১৩ অগাস্ট, ২০২০ ১২:৩৫ পিএম

দ্বিতীয় দিনে দুদকের মুখোমুখি স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজি

দ্বিতীয় দিনে দুদকের মুখোমুখি স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজি

মেডিভয়েস রিপোর্ট: করোনাকালে মাস্ক, পিপিইসহ অন্যান্য স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী কেনায় দুর্নীতির অনুসন্ধানে দ্বিতীয় দিনের মতো দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মুখোমুখি হয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ।

আজ বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ১০টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে উপস্থিত হন তিনি।

সূত্রে জানা গেছে, তাকে করোনা চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ে রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদফতরের চুক্তিসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির ব্যাপারে দুদক কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসাবাদ করবেন।

এর আগে গতকাল (বুধবার) তিনি প্রথমদিনের মতো দুদকের তলবে হাজির হন। দুদক কর্মকর্তাদের টানা পাঁচঘন্টাব্যাপী জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বাইরে বেরিয়ে এসে তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে একটি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এ সময় তিনি নিজেকে দক্ষ ও সৎ সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দাবি করে কোনো প্রকার দুর্নীতির সাথে জড়িত নন বলে জানান। দুর্নীতির সাথে যারা জড়িত তাদের শাস্তি হওয়া উচিত এবং এ ব্যাপারে তিনি দুদককে সর্বাত্মক সহায়তা করবেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ‘আমি কোনো দুর্নীতি করিনি। আমি সৎ, দক্ষ ও সজ্জন হিসেবে কাজ করেছি। দুর্নীতি যেই করুক আমি তার শাস্তি চাই, দুদককে আমি সহযোগিতা করব। যেহেতু আমার সময়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে তাই আমি পদত্যাগ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছি। একটি মহল আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছে। আমি সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করেই নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করব।’

প্রসঙ্গত, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পরস্পর যোগসাজশে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে করোনাকালে নিম্নমানের মাস্ক, পিপিই ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সরঞ্জাম কিনে বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহ করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে কমিশনের কাছে। এসব আর্থিক অনিয়ম, রিজেন্ট ও জেকেজি কেলেঙ্কারির সমালোচনার মুখে গত ২১ জুলাই পদত্যাগ করেন অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ।  

এসব অভিযোগ অনুসন্ধানে গত ১৫ জুন দুদক কর্মকর্তা জয়নুল আবেদীন শিবলীকে প্রধান করে চার সদস্যের এ অনুসন্ধান টিম গঠন করে কমিশন।

  ঘটনা প্রবাহ : করোনাভাইরাস
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি