২৮ এপ্রিল, ২০২১ ০৫:১৬ পিএম

দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ফাইল ছবি

মেডিভয়েস রিপোর্ট:  করোনাভাইরাস রাতারাতি দেশ থেকে চলে যাবে না তবে দেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে এবং জনসচেতনতার মাধ্যমে এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

আজ বুধবার (২৮ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় রাজধানীর মহাখালীর জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য ১০ শয্যার নিবিড়ি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রসহ (আইসিইউ) ১৫০ শয্যার কোভিড-১৯ ইউনিটের উদ্বোধন কালে তিনি এসব কথা বলেন। 

মন্ত্রী বলেন, ‘করোনাভাইরাস রাতারাতি দেশ থেকে চলে যাবে না। তবে করোনাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। উন্নত বিশ্বের অনেক দেশ করোনা নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হয়েছে। আমাদের দেশেও করোনা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আছে। জনসচেতনতার মাধ্যমে এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। তবে বেপরোয়াভাবে চললে দেশে করোনার সংক্রমণ আবারও বাড়ার সম্ভাবনা আছে।’

তিনি আরও বলেন,  ‘গত কয়েকদিন যাবৎ রোগী কমে আসছে। ঢাকা শহরের সরকারি-বেসরকারি সব হাসপাতাল মিলে প্রায় অর্ধেক বেড এখন খালি আছে। অর্থাৎ রোগীর সংখ্যা কমে গেছে। এর পেছনে অনেক কিছু কাজ করেছে। জনগণের সচেতনতা কাজ করেছে, লোকে এখন মাস্ক বেশি পরে। পাশাপাশি লকডাউনের কারণে যাতায়াত কম হচ্ছে, সবমিলিয়ে সংক্রমণ কমেছে। কিন্তু, বাড়তে সময় লাগে না। আবার আমরা যদি বেপযোয়াবাবে চলি, আমরা যদি সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখি, মাস্ক না পরি, তাহলে আবারও এটা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

ভ্যাকসিনের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ভ্যাকসিন পেতে আমরা ইতোমধ্যে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। চীনের সঙ্গেও আমরা চিঠি আদান-প্রদান করেছি। অল্প সয়েশর মধ্যেই চীনের সিনোফার্মের সঙ্গেও আমরা হয়তোবা চুক্তিবদ্ধ হতে পারব। এখনো আমরা সেই পর্যায়ে পৌঁছাইনি। আশা করছি অল্প সময়ে পৌঁছাব। ভারতের সঙ্গেও আমাদের কথা-বার্তা চলছে, যাতে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন আমরা যত তাড়াতাড়ি পাই। সেই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তাগিদ দিচ্ছেন, বেক্সিমকো তাগিদ দিচ্ছে, আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও যতটুকু তাগিদ দেওয়া সম্ভব, আমরা সেটা দিয়ে যাচ্ছি।’

‘দেশে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দিতে সরকার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ১৫৯ শয্যার করোনা ইউনিট চালু করা হয়েছে। এভাবে দেশের প্রতিটি হাসপাতালে করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য আলাদা ইউনিট চালু করা হচ্ছে’, যোগ করেন জাহিদ মালেক।

ভার্চুয়াল এ অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিতি ছিলেন স্বাস্থ্যসচিব লোকমান হোসেন মিয়া, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. সাইদুল ইসলাম প্রমুখ।

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক