১৯ জুন, ২০২৫ ০৪:৩৬ পিএম

ইআরপিপি কর্মীদের মার্চ টু যমুনায় বাধা, সচিবালয়ে প্রতিনিধি দল

ইআরপিপি কর্মীদের মার্চ টু যমুনায় বাধা, সচিবালয়ে প্রতিনিধি দল
ছবি: সংগৃহীত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: বকেয়া বেতন ও চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে কোভিড-১৯ ইমারজেন্সি রেসপন্স এন্ড প্যানডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস (ইআরপিপি) প্রকল্পের কর্মীদের পদযাত্রায় বাধা দিয়েছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের সামনে থেকে ‘মার্চ টু যমুনা’ শুরু হলে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে তাদের বাধা দেওয়া হয়।

পরে ইআরপিপি কর্মীরা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নিয়েছেন। এ ছাড়া তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম ও স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করতে সচিবালয়ে প্রবেশ করেছেন বলেও জানা গেছে।

ইআরপিপি কর্মীরা জানান, বেলা সাড়ে ১২টার দিকে পূর্বঘোষিত মার্চ টু যমুনা কর্মসূচি শুরু করেন তারা। সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের সামনে থেকে শুরু হওয়ার এই র‌্যালি যমুনা অভিমুখে যাওয়ার কথা থাকলেও পুলিশের বাধায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল অতিক্রম করতে পারেনি। বকেয়া বেতন, চাকরিতে পুনর্বহাল এবং রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে টানা পাঁচদিন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সামনে অবস্থানের পর এই কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন তারা।

আন্দোলনরত ইআরপিপি প্রকল্পের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মো. শামীম শাহ মেডিভয়েসকে বলেন, ‘সচিবালয়ে আমাদের তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল গিয়েছে। তারা ফিরে আসলে আমরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিব।’

ইআরপিপি কর্মীরা বলছেন, ‘২০২০ সালের ৮ মার্চ করোনা মহামারী শুরুর পরে পরীক্ষার মাধ্যমে আমাদের নিয়োগ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ধাপে ধাপে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ ছিল। চলতি বছরের জানুয়ারির দিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কাজ চালিয়ে যেতে মৌখিক আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল, আপনারা যার যার কর্মস্থলে কাজ অব্যাহত রাখুন, আপনাদের জন্য ভালো কিছু অপেক্ষা করছে।’

তারা আরও বলেন, ‘আমরা সেই আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে মে পর্যন্ত কাজ অব্যাহত রাখি। কিন্তু ২৫ মে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও গবেষণা শাখা থেকে চিঠি দিয়ে আমাদের কাজ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়, যা আমাদের সাথে চরম অন্যায় এবং অবিচার।’

আন্দোলনরত ইআরপিপি কর্মীরা বলেন, ‘করোনাভাইরাস আবারও নতুন করে চোখ রাঙাচ্ছে, তাহলে এখন আমাদের হাতে গড়া সেই আর-টি পিসিআর ল্যাব,  করোনা ডেডিকেটেড আইসিইউ কাদের দিয়ে চালানো হবে? নাকি আমাদের শ্রমের বিনিময়ে গড়া পিসিআর ল্যাব, আইসিইউ চালানোর জন্য আমাদের পদে নতুন করে লোক নিয়োগ দেওয়ার পায়তারা চালানো হচ্ছে? আমরা এর প্রতিবাদ, চাকরি বহাল রাখা এবং রাজস্বখাতে অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে কর্মসূচি পালন করছি।’

এনএআর/

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত