‘সর্বনিম্ন দাম নয়, রোগীর সামর্থ্যের মধ্যে টেকসই মূল্য নির্ধারণ জরুরি’
মেডিভয়েস রিপোর্ট: ওষুধের দাম সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখাই ওষুধনীতির একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়, বরং রোগীর সামর্থ্যের মধ্যে প্রয়োজনীয় ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মানসম্মত ওষুধের উৎপাদন ও সরবরাহ টেকসই রাখার মতো মূল্য নির্ধারণ প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেছেন, বিজ্ঞানভিত্তিক অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা প্রণয়ন, স্বচ্ছ ও পূর্বানুমানযোগ্য মূল্য নির্ধারণ, নিয়মিত মূল্য পর্যালোচনা, নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ এবং রোগীর আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাবলিক ইন্টিগ্রিটি নেটওয়ার্ক ফর এভিডেন্স অ্যান্ড ট্রান্সপারেন্সি (পাইনেট) আয়োজিত ‘রোগীর নাগালে ওষুধ, উৎপাদকের টেকসইতা: ভারসাম্যপূর্ণ ওষুধনীতির সন্ধানে’ শীর্ষক জাতীয় নীতি সংলাপে এসব কথা বলেন বক্তারা।
রোগীর সাশ্রয় ও শিল্পের স্থায়ীত্ব পরস্পরবিরোধী নয়
সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ও অ্যালায়েন্স ফর হেলথ রিফর্মস বাংলাদেশের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ।
তিনি বলেন, রোগীর জন্য ওষুধ সাশ্রয়ী রাখা এবং ওষুধশিল্পের টেকসইতা নিশ্চিত করা পরস্পরবিরোধী লক্ষ্য নয়, বরং একই জনস্বাস্থ্যনীতির দুটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য।
অধ্যাপক হামিদ বলেন, ‘ওষুধনীতির লক্ষ্য সর্বনিম্ন সম্ভাব্য মূল্য নির্ধারণ নয়; লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন একটি টেকসই মূল্য, যা রোগী বহন করতে পারেন এবং উৎপাদকও টেকসইভাবে মানসম্মত ওষুধ উৎপাদন করতে পারেন।’
অত্যাবশ্যকীয় ১১৭ ওষুধের মূল্য পুনর্নির্ধারণে জটিলতা
মূল প্রবন্ধে বলা হয়, বাংলাদেশে ১৯৯৪ সাল থেকে তালিকাভুক্ত ১১৭টি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণে মূলত ব্যয়ভিত্তিক মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। নিয়মিত মূল্য সমন্বয় না হওয়া এবং ২০২২ সালের পর এসব ওষুধের মূল্য পুনর্নির্ধারণ না করায় কাঁচামাল, জ্বালানি, শ্রম, প্যাকেজিং, পরিবহন ও বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারের পরিবর্তনের সঙ্গে উৎপাদন ব্যয়ের ব্যবধান বেড়েছে। ফলে কমমূল্যের কিছু প্রয়োজনীয় ওষুধের উৎপাদন ও সরবরাহ টেকসই রাখা কঠিন হয়ে পড়তে পারে বলে প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়।
এতে আরও বলা হয়, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ২৯৫টিতে উন্নীত করে নতুন মূল্য কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে আগস্টে তা বাস্তবায়নের আগেই বাতিল করা হয়। অধ্যাপক হামিদ বলেন, এই পরিস্থিতিকে নীতিগত অনিশ্চয়তার কারণ না বানিয়ে অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আরও বাস্তবসম্মত ও তথ্যপ্রমাণভিত্তিক ওষুধনীতি প্রণয়ন করা উচিত।
দাম কমের সঙ্গে জরুরি ওষুধের প্রাপ্যতা
তিনি বলেন, ওষুধে কার্যকর প্রবেশাধিকার শুধু কম দামের বিষয় নয়। এর সঙ্গে ওষুধের প্রাপ্যতা, ক্রয়ক্ষমতা, সহজলভ্যতা, গুণগত মান এবং যথাযথ ব্যবহারের বিষয় জড়িত। তাই শুধু দাম কমালেই চিকিৎসা সাশ্রয়ী হবে না। অযৌক্তিক ওষুধ ব্যবহার, প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ বিক্রি, সরকারি প্রতিষ্ঠানে ওষুধের ঘাটতি এবং রোগীর দুর্বল আর্থিক সুরক্ষার বিষয়গুলোও সমাধান করতে হবে।
ওষুধশিল্প বাংলাদেশের অর্জন গুরুত্বপূর্ণ
জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান বাংলাদেশের ওষুধশিল্পকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সমপর্যায়ের আর্থসামাজিক পরিস্থিতি থাকা সত্ত্বেও অনেক দেশ বাংলাদেশের মতো শক্তিশালী ওষুধশিল্প গড়ে তুলতে পারেনি।
শ্রীলঙ্কার উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, একই ধরনের পরিস্থিতি থাকা সত্ত্বেও দেশটি শক্তিশালী ওষুধশিল্প গড়ে তুলতে পারেনি। তাই বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের এ অর্জনের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ধন্যবাদ ও উৎসাহ পাওয়ার যোগ্য।
অত্যাবশ্যকীয় ওষুধে সরকারের দায়বদ্ধতা রয়েছে
অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের ধারণা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি শুধু চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিষয় নয়, এর সঙ্গে সামাজিক ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতাও জড়িত। সরকারের দায়িত্ব হলো প্রয়োজনীয় ওষুধ জনগণের জন্য সহজলভ্য ও ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখা পাশাপাশি রাষ্ট্রের স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও সরকারি সেবার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ওষুধ জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা থাকতে হবে।
প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে সরকারি দায়িত্ব ও নাগরিকের অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব মন্তব্য করে ডা. এ কে আজাদ খান বলেন, এ ব্যবস্থা কার্যকর হলে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার জন্য প্রয়োজনীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ সরবরাহও সরকারের দায়িত্বের মধ্যে পড়বে।
জীবনরক্ষাকারী ওষুধ সহজলভ্য করার আহ্বান
এ সময় ইনসুলিনের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, টাইপ-১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তি ইনসুলিন ছাড়া বেঁচে থাকতে পারেন না। তাই জীবনরক্ষাকারী প্রয়োজনীয় ওষুধ জনগণের জন্য সহজলভ্য করা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
ওষুধ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করার তাগিদ
ওষুধ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে আরও পেশাদার ও শক্তিশালী করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। ডা. আজাদ বলেন, ওষুধ কোম্পানিগুলো প্রতিযোগিতামূলক বাজারে কাজ করে। তাই শুধু শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে দোষারোপ করে সমস্যার সমাধান করা যাবে না। নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে এমন সক্ষমতা অর্জন করতে হবে, যাতে নির্ধারিত মানের নিচে কোনো ওষুধ বাজারজাত হতে না পারে।
তিনি বলেন, কোনো ওষুধের দাম কম হলেই সেটি বাজারে থাকার উপযুক্ত হবে, এমন ধারণা গ্রহণযোগ্য নয়। গুণগত মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি কার্যকর নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মানহীন ওষুধের প্রবেশ বন্ধ করতে হবে। ওষুধের বিপণন পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। চিকিৎসকদের কাছে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের মাধ্যমে নমুনা বিতরণের মতো বিপণন চর্চা বন্ধ করার পাশাপাশি এ বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার আহ্বান জানান।
দাম, মান ও শিল্পের বিকাশে ভারসাম্যের প্রয়োজন
এ কে আজাদ বলেন, ওষুধের দাম, প্রাপ্যতা, শিল্পের বিকাশ, মান নিয়ন্ত্রণ ও বিপণন সবকিছু মিলিয়ে বিষয়টি জটিল। তাই কোনো পক্ষকে এককভাবে দায়ী না করে ধারাবাহিক আলোচনা ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে হবে। দেশের ওষুধশিল্পকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণ করাও জরুরি।
অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা হালনাগাদের আইন কার্যকর হয়নি
আইনি দিক তুলে ধরে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মুনির বলেন, সমাজ ও মানুষের জীবনাচরণ পরিবর্তনের সঙ্গে চিকিৎসাব্যবস্থা এবং ওষুধের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আসে। তাই নতুন গবেষণা ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা নিয়মিত হালনাগাদ করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ‘ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩’-এর ১৩ ধারায় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা প্রকাশ এবং প্রতি দুই বছর অন্তর তা হালনাগাদ করার বিধান রয়েছে। কিন্তু আইনে এ ব্যবস্থা থাকলেও তা কার্যকর হয়নি।
জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ গঠনে দীর্ঘসূত্রতার প্রশ্ন
শিশির মুনির বলেন, তালিকা হালনাগাদের বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দেওয়ার জন্য জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের কথা রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘ সময় এ পরিষদ গঠন করা হয়নি। ফলে কোন ওষুধ অত্যাবশ্যকীয় হবে এবং কোনটি হবে না, সে বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দেওয়ার নির্ধারিত ব্যবস্থা কার্যকর ছিল না।
অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা পরিবর্তনের ইতিহাস
অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকার পরিবর্তনের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৯৮২ সালে তালিকায় ১৫০টি ওষুধ ছিল। ১৯৯৩ সালে তা বেড়ে ৭৩৯টি হয়। ১৯৯৪ সালে কমিয়ে ১১৭টি করা হয়। এরপর ২০০৮ সালে ২০৯টি, ২০১৬ সালে ২৮৫টি এবং ২০২৬ সালে ২৯৫টি ওষুধের তালিকা করা হয়।
তিনি বলেন, ৭৩৯টি ওষুধ থেকে ১১৭টিতে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট হয়েছিল। ওই মামলায় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের বিষয়টিকে মানুষের জীবন রক্ষার অধিকারের সঙ্গে সম্পর্কিত হিসেবে দেখা হয়েছে।
অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের সঙ্গে জীবন রক্ষার অধিকার জড়িত
শিশির মুনির বলেন, সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদে মানুষের জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার সুরক্ষিত। অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ মানুষের জীবন রক্ষার অধিকারের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত হওয়ায় বিষয়টিকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই।
২৯৫ ওষুধের তালিকা বাতিলের বিষয়ে প্রশ্ন
জাতীয় টাস্কফোর্সের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ২৪ জুলাই ২০২৫ তারিখে ১৮ সদস্যের একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। পরে ওই টাস্কফোর্স মূল্য নির্ধারণ কমিটি গঠন করে এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ২৯৫টি ওষুধের জাতীয় তালিকা প্রকাশ করা হয়।
তিনি বলেন, ২৯ জুন ২০২৬ তারিখে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়। এরপর আগস্টে ২৯৫টি ওষুধের তালিকা বাতিল করা হয়েছে। টাস্কফোর্স গঠনের সময় জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ ছিল না। তাই সেই পরিস্থিতিতে টাস্কফোর্স গঠনে আইনি বাধা ছিল কি-না, সেটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। তাঁর আইনি ব্যাখ্যা অনুযায়ী, জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত না থাকায় টাস্কফোর্স গঠনে আইনি বাধা ছিল না।
তিনি আরও বলেন, টাস্কফোর্স অংশীজনদের মতামত নিয়ে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা প্রকাশ এবং মূল্য নির্ধারণ করেছে। এরপর পুরো তালিকা বাতিল করা হয়েছে। কেন তালিকাটি বাতিল করা হলো, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
৯০ শতাংশের বেশি কাঁচামাল আমদানিনির্ভর
সংলাপে আরও জানানো হয়, বাংলাদেশে ওষুধ উৎপাদনে ব্যবহৃত সক্রিয় ঔষধি উপাদানের ৯০ শতাংশের বেশি ভারত ও চীন থেকে আমদানি করা হয়। ফলে আন্তর্জাতিক বাজার, পরিবহন ব্যয় ও বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারের পরিবর্তন দেশের ওষুধ উৎপাদন ব্যয়ে প্রভাব ফেলে।
বিজ্ঞানভিত্তিক তালিকা ও নিয়মিত মূল্য সমন্বয়ের প্রস্তাব
এ সময় সংলাপে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা প্রণয়নে রোগের ধরন ও বিস্তার, চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রমাণ, ওষুধের নিরাপত্তা, ব্যয় সাশ্রয়িতা এবং রোগীর আর্থিক বোঝা বিবেচনার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
এ ছাড়া অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের নিয়মিত মূল্য সমন্বয়, বাজারে ওষুধের প্রাপ্যতা পর্যবেক্ষণ, দরিদ্র ও নিম্নআয়ের রোগীদের জন্য সরকারি পর্যায়ে বৃহৎ পরিসরে ওষুধ ক্রয়, উন্নত সংরক্ষণ ও বিতরণ ব্যবস্থা এবং আর্থিক সুরক্ষা জোরদারের প্রস্তাব দেওয়া হয়।
মূল্য নির্ধারণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ওপর গুরুত্ব
মূল্য নির্ধারণ ও ওষুধ নিয়ন্ত্রণে স্বচ্ছতা, নির্ভরযোগ্য বাজারতথ্য, কার্যকর প্রতিযোগিতা, অংশীজনদের মতামত এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন বক্তারা। সংলাপে সংসদ সদস্য, জনস্বাস্থ্যবিদ, স্বাস্থ্য অর্থনীতিবিদ, গবেষক, চিকিৎসক, ওষুধশিল্পের প্রতিনিধি, পেশাজীবী সংগঠন, গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সংলাপে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ডা. মো. আব্দুস সালাম, সংসদ সদস্য ডা. মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দীন ফরিদ, ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সেলিম রেজা, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাবেক আঞ্চলিক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মো. মোজাহেরুল হক, রিউমাটোলজি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আতিকুল হক, স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশনের সদস্য ড. আবু মোহাম্মদ জাকির হোসেন, আইসিডিডিআরবির সিনিয়র বিজ্ঞানী ডা. আহমেদ এহসানুর রহমান, জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. মুশতাক হোসেন।
এ ছাড়াও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) মহাসচিব ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল, ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের (এনডিএফ) সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন, ন্যাশনাল হেলথ অ্যালায়েন্সের (এনএইচএ) আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. শাদরুল আলম, কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীর ভূঁইয়া, বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতির (বাপি) সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এম মোসাদ্দেক হোসাইন, ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ এস কায়সার কবির, ট্রেজারার মো. মিজানুর রহমান।
আরও ছিলেন উপস্থিত ছিলেন গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মনজুর কাদির আহমেদ, ব্র্যাক জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথের অধ্যাপক ড. জাহিদুল কাইয়্যুম, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক মো. শাহাদৎ হোসেন, ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তৌহিদুল ইসলাম, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের উপপরিচালক ডা. মামুনুর রহমান মালিক, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রতিনিধি ও মিশন প্রধান এ কে মাহবুবুর রহমান, বাংলাদেশ ইউনানী মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ডা. এস এম মোয়াজ্জেম হোসাইন, নীতি ও উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ দেওয়ান হক এবং দেওয়ান আলমগীরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
এনএইচ/এমইউ/