২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে মৃত্যু, শনাক্ত ৬৯৪
মেডিভয়েস রিপোর্ট: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৩ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৬১৪ জনে। এ সময় আরও ৬৯৪ জনের দেহে ভাইরাসটি শনাক্ত করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৮২১টি করোনা পরীক্ষাগারে ২৫ হাজার ৪২২টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে আগের কিছুসহ মোট ২৫ হাজার ৪৯৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৮ লাখ ৪৪ হাজার ৯৭১টি। পরীক্ষায় আরও ৬৯৪ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছেন। ফলে দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ লাখ ৫৯ হাজার ৪৫২ জনে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, একদিনে মৃত ২৩ জনের মধ্যে পুরুষ ১৫ জন ও নারী আটজন। তাঁদের মধ্যে ১৯ জন সরকারি এবং দুইজন বেসরকারি হাসপাতালে এবং দুইজন বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। মৃতদের মধ্যে এখন পর্যন্ত মোট ১৭ হাজার ৭১৫ জন পুরুষ (৬৪ দশমিক ১৫ ভাগ) ও নয় হাজার ৮৯৯ জন নারী (৩৫ দশমিক ৮৫ ভাগ) রয়েছেন।
এছাড়াও গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ৭০৮ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৫ লাখ ২০ হাজার ২৯৬ জনে।
গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার শতকরা দুই দশমিক ৭২ ভাগ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৮৪ ভাগ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৪৯ ভাগ। আর শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৭৭ ভাগ।
বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃতদের মধ্যে দশের কম একজন, দশোর্ধ্ব একজন, ত্রিশোর্ধ্ব দুইজন, চল্লিশোর্ধ্ব দুইজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব দুইজন এবং ষাটোর্ধ্ব ১৫ জন রয়েছেন। মৃতদের মধ্যে ঢাকায় সাতজন, চট্টগ্রামে পাঁচজন, রাজশাহীতে একজন,খুলনায় দুইজন, বরিশালে একজন, এবং ময়মনসিংহে একজন রয়েছেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ এর ডিসেম্বরে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস পৃথিবীজুড়ে মহামারীতে রূপ নেয়। বাংলাদেশে প্রথম করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়ে গত বছর ৮ মার্চ। এরপর একই বছরের ১৮ মার্চ দেশে করোনায় প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
-
০৮ জুলাই, ২০২৫
-
২৪ জুন, ২০২৫
-
২৩ জুন, ২০২৫
-
১৯ জুন, ২০২৫
-
১৮ জুন, ২০২৫
-
১৪ জুন, ২০২৪
-
০৭ জুন, ২০২৪
-
০৩ জুন, ২০২৪