১৯ জুন, ২০২১ ১১:০০ এএম

খুলনায় করোনা: শয্যার তুলনায় ৬ গুণ রোগী বেশি

খুলনায় করোনা: শয্যার তুলনায় ৬ গুণ রোগী বেশি
ছবি: সংগৃহীত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মারা গেছেন আটজন। নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ৩৩ জন। খুলনা বিভাগের মোট করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৩ হাজার ৬৪৪ জন। মারা গেছেন ৭৭৫ জন। সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন ৩৩ হাজার ৯৩৪ জন। খুলনা বিভাগে বর্তমানে করোনা রোগী রয়েছেন আট হাজার ৯৩৪ জন।

শুক্রবার (১৮ জুন) স্বাস্থ্য বিভাগের দেওয়া রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ‘খুলনা বিভাগের হাসপাতালগুলোতে করোনা রোগীদের জন্য শয্যা রয়েছে মাত্র এক হাজার ৪৩৭টি। এর মধ্যে জেলা সদর হাসপাতালে ৯৩৭টি এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে রয়েছে ৫০০টি শয্যা। হিসাব করে দেখা যায়, বর্তমানে একটি শয্যার বিপরীতে বিভাগে রোগী রয়েছে ৬.২১ জন। অর্থাৎ শয্যার তুলনায় রোগীর সংখ্যা ৬ গুণ বেশি। যদিও এসব রোগীর বেশিরভাগই বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবু হাসপাতালের ওপর চাপ ক্রমেই বাড়ছে। কারণ বিভাগে প্রতিদিনই আক্রান্তের নতুন রেকর্ড হচ্ছে।’

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান করোনা সক্রিয় রোগীর মধ্যে খুলনা জেলায় ২৩৫২, বাগেরহাট জেলায় ৭৫০ জন, সাতক্ষীরা জেলায় ৮৬৮ জন, যশোর জেলায় ২৪০২ জন, নড়াইল জেলায় ৩৩৩ জন, মাগুরা জেলায় ১৩১ জন, ঝিনাইদহ জেলায় ৩৬৩ জন, কুষ্টিয়া জেলায় ৯৬৫ জন, চুয়াডাঙ্গা জেলায় ৪৫০ জন ও মেহেরপুর জেলায় ৩২১ জন রয়েছেন। এর মধ্যে জেলা সদরের হাসপাতালগুলোর ৯৩৭টি শয্যার ৪৭৫ টিতে রোগী ভর্তি রয়েছেন। বাকি ৪৬২টি শয্যা খালি পড়ে আছে। আর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোর ৫০০ শয্যায় রোগীর তেমন চাপ নেই।

জেলা সদরের হাসপাতালগুলোর মধ্যে খুলনা জেলার ১৩০ শয্যায় ১৬৮, বাগেরহাট জেলায় ২০ শয্যায় ২০, চুয়াডাঙ্গা জেলার ১৫০ শয্যায় ৪০, যশোরের ১১১ শয্যায় ৫১, ঝিনাইদহের ৫০ শয্যায় ২১, কুষ্টিয়ার ৭০ শয্যায় ১০২, মাগুরার ৫০ শয্যায় ৭, মেহেরপুরের ৫২ শয্যায় ২৪, নড়াইলের ১২০ শয্যায় ২১, সাতক্ষীরার ১৮৪ শয্যায় ২১ জন রোগী ভর্তি আছেন।

এছাড়া বিভাগের ১০ জেলার ৫০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা রোগীদের জন্য ১০টি করে ৫০০টি শয্যা রয়েছে। কিন্তু সেখানে রোগীর চাপ নেই তেমন। রোগীর বেশি চাপ রয়েছে খুলনায়।

চুয়াডাঙ্গা জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ এ. এস. এম. মারুফ হাসান মেডিভয়েসকে বলেন, এখন করোনা সংক্রমণ মোটামুটি বেশিই। চুয়াডাঙ্গার দুটি উপজেলায় সংক্রমণ বেশি। সেই দুই উপজেলায় লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। হাসপাতালে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের ব্যবস্থা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘জনসাধারণকে সচেতন ও স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য নিয়মিত মাইকিং, লিপলেট ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে মিটিং করা হচ্ছে। করোনা রোধে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে।’

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
এনডিএফের কর্মশালায় বিশেষজ্ঞদের মত

দুর্নীতির লাগাম না টানলে বড় বরাদ্দেও সুফল মিলবে না

এনডিএফের কর্মশালায় বিশেষজ্ঞদের মত

দুর্নীতির লাগাম না টানলে বড় বরাদ্দেও সুফল মিলবে না

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক