২৫ অগাস্ট, ২০২৬ ০৫:২৩ পিএম

প্যালিয়েটিভ কেয়ার: গুরুতর অসুস্থতায় স্বস্তির পরশ 

প্যালিয়েটিভ কেয়ার: গুরুতর অসুস্থতায় স্বস্তির পরশ 
ছবি: সংগৃহীত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: জীবন যখন কোনো গুরুতর বা জীবন-সীমিত অসুস্থতার কাছে ধীরে ধীরে অসহায় হয়ে পড়ে, তখন চিকিৎসার লক্ষ্য শুধু সারিয়ে তোলা নয়, বরং রোগীর প্রতিটি দিনকে একটু বেশি স্বস্তিদায়ক করে তোলাও জরুরি। তীব্র ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, অনিদ্রা কিংবা মানসিক অস্থিরতার সঙ্গে লড়াই করা একজন মানুষের পাশে তখন প্রয়োজন এমন এক চিকিৎসাব্যবস্থা, যেখানে চিকিৎসার পাশাপাশি গুরুত্ব পায় মানুষটির অনুভূতি, মর্যাদা ও স্বস্তি।

এমনই এক মানবিক চিকিৎসাসেবার নাম প্যালিয়েটিভ কেয়ার। রোগমুক্তির নিশ্চয়তা না থাকলেও হাজারও কষ্টের মধ্যে রোগীর জীবনকে স্বস্তিদায়ক রাখার প্রচেষ্টাই প্যালিয়েটিভ কেয়ারের অন্যতম লক্ষ্য।

প্যালিয়েটিভ কেয়ার কী? 

প্যালিয়েটিভ অর্থ প্রশমন এবং কেয়ার অর্থ যত্ন, প্যালিয়েটিভ কেয়ার অর্থ যত্নের মাধ্যমে প্রশমিত করা। সহজ ভাষায়, প্যালিয়েটিভ কেয়ার হলো গুরুতর অসুস্থতার মধ্যেও রোগীকে যতটা সম্ভব ভালোভাবে, কম কষ্টে এবং মর্যাদার সঙ্গে বাঁচতে সাহায্য করার চিকিৎসা। এটি শুধু জীবনের শেষ কয়েক দিনের চিকিৎসা নয়। কোনো রোগীর গুরুতর বা জীবন-সীমিত অসুস্থতা শনাক্ত হওয়ার পর থেকেই প্রয়োজন অনুযায়ী প্যালিয়েটিভ কেয়ার শুরু করা যেতে পারে।

প্যালিয়েটিভ কেয়ারে রোগীর শুধু শারীরিক সমস্যা নয়, তার মানসিক, সামাজিক ও আধ্যাত্মিক প্রয়োজনকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) প্যালিয়েটিভ কেয়ারকে এমন একটি চিকিৎসাপদ্ধতি হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছে, যা মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অসুস্থতার কারণে রোগী ও তার পরিবার যে শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক সমস্যার মুখোমুখি হয়, তা দ্রুত শনাক্ত, মূল্যায়ন ও যথাযথভাবে চিকিৎসার মাধ্যমে কষ্ট কমিয়ে রোগী ও পরিবারের জীবনমান উন্নত করে। 

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে, প্রতি বছর আনুমানিক ছয় লাখ মানুষ জীবনের কোনো না কোনো সময়ে প্যালিয়েটিভ কেয়ারের প্রয়োজন অনুভব করেন। শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রেও চিত্রটি উদ্বেগজনক, প্রতি বছর প্রায় ২ লাখ ২২ হাজার শিশু ও কিশোর প্যালিয়েটিভ সেবার প্রয়োজনীয়তার মধ্যে পড়ে।

তাই এই ব্যবস্থাপনা শুধু চিকিৎসা নয়, বরং যত্ন, সহানুভূতি ও মর্যাদার মাধ্যমে জীবনের মানোন্নয়নের এক মানবিক ও সামাজিক অঙ্গীকার।

প্যালিয়েটিভ কেয়ার সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

প্যালিয়েটিভ কেয়ার মানে ‘আর কোনো চিকিৎসা নেই’—এমন নয়। বরং এর অর্থ হলো রোগের চিকিৎসার পাশাপাশি রোগীর কষ্টের চিকিৎসাও জরুরি। একজন রোগী হয়তো পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবেন না। কিন্তু তার ব্যথা কমানো যেতে পারে, শ্বাসকষ্ট নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে, উদ্বেগ কমানো যেতে পারে, পরিবারের সদস্যদের সহায়তা করা যেতে পারে এবং জীবনের শেষ সময়টুকু আরও স্বস্তিদায়ক ও মর্যাদাপূর্ণ করা যেতে পারে।

প্যালিয়েটিভ কেয়ারের সেবাসমূহ

প্যালিয়েটিভ কেয়ার রোগীর ব্যক্তিগত প্রয়োজন অনুযায়ী দেওয়া হয়। তাই সেবার ধরন রোগী ভেদে ভিন্ন হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে—

বাড়িতে যত্নের ব্যবস্থা

যেসব রোগীর দীর্ঘমেয়াদি (ক্যান্সার, ডিমেনশিয়া, স্নায়ুরোগ) যত্ন প্রয়োজন, তাদের বাড়িতে পরিচর্যার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, উপকরণ ও ব্যবহারিক সহায়তার নিশ্চিতে সাহায্য করা হয়।

পরিবারকে সহায়তা

গুরুতর অসুস্থতার সময়ে পরিবারকে অনেক কঠিন ও সংবেদনশীল সিদ্ধান্ত নিতে হয়। রোগী, পরিবার ও চিকিৎসকদের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা প্যালিয়েটিভ কেয়ারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সামাজিক ও আর্থিক সহায়তা

দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতায় পরিবারের ওপর আর্থিক ও সামাজিক চাপ তৈরি হতে পারে। প্রয়োজন অনুযায়ী, রোগী ও পরিবারকে বিভিন্ন সামাজিক, গৃহসহায়তা ও আর্থিক সহায়তা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করা যেতে পারে।

সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক সহায়তা

রোগীর নিজস্ব বিশ্বাস, সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ও ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক প্রয়োজনকে সম্মান করা হয়। জীবনের অর্থ, মৃত্যু, ভয়, আশা বা উদ্বেগ নিয়ে রোগীর প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা প্রদান করাও অনেক ক্ষেত্রে জরুরি হয়ে পড়ে।

মানসিক সহায়তা ও কাউন্সেলিং

গুরুতর রোগের সঙ্গে বসবাস করতে গিয়ে রোগীর উদ্বেগ, বিষণ্নতা, ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে। একইভাবে পরিবারের সদস্যরাও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হতে পারেন। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী কাউন্সেলিং ও মানসিক সহায়তা দেওয়া হয়।

শোক মোকাবিলায় সহায়তা

রোগীর মৃত্যুর পর পরিবারের সদস্যদের শোক ও মানসিক কষ্ট মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়াও প্যালিয়েটিভ কেয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

যাদের জন্য প্যালিয়েটিভ কেয়ার

প্যালিয়েটিভ কেয়ার যেকোনো বয়সের গুরুতর ও জীবন-সীমিত রোগে আক্রান্ত মানুষের জন্য প্রযোজ্য। শুধু ক্যান্সার নয়, বিভিন্ন গুরুতর রোগে প্যালিয়েটিভ কেয়ারের প্রয়োজন হতে পারে। যেমন—ক্যান্সার, মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস (দীর্ঘস্থায়ী স্নায়ুর রোগ), পারকিনসন রোগ, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, গুরুতর স্নায়বিক রোগ, ডিমেনশিয়া, জন্মগত জটিলতা বা ত্রুটি, ওষুধ-প্রতিরোধী যক্ষ্মা, এইডস, গুরুতর ডায়াবেটিস, শেষ পর্যায়ের কিডনি রোগ, গুরুতর ফুসফুস রোগসহ জীবন সংকটাপন্ন করে তোলা মারাত্মক অসুস্থতা শনাক্ত হওয়ার পরপরই প্যালিয়েটিভ কেয়ার শুরু করা উপকারী হতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, প্যালিয়েটিভ কেয়ার চিকিৎসার বিকল্প নয়। প্রয়োজনে কেমোথেরাপি, অস্ত্রোপচার, ডায়ালাইসিস বা অন্যান্য রোগ-নির্দিষ্ট চিকিৎসার পাশাপাশি এই কেয়ার দেওয়া যেতে পারে।

শুধু রোগী নয়, পরিবারের যত্নও দরকার

গুরুতর অসুস্থতা একটি পরিবারের ওপরও বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। রোগীর যত্ন নিতে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা শারীরিকভাবে ক্লান্ত, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত এবং আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। তাই প্যালিয়েটিভ কেয়ারকে পরিবারকেন্দ্রিক চিকিৎসা ব্যবস্থাও বলা হয়। সুতরাং রোগীর পাশাপাশি যারা নিয়মিত যত্ন নেন, তাদের প্রয়োজন ও কষ্টও বিবেচনায় নেওয়া হয়।

পেশাদার বা প্রাতিষ্ঠানিক যত্নদাতা

এরা প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী বা পেশাজীবী, যারা কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সেবা ব্যবস্থার মাধ্যমে রোগীর যত্ন প্রদান করেন। যেমন—চিকিৎসক, নার্স, প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক।

অনানুষ্ঠানিক যত্নদাতা

রোগীর সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে এবং যারা নিজেদের উদ্যোগে রোগীর যত্ন নেন, তারা অনানুষ্ঠানিক যত্নদাতা। যেমন—স্বামী বা স্ত্রী, সন্তান বা অন্যান্য আত্মীয়, বন্ধু, প্রতিবেশী।

প্যালিয়েটিভ কেয়ার টিমে যারা থাকেন

প্যালিয়েটিভ কেয়ার কোনো একক চিকিৎসকের কাজ নয়। এটি একটি বহুবিষয়ভিত্তিক বা মাল্টিডিসিপ্লিনারি কেয়ার সিস্টেম। রোগীর প্রয়োজন অনুযায়ী টিমে থাকতে পারেন—চিকিৎসক, নার্স, সমাজকর্মী, ফিজিওথেরাপিস্ট, অকুপেশনাল থেরাপিস্ট, স্পিচ থেরাপিস্ট, মনোবিজ্ঞানী, প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক। প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য বিশেষজ্ঞও এই টিমের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন।

বাড়িতে প্যালিয়েটিভ কেয়ার নিতে যা প্রয়োজন:  কোনো রোগী যদি বাড়িতে প্যালিয়েটিভ কেয়ার নিতে চান, তাহলে কয়েকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ—
•    রোগীর রোগের ধরন ও প্রয়োজনীয় যত্নের মাত্রা 
•    পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতা 
•    প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ওষুধের প্রাপ্যতা 
•    প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীর সহায়তা 
•    রোগীর শারীরিক যত্নের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ 
•    জরুরি পরিস্থিতিতে হাসপাতালে যাওয়ার সুযোগ 

অর্থাৎ শুধু রোগীর ইচ্ছা নয়, রোগীর প্রয়োজন এবং পরিবারের সক্ষমতার সমন্বয়ও গুরুত্বপূর্ণ।

দেশে কেন প্যালিয়েটিভ কেয়ার খুবই গুরুত্বপূর্ণ

গড় আয়ু বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে ক্যান্সার ও অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতার রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। একই সঙ্গে গুরুতর রোগের কারণে দীর্ঘদিন ধরে ব্যথা ও অন্যান্য উপসর্গ নিয়ে বসবাস করা অনেক রোগীর জন্য একটি বাস্তবতা। কিন্তু প্যালিয়েটিভ কেয়ার সম্পর্কে রোগী ও পরিবারের সদস্যরা যথেষ্ট সচেতন নন। অনেক পরিবার মনে করে, প্যালিয়েটিভ কেয়ার মানে আর কোনো চিকিৎসা নেই। ফলে প্রয়োজনীয় সিম্পটম কন্ট্রোল এবং সাপোর্টিভ কেয়ার অনেক সময় দেরিতে শুরু হয়।

এ কারণে চিকিৎসক, নার্স, রোগী ও পরিবারের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও প্যালিয়েটিভ কেয়ার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।

দেশে প্যালিয়েটিভ কেয়ারের চ্যালেঞ্জসমূহ

বিশিষ্ট প্যালিয়েটিভ কেয়ার বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) প্যালিয়েটিভ মেডিসিন বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. নিজাম উদ্দিন আহমদের মতে, বাংলাদেশে পলিয়েটিভ কেয়ার চিকিৎসায় চারটি প্রধান চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এগুলো হলো—জনসচেতনতার অভাব, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের অভাব, গবেষণার অভাব এবং রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্যনীতিতে প্যালিয়েটিভ কেয়ার অন্তর্ভুক্ত না থাকা। 

এ ছাড়া প্যালিয়েটিভ কেয়ার চিকিৎসা নিয়ে বাজেটে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ না থাকাও অন্যতম চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন।

প্যালিয়েটিভ কেয়ারের কেন্দ্রসমূহ

বাংলাদেশে প্যালিয়েটিভ কেয়ার এখনো তুলনামূলকভাবে সীমিত এবং বিশেষায়িত সেবাগুলো মূলত ঢাকাকেন্দ্রিক। দেশের বিশেষায়িত প্যালিয়েটিভ কেয়ার সেবার বড় অংশ ঢাকায় কেন্দ্রীভূত; ঢাকার বাইরে কিছু সীমিত সেবা আছে। 

সেন্টার ফর প্যালিয়েটিভ কেয়ার, বিএমইউ

ঢাকায় উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কেন্দ্র হলো—বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) প্যালিয়েটিভ মেডিসিন বিভাগের অধীনে সেন্টার ফর প্যালিয়েটিভ কেয়ার, বিএমইউ। এখানে আউটডোর, ইনডোর ও কমিউনিটি-ভিত্তিক সেবা দেওয়া হয়। বহির্বিভাগের রুম ৫১১-এ ওপিডি সেবা পাওয়া যায়।  

প্যালিয়েটিভ কেয়ার সোসাইটি অব বাংলাদেশ 

একটি দাতব্য, অলাভজনক ও অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। এটি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান। এর মূল লক্ষ্য হলো, বাংলাদেশজুড়ে প্যালিয়েটিভ কেয়ার গড়ে তোলা এবং গুরুতর ও জীবনসীমিত করা রোগে আক্রান্ত রোগী ও তাঁদের পরিবারের শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও আধ্যাত্মিক ভোগান্তি কমানো। ঢাকার মহাখালীতে তাদের অফিস রয়েছে। 

এছাড়া শান্তি অনকোলজি ও প্যালিয়েটিভ কেয়ার ইউনিট, আশিক অনকোলজি ও প্যালিয়েটিভ কেয়ার সেন্টার, বাংলাদেশ ক্যান্সার ও প্যালিয়েটিভ কেয়ার সেন্টারেও প্যালিয়েটিভ সেবা পাওয়া যায়। 

ঢাকার বাইরে চট্টগ্রামে কিছু হাসপাতাল ও প্রতিষ্ঠানে প্যালিয়েটিভ/সাপোর্টিভ কেয়ার পাওয়া যায়। যেমন এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামের ক্যান্সার কেয়ার সেন্টার এবং প্যালিয়েটিভ কেয়ার বিভাগ রয়েছে।

প্যালিয়েটিভ কেয়ার শুধু রোগের চিকিৎসা নয়, এটি কষ্টের সময়ে রোগী ও পরিবারের পাশে থাকার মানবিক অঙ্গীকার। সব রোগ সারানো সম্ভব না হলেও ব্যথা কমানো, স্বস্তি নিশ্চিত করা এবং রোগীর মর্যাদা অটুট রাখা সম্ভব। তাই শুধু জীবনের দৈর্ঘ্য নয়, জীবনের মানও গুরুত্বপূর্ণ—আর সেখানেই প্যালিয়েটিভ কেয়ারের সার্থকতা।

এইউ/এমইউ

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত