ঔষধাগারকে স্বাস্থ্য সরঞ্জাম অধিদপ্তরে রূপান্তর চান না কর্মকর্তা-কর্মচারীরা
মেডিভয়েস রিপোর্ট: সেন্ট্রাল মেডিকেল স্টোরস ডিপো (সিএমএসডি) বা কেন্দ্রীয় ঔষাধাগারকে স্বাস্থ্য সরঞ্জাম অধিদপ্তরে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। মানববন্ধন থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ক্যাডার ও নন-ক্যাডার সমান গুরুত্ব এবং পদোন্নতির জন্য সুষ্ঠু কাঠামোরে দাবিও জানানো হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে শহিদ তাজউদ্দিন আহমদ সরণিতে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির সামনে এই মানববন্ধন আয়োজিত হয়।
এ সময় আয়োজকরা বলেন, ‘পতিত ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের স্বাস্থ্য খাতকে ধ্বংস করার জন্য অভিজ্ঞ চিকিৎসক, ফার্মাসিস্ট ও কর্মকর্তা-কর্মচারী ব্যতীত সিএমএসডিকে স্বাস্থ্য সরঞ্জাম অধিদপ্তরে রূপান্তর করে। আমরা এ সিদ্ধান্ত মানি না।’
মানববন্ধনে ‘ঔষাধাগার বান্ধব অধিদপ্তর চাই’, ‘স্বাস্থ্যখাত ধ্বংস মানি না, মানবো না’, ‘স্বাস্থ্য ক্যাডার-নন ক্যাডার গুরুত্ব পাক’, ‘পদোন্নতির লেডার থাকতে হবে’—প্রভৃতি প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ২২ মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের আওতাধীন সিএমএসডির দাপ্তরিক মর্যাদা অধিদপ্তরে উন্নীত করে ‘স্বাস্থ্য সরঞ্জাম অধিদপ্তর’ (ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ সাপ্লাইস—ডিএইচএস) ঘোষণা করে। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব লাবণী ইয়াসমীন স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে সিএমএসডিতে বিদ্যমান ২০২টি পদ থেকে ১৪১টি পদ বিলুপ্তি এবং অধিদপ্তরের জন্য ১৪টি ক্যাডার পদ স্থায়ীভাবে সৃজন করা হয়ে। এ ছাড়া সৃজন করা হয়েছে বছর বছর সংরক্ষণের ভিত্তিতে অস্থায়ীভাবে ৭২টিসহ মোট ৮৬টি নতুন পদ।
মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তকে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রতিকূলে বলে ওই সময়েই আপত্তি জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনেকে। ওই সময়ে তারা জানান, দেশের ১৮ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য নিরাপত্তার দায়িত্ব যেখানে অধিদপ্তরের, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কেনাকাটা আরেকটি প্রতিষ্ঠান করলে সেখানে কোনো সমন্বয় থাকবে না। তা ছাড়া এই প্রতিষ্ঠানের কেনাকাটা ঠিকাদারনির্ভর হয়ে পড়বে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা। এতে দেশের স্বাস্থ্যসেবা ধীরে ধীরে পঙ্গুত্বের দিকে এগিয়ে যাবে বলে মন্তব্য তাদের।
এনএআর/
-
১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
-
১৬ জানুয়ারী, ২০২১
-
০১ সেপ্টেম্বর, ২০২০
-
২১ জুলাই, ২০২০