চলে গেলেন ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ মশিউর রহমান
মেডিভয়েস রিপোর্ট: জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের (এনআইসিআরএইচ) সহকারী অধ্যাপক ডা. মশিউর রহমান মোস্তাক আর নেই। বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতে দিল্লির রামগঙ্গা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন।
ডা. মশিউর রহমান মোস্তাক চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করেন। তিনি ছিলেন নব্বইয়ের দশকে চমেক ছাত্র সংসদের নির্বাচিত ভিপি।
ডা. মশিউর রহমান জার্মানি থেকে আধুনিক রেডিও থেরাপির উপর উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন।
দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন ও পরিচিতিজনদের সহায়তায় তাঁর লাশ দেশে আনার চেষ্টা চলছে।
মৃত্যুর খবর দিয়ে তাঁর ভাগনে দৈনিক প্রথম আলোর সাবেক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক শরিফুল হাসান ফেসবুকে নিজের টাইমলাইনে লেখেন, ‘আমার খুব পছন্দের মানুষদের একজন আমার মামা ক্যান্সার স্পেশালিস্ট ডাক্তার মশিউর রহমান মোস্তাক আর নেই। আমার মামা ভীষণ ভালো মানুষ ছিলেন। ছোটবেলায় যে মানুষগুলো আমাকে খুব প্রভাবিত করেছিলেন, তাঁদের মানবিক গুণ ও কাজ দিয়ে আমার মামা তাদের একজন। সরকারি ডাক্তার হিসেবে আমি তাঁকে সারাজীবন মানুষের সেবা করতে দেখেছি। নারায়ণগঞ্জে সরকারি হাসপাতালে পোস্টিংয়ের সময় আমি তাঁকে দেখেছি, কিভাবে তিনি রোগীদের সেবা করতেন। প্রায় বিনা মূল্যে রোগী দেখতে দেখেছি মামাকে। ক্যান্সার রোগীদের জন্য তাঁর বিশেষ মমতা ছিল। মামা ছোটবেলা থেকেই তিনি ডাক্তার হতে চেয়েছেন। তিনি চেয়েছিলেন, ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীরা যেন আধুনিক সব চিকিৎসা পান। ডাক্তারদের মানুষ কেন এখনো শ্রদ্ধা করে, সেটা আমি মামাকে দেখে বুঝেছি।’
ডা. মশিউর রহমানের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে হোমাটলজি বিশেষজ্ঞ ডা. গুলজার হোসেন উজ্জ্বল শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) রাতে এক ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘মশিউর ভাইও চলে গেলেন। মশিউর ভাই অনকোলজিতে আমার সাবেক কোর্সমেট। সাবেক হলেও আমাদের সম্পর্কটি বিদ্যমান ছিল। তিনি আমার খুব কাছের একান্ত স্বজন ছিলেন। আমরা একসাথে লাইব্রেরিতে পড়েছি। আমার দুঃসময়ে মশিউর ভাই ছিলেন আমার আশ্রয়। বিভিন্ন সময়ে আমার হতাশ মনে প্রবোধ দিয়েছেন। আমার মায়ের চিকিৎসক ছিলেন তিনি। মশিউর ভাই একজন নিপাট ভাল মানুষ ছিলেন। আমার দেখা একজন পরিণত স্বচ্ছ চিন্তার উদার মানুষ। তাঁর চলে যাওয়া এই সমাজের জন্য অনেক বড় ক্ষতি। আজকের রাতটা হঠাৎ প্রগাঢ় বিষণ্ণতায় ডুবে গেল।’
এই ক্যান্সার বিশেষজ্ঞের মৃত্যুতে মেডিভয়েস পরিবার গভীরভাবে শোকাহত।
-
১৯ মে, ২০২৬
-
০৪ মে, ২০২৬
-
২৯ এপ্রিল, ২০২৬
-
২০ এপ্রিল, ২০২৬
-
০৮ এপ্রিল, ২০২৬
-
২৬ মার্চ, ২০২৬