অধ্যাপক ডা. নূরুল হুদা নাঈম, সহকারী অধ্যাপক ডা. মুখলেছুর রহমান শামীম, সহকারী অধ্যাপক ডা. আব্দুল কাইয়ুম আনসারী, আবাসিক সার্জন ডা. এম. নূরুল ইসলাম, জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. দেবাশীষ বসু, রেজিস্ট্রার ডা. সুশান্ত সিংহ, রেজিস্ট্রার ডা. আব্দুল হাফিজ শাফী ও ডা. জহিরুল ইসলাম। 

অডিওলজিস্ট হিসেবে ছিলেন সহকারী অধ্যাপক শিবাজি (ভারত) ও আনোয়ার শাহাদাত। এনেস্থেশিওলজিস্ট'র দায়িত্ব পালন করেন ডা. ফুজায়েল আহমেদ, ডা.নিঝুম দাশ, ডা. রায়হান আহমেদ। এছাড়া আরও কর্তব্যরত নার্স ও স্টাফগণ উপস্থিত ছিলেন।

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
মাসুদ কামালের প্রতি ড্যাবের হুঁশিয়ারি

ক্ষমা না চাইলে আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে প্রস্তুতি নিন

সাত কর্মদিবসের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাসে কর্মবিরতি প্রত্যাহার

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা নবম গ্রেডের বেসিক

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক