১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ০৩:৫৬ পিএম

শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মমেকের দুই ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মমেকের দুই ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার
বামে নূর এ জাওয়াত রুতাব, মাঝে ছাত্রদলের লোগো, ডানে নাফিউল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত ও সম্পাদিত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) শাখা ছাত্রদলের দুই নেতার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নূর এ জাওয়াত রুতাবকে তার সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নাফিউল ইসলামকে সংগঠনের প্রাথমিক সদস্য পদ থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।

গত ১৭ এপ্রিল তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মমেক ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে জড়িত পক্ষ দুটির একটি মেডিকেল ছাত্রদলের আহ্বায়ক তানভীর আব্দুল্লাহর অনুসারী এবং অপরটি সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নূর এ জাওয়াত রুতাবের অনুসারী।

এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন নূর এ জাওয়াত রুতাবের অনুসারী মীর হামিদুর এবং তানভীর আব্দুল্লাহর অনুসারী মো. মুয়াজ।

জানা গেছে, হামলার ঘটনায় নাফিউল ইসলাম নামের এক শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। গুরুতর আহত মুয়াজকে সকালে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় পাঠানো হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় ঘটনার সূত্রপাত হয়। এ সময় মো. আমানুল্লাহ মুয়াজ সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নূর এ জাওয়াত রুতাব গ্রুপের কর্মী মীর হামিদুরের কক্ষে যান। সেখানে মোটরসাইকেলে তেল ভরাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয় এবং ‘তেলের পাম্প আছে’—এ ধরনের কথা বলে হামিদুরকে উসকানি দেওয়া হয়। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

একপর্যায়ে মীর হামিদুর প্রথমে মুয়াজকে আঘাত করেন। পরে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে এবং হামিদুর ও তার সহযোগীরা মুয়াজকে মারধর করে কক্ষ থেকে বের করে দেন।

পরে মীর হামিদুর চা খেতে বাইরে গেলে মুয়াজ একটি স্টিলের পাইপ দিয়ে পুলিশের উপস্থিতিতে তার মাথায় আঘাত করেন। এতে হামিদুরের গ্রুপের সদস্যরা মুয়াজকে ধাওয়া করলে তিনি একটি কক্ষে ঢুকে নিজেকে আটকে রাখেন।

এরপর মুয়াজকে উদ্ধার করতে তার গ্রুপের সদস্যরা এগিয়ে এলে দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। পরে আশপাশের লোকজন পরিস্থিতি আংশিক নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং আহত হামিদুরকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ঘটনার পর পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করে। তবে তাদের উপস্থিতিতেই ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে। এ সময় আমানুল্লাহ মুয়াজ ব্যাপক হামলার শিকার হন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার শরীরে ব্যাপক রক্তক্ষরণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

টিআই/

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
এনডিএফের কর্মশালায় বিশেষজ্ঞদের মত

দুর্নীতির লাগাম না টানলে বড় বরাদ্দেও সুফল মিলবে না

এনডিএফের কর্মশালায় বিশেষজ্ঞদের মত

দুর্নীতির লাগাম না টানলে বড় বরাদ্দেও সুফল মিলবে না

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত