বিশ্বমানের সকল সুবিধাদি থাকবে রামেবিতে: ভিসি
মেডিভয়েস রিপোর্ট: রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (রামেবি) ভিসি অধ্যাপক ডা. মোহা. জাওয়াদুল হক বলেছেন, রামেবি হবে পরিবেশবান্ধব ও সর্বাধুনিক সুবিধা সম্বলিত একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্বমানের সকল সুবিধাদি এখানে বর্তমান থাকবে।
রোববার (০১ ডিসেম্বর) দুপুরে নগরীর বাজেসিলিন্দা এলাকায় রামেবির নিজস্ব জমিতে অবকাঠামো নির্মাণ কাজের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
অধ্যাপক ডা. জাওয়াদুল হক বলেন, ২০১৭ সালে রামেবি’র একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়। সে হিসেবে রামেবি’র বয়স প্রায় ৮ বছর। এ সময়ের মধ্যে প্রকল্প প্রণয়ন, প্রকল্পের নকশা প্রণয়ন, অনুমোদন এবং ভূমি অধিগ্রহণসহ রামেবি স্থাপন প্রকল্প সংশ্লিষ্ট অনেক কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আজ উদ্বোধনের মাধ্যমে নিজস্ব জায়গায় রামেবি’র অবকাঠামো নির্মাণের যাত্রা শুরু হলো। খুব শীঘ্রই রামেবি দৃশ্যমান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, পর্যাপ্ত সংখ্যক আইসিইউ, অত্যাধুনিক ওটি রুম ও পোস্ট অপারেটিভ রুমসমূহ থাকবে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা সহকারে পর্যাপ্ত ওয়ার্ড ও কেবিনের ব্যবস্থা থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, রামেবি হাসপাতলে বিদ্যুৎ সংযোগ নিরবচ্ছিন্ন রাখবার লক্ষ্যে তিন স্তরের বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা থাকবে। অগ্নিসংক্রান্ত দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ভবনের অভ্যন্তরীণ ফায়ার ফাইটিং ব্যবস্থার পাশাপাশি অতিরিক্ত সর্তকতা হিসেবে একটি স্যাটেলাইট ফায়ার স্টেশন নির্মিত হবে। এছাড়াও সার্বিক নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক সিসি ক্যামেরা এবং আধুনিক নার্স কলিং সিস্টেম থাকবে। হাসপাতালের সন্নিকটেই বেসমেন্টসহ ১০ তলা বিশিষ্ট একটি আধুনিক একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হবে বলে জানান তিনি।
রামেবি’র কোষাধ্যক্ষ ডা. মো. জাকির হোসেন খোন্দকারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর, আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. খন্দকার মো. ফয়সল আলম।
সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, নগরীর সুধীজন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজসহ অধিভুক্ত বিভিন্ন মেডিকেল ও নার্সিং কলেজের শিক্ষক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক এবং রামেবির কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, পূর্ণাঙ্গ প্রকল্পটি দুটি পর্যায়ে বিভক্ত। প্রথম পর্যায়ের নির্মাণ কাজের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ১ হাজার ২ শত শয্যার বেসমেন্টসহ ১২ তলা বিশিষ্ট একটি অত্যাধুনিক হাসপাতাল ভবন। প্রথম পর্যায়ের প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ২ শত ৫৭ কোটি টাকা। যার মধ্যে ভূমি অধিগ্রহণ বাবদ ব্যয় ৭ শত ৭৬ কোটি টাকা, নির্মাণ ব্যয় ১ হাজার ৩ কোটি টাকা এবং যন্ত্রপাতি ও আসবাবপত্রের জন্য অনুসাঙ্গিক ব্যয় ৪ শত ৭৮ কোটি টাকা। প্রকল্পটি প্রাথমিকভাবে ২০২৭ সালের ৩০ জুনের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।
-
০১ ডিসেম্বর, ২০২৪
-
২৫ অক্টোবর, ২০২৪
-
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
-
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
-
০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
-
১২ জুলাই, ২০২৪
-
১০ জুলাই, ২০২৪
-
২৬ মার্চ, ২০২৪
-
১৮ মার্চ, ২০২৪
-
১৮ মার্চ, ২০২৪