নিওরোসার্জারির সেবা সহজলভ্যতায় কাজ করে যাবো: অধ্যাপক কনক কান্তি
মো. মনির উদ্দিন: সারাদেশের মানুষের জন্য নিওরোসার্জারির সেবা সহজলভ্য করতে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন স্বাধীনতা পুরস্কারজয়ী চিকিৎসক অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়া। তিনি বলেন, আমৃত্যু এ সেবা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
চিকিৎসা বিদ্যায় অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ আজ মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হওয়ার খবরে মেডিভয়েসের সঙ্গে অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
পুরস্কারে দায় বাড়বে জানিয়ে প্রখ্যাত নিওরোসার্জন বলেন, ‘আমি মনে করি, একজন নিওরোসার্জন হিসেবে রাখা অবদান এ পুরস্কার এনে দিয়েছে। দেশের মানুষ যাতে নিওরোসার্জারির সেবাটা সহজে পায় এবং সারাদেশের মানুষ যাতে সমানভাবে উপকৃত হয়, সেই লক্ষ্যে আমি কাজ করে যাবো। যত দিন পর্যন্ত জীবিত থাকি, তত দিন এ সেবা কার্যক্রম চলবে।’
‘আমি বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জন্সের (বিসিপিএস) প্রেসিডেন্ট ছিলাম। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) চেয়ারম্যান, ডিন এবং ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) ছিলাম। দেশের পোস্ট গ্রাজুয়েশন মেডিকেল শিক্ষার উন্নতির জন্য এবং দেশের মানুষ যাতে উপযুক্ত চিকিৎসা পায়, সেই লক্ষ্যে কাজ অব্যাহত থাকবে। চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে কাজ করে যাবো’, যোগ অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া।
অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে স্বাধীনতা পুরস্কারজয়ী এ চিকিৎসক বলেন, ‘সরকারের তরফ থেকে দেশের সর্বোচ্চ পুরস্কার আমাকে দেওয়া হয়েছে। এ পুরস্কারে ভূষিত হওয়া খুশির খবর। এটা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। আমাকে পুরস্কার প্রদানের উপযোগী মনে করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকারের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’
পুরস্কারে উচ্ছ্বসিত অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, ‘আমার কাছে মনে হচ্ছে, এই মণিহার আমায় নাহি সাজে। আমার কতটুকু অবদান আছে, জানি না। সরকার যেহেতু উপলব্ধি করে দিয়েছে, সেজন্য আবারও ধন্যবাদ ও কতৃজ্ঞতা জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে আমার সহকর্মী, যারা করোনায় আমাদেরকে ছেড়ে চলে গেছেন, এই দুর্যোগ-সংকটে আমাকে সাহায্য সহযোগিতা করেছেন এবং দেশের মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাজ করেছেন, এখনও করে যাচ্ছেন, সকল চিকিৎসকের প্রতি এই সুখকর সময়ে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।’
জীবদ্দশায় ও মরণোত্তর পুরস্কার প্রাপ্তির পার্থক্য তুলে ধরে বিএসএমএমইউর সাবেক ভিসি বলেন, দুটোই স্বীকৃতি। তবে জীবদ্দশায় পুরস্কৃত হলে মানুষ আরও উৎসাহিত বোধ করেন। দেশের প্রতি আরও যেটুকু করণীয়, তা মন-প্রাণ উজাড় করে কাজ করার ব্যাপারে আরও উদ্বুদ্ধ হোন। জীবদ্দশায় পুরস্কারপ্রাপ্তি নিজের সকল যোগ্যতা ঢেলে দিয়ে কাজ করার বিষয়ে তুমুল আগ্রহ জোগায়।
-
১৭ এপ্রিল, ২০২৬
-
০৫ মার্চ, ২০২৬
-
০৫ মার্চ, ২০২৬
-
০৫ মার্চ, ২০২৬
-
১৫ মার্চ, ২০২৪
-
২৩ মার্চ, ২০২৩
-
১৫ মার্চ, ২০২৩
-
০৯ মার্চ, ২০২৩